
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ’ চিকিৎসা শিক্ষায় অনন্য ও গৌরবময় অগ্রযাত্রার এক যুগ সম্পন্ন করেছে। এই ঐতিহাসিক ক্ষণটি স্মরণীয় করে রাখতে এবং এমবিবিএস ১২তম ব্যাচের নবাগত শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাতে মঙ্গলবার (১৯ মে) আয়োজন করা হয় এক বর্ণাঢ্য নবীন বরণ অনুষ্ঠান।
একই সঙ্গে, হাসপাতালের আধুনিক ও উন্নত সেবার ধারাবাহিকতায় অত্যাধুনিক সুবিধাসম্পন্ন সম্প্রসারিত ১৫ শয্যা বিশিষ্ট ‘ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে’র উদ্বোধন করা হয়েছে, যা দেশের যুগোপযোগী চিকিৎসাসেবার ক্ষেত্রে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে।
এই জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। মূল অনুষ্ঠানের শুরুতে মন্ত্রী ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের ফলক উন্মোচন করেন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে এক যুগপূর্তি উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজের এক যুগের এই সাফল্যগাথাকে অভিনন্দন জানান এবং নবাগত শিক্ষার্থীদের আগামী দিনের দক্ষ ও মানবিক চিকিৎসক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের এই আধুনিকায়ন দেশের আপামর জনসাধারণের জরুরি ও উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ‘এমবিবিএস + হিউম্যানিটি = ডাক্তার’ স্লোগান নিয়ে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ বহুদূর যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চেয়ারম্যান এবং ‘বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজে’র (বিসিআই) সিনিয়র সহসভাপতি প্রীতি চক্রবর্ত্তী। স্বাগত বক্তব্যে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্ত্তী এই চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক যুগের পথচলা, অনন্য অর্জন এবং আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা বিস্তারে তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফ উদ্দিন বকুল, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমএন্ডডিসি) সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. নাদিম আহমেদ, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভাইস চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার দিলীপ কুমার পাল এবং ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার পাল।
অনুষ্ঠানে নবাগত শিক্ষার্থীদের বরণ করার পাশাপাশি তাদের হাতে উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজের এই আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষাবন্ধব পরিবেশ এবং উন্নত চিকিৎসাসেবার মান আগামী দিনে দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আরও সমৃদ্ধ ও বেগবান করবে।
অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের অর্থোপেডিক সার্জারির বিভাগীয় প্রধান ও ড্যাবের যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এ কে এম খালেকুজ্জামান দীপু। নবাগত ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পক্ষে অনুভূতি প্রকাশ করেন এমবিবিএস প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আয়মান আক্তার ও বিদেশী শিক্ষার্থী শিফা দ্বীন।
নন্দিত উপস্থাপিকা শান্তা জাহানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ইন্টার্ন চিকিৎসক, নার্সিং অনুষদ, হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পুরো আয়োজনের প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন হাসপাতালের হেড অব ব্র্যান্ড সি এফ জামান।

রাজধানীর অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ’ চিকিৎসা শিক্ষায় অনন্য ও গৌরবময় অগ্রযাত্রার এক যুগ সম্পন্ন করেছে। এই ঐতিহাসিক ক্ষণটি স্মরণীয় করে রাখতে এবং এমবিবিএস ১২তম ব্যাচের নবাগত শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাতে মঙ্গলবার (১৯ মে) আয়োজন করা হয় এক বর্ণাঢ্য নবীন বরণ অনুষ্ঠান।
একই সঙ্গে, হাসপাতালের আধুনিক ও উন্নত সেবার ধারাবাহিকতায় অত্যাধুনিক সুবিধাসম্পন্ন সম্প্রসারিত ১৫ শয্যা বিশিষ্ট ‘ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে’র উদ্বোধন করা হয়েছে, যা দেশের যুগোপযোগী চিকিৎসাসেবার ক্ষেত্রে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে।
এই জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। মূল অনুষ্ঠানের শুরুতে মন্ত্রী ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের ফলক উন্মোচন করেন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে এক যুগপূর্তি উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজের এক যুগের এই সাফল্যগাথাকে অভিনন্দন জানান এবং নবাগত শিক্ষার্থীদের আগামী দিনের দক্ষ ও মানবিক চিকিৎসক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের এই আধুনিকায়ন দেশের আপামর জনসাধারণের জরুরি ও উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ‘এমবিবিএস + হিউম্যানিটি = ডাক্তার’ স্লোগান নিয়ে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ বহুদূর যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চেয়ারম্যান এবং ‘বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজে’র (বিসিআই) সিনিয়র সহসভাপতি প্রীতি চক্রবর্ত্তী। স্বাগত বক্তব্যে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্ত্তী এই চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক যুগের পথচলা, অনন্য অর্জন এবং আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা বিস্তারে তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফ উদ্দিন বকুল, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমএন্ডডিসি) সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. নাদিম আহমেদ, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভাইস চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার দিলীপ কুমার পাল এবং ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার পাল।
অনুষ্ঠানে নবাগত শিক্ষার্থীদের বরণ করার পাশাপাশি তাদের হাতে উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজের এই আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষাবন্ধব পরিবেশ এবং উন্নত চিকিৎসাসেবার মান আগামী দিনে দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আরও সমৃদ্ধ ও বেগবান করবে।
অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের অর্থোপেডিক সার্জারির বিভাগীয় প্রধান ও ড্যাবের যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এ কে এম খালেকুজ্জামান দীপু। নবাগত ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পক্ষে অনুভূতি প্রকাশ করেন এমবিবিএস প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আয়মান আক্তার ও বিদেশী শিক্ষার্থী শিফা দ্বীন।
নন্দিত উপস্থাপিকা শান্তা জাহানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ইন্টার্ন চিকিৎসক, নার্সিং অনুষদ, হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পুরো আয়োজনের প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন হাসপাতালের হেড অব ব্র্যান্ড সি এফ জামান।

চলতি অর্থবছরের সারের চাহিদার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ বলেন, ইউরিয়া সারের চাহিদা ২৬ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন। টিএসপি সারের চাহিদা সাত লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। ডিএপির চাহিদা ১৪ লাখ ৮৫ হাজার মেট্রিক টন। এমওপি নয় লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন।
১৩ ঘণ্টা আগে
ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ব্যবহার করে যারা চাকরিসহ বিভিন্ন ধরনের সুবিধা নিয়েছেন, তাদের তথ্য সরকার জানতে চেয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। তিনি জানিয়েছেন, বিভিন্ন দপ্তর থেকে এ সংক্রান্ত তথ্য আসতে শুরু করেছে। প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৪ ঘণ্টা আগে
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্তের ব্যাপারে আমরা একটি ‘ক্লু’ পেয়েছি। আমরা নাম-পরিচয় প্রকাশ করতে পারছি না। তবে এটা বলতে পারছি, একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে সাগর-রুনির হত্যাকাণ্ডের একটা কানেকশন সিডিআর পর্যালোচনায় পাওয়া যায়।
১৫ ঘণ্টা আগে
রোববার (৩০ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহদা বিন ওসমানের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।
১৭ ঘণ্টা আগে