রাজধানীর হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর ‘অস্বাভাবিক মৃত্যু’

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ফাইল ছবি
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ফাইল ছবি

রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকার একটি বাসায় সাইদুল আমীন সীমান্ত (২৫) নামের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর ‘অস্বাভাবিক মৃত্যু’ হয়েছে বলে জানিয়েছে তার স্বজনরা। সীমান্ত কেমিস্ট্রি বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সীমান্তকে মুমূর্ষু অবস্থায় স্বজনরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সীমান্তের বাড়ি নরসিংদী জেলার মনোহরদীর বীরগাঁও গ্রামে। বাবার নাম সদরুল আমীন। সীমান্ত তার এক বন্ধুর সঙ্গে রাজধানীর হাজারীবাগে মনেশ্বর রোডের একটি পাঁচতলা বাড়ির নিচতলায় মেসে থাকতেন।

সীমান্তের চাচা রুহুল আমিন বলেন, ‘গত রাত সাড়ে ১২টার দিকে সীমান্তের বন্ধু বাইরে থেকে এসে দরজা বন্ধ পায়। অনেকক্ষণ ডাকাডাকি করে সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি। পরে আমাকে ফোন দেয়। এরপর বাসায় গিয়ে দরজা ভেঙে সীমান্তকে বিছানায় অচেতন অবস্থায় পাই। দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে জানান।’

তিনি আরও জানান, তারা জানতে পেরেছেন, গত রাতে বিষাক্ত কিছু খেয়েছিলেন সীমান্ত। তবে কী সেবন করেছেন, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘সীমান্তরা দুই ভাই-বোন। এক বোন প্রতিবন্ধী। তার মা করোনার সময় মারা গেছেন। এসব নিয়ে ও হতাশাগ্রস্ত ছিল।’

হাজারীবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জাহিদ হাসান জানান, রাতে খবর পেয়ে ঢাকা মেডিকেলে গিয়ে সীমান্তের মরদেহ পাওয়া যায়। হাজারীবাগের বাসায় তারা দুজন একটি রুমে ভাড়া থাকতেন। ঘটনার সময় সীমান্তের রুমমেট বাইরে ছিলেন। পরে সীমান্তের স্বজনেরাসহ দরজা ভেঙে তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, করোনায় মায়ের মৃত্যু, বোন প্রতিবন্ধী— এসব বিষয় নিয়ে হতাশায় ছিলেন সীমান্ত। বিষপান করে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement