
রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নবাব আব্দুল লতিফ হলের একটি কক্ষে অনাবাসিক দুই শিক্ষার্থীকে ‘অবৈধভাবে’ রাখাকে কেন্দ্র করে হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক আতাউল্যাহকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হল শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মুরাদ হোসেনের বিরুদ্ধে।
হল সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি প্রাধ্যক্ষের অনুমতি ছাড়াই দুই অনাবাসিক শিক্ষার্থীকে গণরুম হিসেবে পরিচিত ১৫৮ নম্বর কক্ষে তোলা হয়। মঙ্গলবার বিষয়টি জানতে পেরে প্রাধ্যক্ষ তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অফিসে ডাকেন। তবে তারা উপস্থিত না হয়ে কক্ষে তালা দিয়ে হলের বাইরে চলে যান। পরে হল প্রশাসনের নির্দেশে কক্ষে আরেকটি তালা লাগানো হয়।
প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক আতাউল্যাহ বলেন, 'কয়েকদিন ধরেই শুনছিলাম অনাবাসিক কিছু শিক্ষার্থী ওই রুমে থাকছে। পরে নিয়ম অনুযায়ী তালা দিতে বলি এবং তাদের আমার সঙ্গে দেখা করতে বলা হয়। দুপুর আড়াইটার দিকে একটি অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন আসে। ওপাশ থেকে বলা হয়, ‘স্যার, আমি মুরাদ বলছি, লতিফ হল ছাত্রদলের সভাপতি। ওই রুমে আমিই ওদের উঠিয়েছি।'
তিনি বলেন, 'আমি জানতে চাই, প্রাধ্যক্ষের অনুমতি ছাড়া কীভাবে শিক্ষার্থী ওঠানো হয়। তখন সে বলে, ‘ওরা গরিব মানুষ।’ পরে আমাকে বলে, ‘আপনি রুম খুলে দিবেন কিনা বলেন। আপনাকে আধাঘণ্টা সময় দিলাম। না খুললে আমি গিয়ে তালা ভেঙে ফেলব। একপর্যায়ে সে আমাকে বলে, ‘আপনি তো আর বেশিদিন নাই স্যার।’
প্রাধ্যক্ষ বলেন, আমি পরিস্থিতি বিবেচনা করে হলের পরিবেশ অস্থিতিশীল হওয়ার আশঙ্কায় কর্মচারীদের দিয়ে তালা খুলে দিতে বলি। পরে বিষয়টি প্রাধ্যক্ষ পরিষদের সভায় গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
বুধবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ওই কক্ষে বর্তমানে দুই অনাবাসিক শিক্ষার্থী অবস্থান করছেন। তারা হলেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী কামরুজ্জামান আপন এবং আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী জাবিদ। তারা নিজেদের ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদকের অনুসারী বলে জানান।
কামরুজ্জামান আপন বলেন, 'আমার আর্থিক অবস্থা ভালো না। হলের উপ-রেজিস্ট্রার করিম আলীর সঙ্গে কথা বললে তিনি রুমটি ফাঁকা আছে বলে জানান। পরে আমরা সেখানে উঠি। স্যার যে সময় ডেকেছিলেন, তখন আমার প্রেজেন্টেশন ছিল। পরে এসে দেখি রুমে তালা দেওয়া।'
তবে হলের উপ-রেজিস্ট্রার করিম আলী এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রাধ্যক্ষকে না জানিয়ে আমি কোনো সিদ্ধান্ত নিই না। তারা কীভাবে সেখানে উঠেছে, সেটি আমার জানা নেই।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও হল ছাত্রদলের সভাপতি মুরাদ হোসেন ফোন রিসিভ করেননি। হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠিয়েও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, 'বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। কার মাধ্যমে ফোন গেছে বা কী ঘটেছে, সেটা খোঁজ নিয়ে দেখা হবে। এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকেও আমাদের কিছু জানানো হয়নি।'
এদিকে, শাখা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক নাফিউল জীবন বলেন, 'ওই দুই শিক্ষার্থী আমার পরিচিত। তবে হলের এ ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত হল সভাপতি বলতে পারবেন।'
প্রাধ্যক্ষ পরিষদের আহ্বায়ক শাহ হুসাইন আহমেদ মাহদী বলেন, 'আমাদের অবস্থান স্পষ্ট—মেধার ভিত্তিতে সিট বণ্টন করতে হবে। প্রশাসনের নিয়মের বাইরে কিছু হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য মাঈন উদ্দীন বলেন, 'হল প্রাধ্যক্ষ লিখিতভাবে বিষয়টি জানিয়েছেন। উপাচার্য দেশে ফিরলে এ বিষয়ে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।'
রাজনীতি/একে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নবাব আব্দুল লতিফ হলের একটি কক্ষে অনাবাসিক দুই শিক্ষার্থীকে ‘অবৈধভাবে’ রাখাকে কেন্দ্র করে হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক আতাউল্যাহকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হল শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মুরাদ হোসেনের বিরুদ্ধে।
হল সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি প্রাধ্যক্ষের অনুমতি ছাড়াই দুই অনাবাসিক শিক্ষার্থীকে গণরুম হিসেবে পরিচিত ১৫৮ নম্বর কক্ষে তোলা হয়। মঙ্গলবার বিষয়টি জানতে পেরে প্রাধ্যক্ষ তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অফিসে ডাকেন। তবে তারা উপস্থিত না হয়ে কক্ষে তালা দিয়ে হলের বাইরে চলে যান। পরে হল প্রশাসনের নির্দেশে কক্ষে আরেকটি তালা লাগানো হয়।
