
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেছেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রশাসন ভবনসহ ১০টি আবাসিক হলের ১৫৮টি কক্ষে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে প্রায় চার কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
আজ রোববার দুপুরে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল, মাদার বখশ হল, শহীদ জিয়াউর রহমান হলসহ অন্যান্য স্থাপনা ঘুরে দেখেন। পরে সংবাদ সম্মেলন করে ক্যাম্পাসে সহিংসতা ও ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ তুলে ধরেন।
ক্যাম্পাসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে জানিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন, সহিংসতার ঘটনায় গত ২৫ জুলাই সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক এসএম একরাম উল্লাহকে আহ্বায়ক ও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন বকুলকে সদস্য সচিব করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।। তদন্ত কমিটিকে ঘটনার বিবরণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং কী করণীয় (সুপারিশ) সম্পর্কে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। এজন্য কমিটিকে আট সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে।
তবে এরই মধ্যে আবাসিক হলগুলোর প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ হল প্রাধ্যক্ষরা দিয়েছেন জানিয়ে তিনি আরও বলেন, হল প্রাধ্যক্ষদের দেওয়া বিবরণে দেখা গেছে ক্যাম্পাসের ১০টি হলের ১৫৮টি কক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ক্ষতির পরিমাণ প্রায় চার কোটি টাকা। এখন আমাদের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি আগে নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়াও হলগুলোকেও বসবাসের উপযোগী করতে হবে। বেশ কিছু হল এমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে কেউ দেখলে তার মনে আঘাত লাগবে। তাই আমরা চাই না যে শিক্ষার্থীরা এসে এসব দেখুক। আমরা এসব সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছি। তারপর ক্যাম্পাস খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে।”
উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে যে সহিংসতা ঘটে গেছে তা খুবই দুঃখজনক। প্রথমে যে আন্দোলন হয়েছিল কোটা সংস্কারের দাবিতে সেটা সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ছিলো। কিন্ত গত ১৬ তারিখে একটা দুর্বৃত্তায়ন হয়ে গেছে ক্যাম্পাসে। বহিরাগতরা ঢুকে জ্বালাও-পোড়াও করেছে। বাইরে থেকে প্রচুর বহিরাগত সন্ত্রাসী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হুইসেল বাজিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকেছিল। তারা প্রশাসন ভবনে তালা দিয়ে ইলেকট্রিসিটি লাইন কেটে, জেনারেটর বিস্ফোরণের চেষ্টা করে। এতে আমার সঙ্গে থাকা প্রায় অর্ধশত শিক্ষক এবং প্রায় শতাধিক কর্মচারী অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। তখন আমরা নিশ্চিত হয়ে গেলাম যে তারা নাশকতা করবে। এরপর আমরা একরকম বাধ্য হয়েই খবর দিলে এখানে থাকা যৌথ বাহিনী এসে আমাদের উদ্ধার করে।
তিনি আরও বলেন, কোনো কিছু হলেই বহিরাগতরা এসে বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা করে। চার দিক থেকে তারা ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়ে। এভাবে একটা বিশ্ববিদ্যালয় চলতে পারে না। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকলে শুধু ক্ষতি শিক্ষার্থীদের নয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চার পাশে যারা বসবাস করে তাদেরও। তাই তাদেরও এগিয়ে আসতে হবে, যাতে বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে না পারে। এ জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা প্রয়োজন।
ক্যাম্পাসের ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা পরিদর্শনকালে উপাচার্যের আরও উপস্থিত ছিলেন, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর, বিজ্ঞান অনুষদের অধিকর্তা ও সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক নাসিমা আখতার, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক তারিকুল হাসান, প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক, ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম সাউদ, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রণব কুমার পান্ডে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ওমর ফারুক সরকার, লিগ্যাল সেলের প্রশাসক সাদিকুল ইসলাম, পরিবহন প্রশাসক মোকছিদুল হক, ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সংশ্লিষ্ট হল প্রাধ্যক্ষ ও আবাসিক শিক্ষক এবং সহকারী প্রক্টররা।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেছেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রশাসন ভবনসহ ১০টি আবাসিক হলের ১৫৮টি কক্ষে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে প্রায় চার কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
আজ রোববার দুপুরে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল, মাদার বখশ হল, শহীদ জিয়াউর রহমান হলসহ অন্যান্য স্থাপনা ঘুরে দেখেন। পরে সংবাদ সম্মেলন করে ক্যাম্পাসে সহিংসতা ও ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ তুলে ধরেন।
ক্যাম্পাসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে জানিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন, সহিংসতার ঘটনায় গত ২৫ জুলাই সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক এসএম একরাম উল্লাহকে আহ্বায়ক ও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন বকুলকে সদস্য সচিব করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।। তদন্ত কমিটিকে ঘটনার বিবরণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং কী করণীয় (সুপারিশ) সম্পর্কে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। এজন্য কমিটিকে আট সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে।
তবে এরই মধ্যে আবাসিক হলগুলোর প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ হল প্রাধ্যক্ষরা দিয়েছেন জানিয়ে তিনি আরও বলেন, হল প্রাধ্যক্ষদের দেওয়া বিবরণে দেখা গেছে ক্যাম্পাসের ১০টি হলের ১৫৮টি কক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ক্ষতির পরিমাণ প্রায় চার কোটি টাকা। এখন আমাদের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি আগে নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়াও হলগুলোকেও বসবাসের উপযোগী করতে হবে। বেশ কিছু হল এমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে কেউ দেখলে তার মনে আঘাত লাগবে। তাই আমরা চাই না যে শিক্ষার্থীরা এসে এসব দেখুক। আমরা এসব সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছি। তারপর ক্যাম্পাস খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে।”
উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে যে সহিংসতা ঘটে গেছে তা খুবই দুঃখজনক। প্রথমে যে আন্দোলন হয়েছিল কোটা সংস্কারের দাবিতে সেটা সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ছিলো। কিন্ত গত ১৬ তারিখে একটা দুর্বৃত্তায়ন হয়ে গেছে ক্যাম্পাসে। বহিরাগতরা ঢুকে জ্বালাও-পোড়াও করেছে। বাইরে থেকে প্রচুর বহিরাগত সন্ত্রাসী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হুইসেল বাজিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকেছিল। তারা প্রশাসন ভবনে তালা দিয়ে ইলেকট্রিসিটি লাইন কেটে, জেনারেটর বিস্ফোরণের চেষ্টা করে। এতে আমার সঙ্গে থাকা প্রায় অর্ধশত শিক্ষক এবং প্রায় শতাধিক কর্মচারী অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। তখন আমরা নিশ্চিত হয়ে গেলাম যে তারা নাশকতা করবে। এরপর আমরা একরকম বাধ্য হয়েই খবর দিলে এখানে থাকা যৌথ বাহিনী এসে আমাদের উদ্ধার করে।
তিনি আরও বলেন, কোনো কিছু হলেই বহিরাগতরা এসে বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা করে। চার দিক থেকে তারা ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়ে। এভাবে একটা বিশ্ববিদ্যালয় চলতে পারে না। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকলে শুধু ক্ষতি শিক্ষার্থীদের নয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চার পাশে যারা বসবাস করে তাদেরও। তাই তাদেরও এগিয়ে আসতে হবে, যাতে বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে না পারে। এ জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা প্রয়োজন।
ক্যাম্পাসের ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা পরিদর্শনকালে উপাচার্যের আরও উপস্থিত ছিলেন, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর, বিজ্ঞান অনুষদের অধিকর্তা ও সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক নাসিমা আখতার, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক তারিকুল হাসান, প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক, ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম সাউদ, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রণব কুমার পান্ডে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ওমর ফারুক সরকার, লিগ্যাল সেলের প্রশাসক সাদিকুল ইসলাম, পরিবহন প্রশাসক মোকছিদুল হক, ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সংশ্লিষ্ট হল প্রাধ্যক্ষ ও আবাসিক শিক্ষক এবং সহকারী প্রক্টররা।

আজ সন্ধ্যা ৭টার পর এ ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিটের চেষ্টায় প্রায় ৪৫ মিনিট পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি কনভেনশন হলে এ সম্মেলন আয়োজন করা হয়। নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধি ও ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সিটিজেন অ্যাগেইনস্ট করাপশন এ সম্মেলনের আয়োজন করে।
১৯ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হওয়ার পর সংসদ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের কাজের ধরন, সময় আর প্রক্রিয়াগত বিষয়গুলো নিয়ে এক ধরনের অস্পষ্টতা ও আইনি জটিলতার প্রশ্ন সামনে আসছে।
২০ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং আজ শুক্রবার জানিয়েছে, এই অগ্রগতির বিষয়গুলো তুলে ধরা হয় বিনিয়োগ সমন্বয় কমিটির সপ্তম বৈঠকে। বৃহস্পতিবার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিনিয়োগ বাস্তবায়নের প্রতিবন্ধকতা কমানো, সেবা ডিজিটাল করা এবং সিদ্ধান্ত দ্রুত কার্যকর করার নানা সংস্কার উদ্যোগ পর্যালোচন
১ দিন আগে