প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক আতাউল্যাহ বলেন, 'কয়েকদিন ধরেই শুনছিলাম অনাবাসিক কিছু শিক্ষার্থী ওই রুমে থাকছে। পরে নিয়ম অনুযায়ী তালা দিতে বলি এবং তাদের আমার সঙ্গে দেখা করতে বলা হয়। দুপুর আড়াইটার দিকে একটি অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন আসে। ওপাশ থেকে বলা হয়, ‘স্যার, আমি মুরাদ বলছি, লতিফ হল ছাত্রদলের সভাপতি। ওই রুমে আমিই ওদের উঠিয়েছি।'
তিনি বলেন, 'আমি জানতে চাই, প্রাধ্যক্ষের অনুমতি ছাড়া কীভাবে শিক্ষার্থী ওঠানো হয়। তখন সে বলে, ‘ওরা গরিব মানুষ।’ পরে আমাকে বলে, ‘আপনি রুম খুলে দিবেন কিনা বলেন। আপনাকে আধাঘণ্টা সময় দিলাম। না খুললে আমি গিয়ে তালা ভেঙে ফেলব। একপর্যায়ে সে আমাকে বলে, ‘আপনি তো আর বেশিদিন নাই স্যার।’
প্রাধ্যক্ষ বলেন, আমি পরিস্থিতি বিবেচনা করে হলের পরিবেশ অস্থিতিশীল হওয়ার আশঙ্কায় কর্মচারীদের দিয়ে তালা খুলে দিতে বলি। পরে বিষয়টি প্রাধ্যক্ষ পরিষদের সভায় গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
বুধবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ওই কক্ষে বর্তমানে দুই অনাবাসিক শিক্ষার্থী অবস্থান করছেন। তারা হলেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী কামরুজ্জামান আপন এবং আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী জাবিদ। তারা নিজেদের ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদকের অনুসারী বলে জানান।
কামরুজ্জামান আপন বলেন, 'আমার আর্থিক অবস্থা ভালো না। হলের উপ-রেজিস্ট্রার করিম আলীর সঙ্গে কথা বললে তিনি রুমটি ফাঁকা আছে বলে জানান। পরে আমরা সেখানে উঠি। স্যার যে সময় ডেকেছিলেন, তখন আমার প্রেজেন্টেশন ছিল। পরে এসে দেখি রুমে তালা দেওয়া।'
তবে হলের উপ-রেজিস্ট্রার করিম আলী এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রাধ্যক্ষকে না জানিয়ে আমি কোনো সিদ্ধান্ত নিই না। তারা কীভাবে সেখানে উঠেছে, সেটি আমার জানা নেই।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও হল ছাত্রদলের সভাপতি মুরাদ হোসেন ফোন রিসিভ করেননি। হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠিয়েও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, 'বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। কার মাধ্যমে ফোন গেছে বা কী ঘটেছে, সেটা খোঁজ নিয়ে দেখা হবে। এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকেও আমাদের কিছু জানানো হয়নি।'
এদিকে, শাখা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক নাফিউল জীবন বলেন, 'ওই দুই শিক্ষার্থী আমার পরিচিত। তবে হলের এ ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত হল সভাপতি বলতে পারবেন।'
প্রাধ্যক্ষ পরিষদের আহ্বায়ক শাহ হুসাইন আহমেদ মাহদী বলেন, 'আমাদের অবস্থান স্পষ্ট—মেধার ভিত্তিতে সিট বণ্টন করতে হবে। প্রশাসনের নিয়মের বাইরে কিছু হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য মাঈন উদ্দীন বলেন, 'হল প্রাধ্যক্ষ লিখিতভাবে বিষয়টি জানিয়েছেন। উপাচার্য দেশে ফিরলে এ বিষয়ে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।'
রাজনীতি/একে

রাজধানীর অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ’ চিকিৎসা শিক্ষায় অনন্য ও গৌরবময় অগ্রযাত্রার এক যুগ সম্পন্ন করেছে। এই ঐতিহাসিক ক্ষণটি স্মরণীয় করে রাখতে এবং এমবিবিএস ১২তম ব্যাচের নবাগত শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাতে মঙ্গলবার (১৯ মে) আয়োজন করা হয় এক বর্ণাঢ
৫ ঘণ্টা আগে
গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর ভোরে কক্সবাজারের ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব মাইজপাড়ার মাছ ব্যবসায়ী রেজাউল করিমের বসতবাড়িতে সশস্ত্র ডাকাত প্রতিরোধ অভিযানে গিয়ে ডাকাতের ছুরিকাঘাতে সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট তানজিম সারোয়ার নির্জন নিহত হন। এ সময় যৌথবাহিনী ঘটনাস্থল থেকে তিন ডাকাতকে আটক এবং তাদের ফেলে যাওয়া দেশে ত
৫ ঘণ্টা আগে
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘প্রায় তিন কোটি মানুষের এই নগরীতে ছিনতাই, মাদক, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং, অনলাইন জুয়া, সাইবার প্রতারণা ও হ্যাকিং বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব অপরাধ দমনে গত ১ মে থেকে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে ডিএমপি।’
৫ ঘণ্টা আগে
আগামী জুনের মধ্যে ৮০ হাজার মানুষকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রার অগ্রগতি সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মূলত ফেজ বাই ফেজ বা পর্যায়ক্রমে গ্রাজুয়ালি অগ্রসর হচ্ছি। এই কার্ডের পাইলটিং কার্যক্রম আগামী জুনের মধ্যে শেষ হবে। পাইলটিং মূলত করাই হয় ট্রায়াল অ্যান্ড এরর-এর জন্য। যেন মাঠ পর্যায়ের ছোটখাটো
৬ ঘণ্টা আগে