
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশে এডিস মশাবাহী ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের। এটি চলতি বছর একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এছাড়া ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা শয়ের কোটা ছাড়িয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বছরের শুরুর কয়েক মাস ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও গত কয়েক দিন ধরে তা বাড়ছে। গতকাল সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) একদিনে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ৬১৫ জন রোগী, যা চলতি বছর একদিনে সর্বোচ্চ।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন পাঁচজন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মারা গেলেন ১০২ জন। আর ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে ৫৩৪ জন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৬ হাজার ৮১৯ জন। মারা যাওয়া রোগীদের মধ্যে ৫১ দশমিক ৫ শতাংশ নারী ও পুরুষ ৪৮ দশমিক ৫ শতাংশ।
প্রতি বছর বর্ষাকালে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। ২০২৩ সালের জুন মাস থেকে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করে। গেল বছর দেশে তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। এর মধ্যে ঢাকায় এক লাখ ১০ হাজার ৮ জন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন দুই লাখ ১১ হাজার ১৭১ জন।
আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন তিন লাখ ১৮ হাজার ৭৪৯ জন। গত বছর এক হাজার ৭০৫ জন মশাবাহিত এই রোগে মারা গেছেন, যা দেশের ইতিহাসে এক বছরে সর্বোচ্চ মৃত্যু।
এর আগে ২০১৯ সালে দেশব্যাপী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন এক লাখ এক হাজার ৩৫৪ জন। ওই সময় চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীসহ প্রায় ৩০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
২০২০ সালে করোনা মহামারিকালে ডেঙ্গুর সংক্রমণ তেমন একটা দেখা না গেলেও ২০২১ সালে সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। ওই বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
এছাড়া ২০২২ সালে ডেঙ্গু নিয়ে মোট ৬২ হাজার ৩৮২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। ওই বছর মশাবাহিত রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে ২৮১ জন মারা যান।

দেশে এডিস মশাবাহী ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের। এটি চলতি বছর একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এছাড়া ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা শয়ের কোটা ছাড়িয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বছরের শুরুর কয়েক মাস ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও গত কয়েক দিন ধরে তা বাড়ছে। গতকাল সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) একদিনে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ৬১৫ জন রোগী, যা চলতি বছর একদিনে সর্বোচ্চ।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন পাঁচজন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মারা গেলেন ১০২ জন। আর ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে ৫৩৪ জন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৬ হাজার ৮১৯ জন। মারা যাওয়া রোগীদের মধ্যে ৫১ দশমিক ৫ শতাংশ নারী ও পুরুষ ৪৮ দশমিক ৫ শতাংশ।
প্রতি বছর বর্ষাকালে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। ২০২৩ সালের জুন মাস থেকে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করে। গেল বছর দেশে তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। এর মধ্যে ঢাকায় এক লাখ ১০ হাজার ৮ জন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন দুই লাখ ১১ হাজার ১৭১ জন।
আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন তিন লাখ ১৮ হাজার ৭৪৯ জন। গত বছর এক হাজার ৭০৫ জন মশাবাহিত এই রোগে মারা গেছেন, যা দেশের ইতিহাসে এক বছরে সর্বোচ্চ মৃত্যু।
এর আগে ২০১৯ সালে দেশব্যাপী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন এক লাখ এক হাজার ৩৫৪ জন। ওই সময় চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীসহ প্রায় ৩০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
২০২০ সালে করোনা মহামারিকালে ডেঙ্গুর সংক্রমণ তেমন একটা দেখা না গেলেও ২০২১ সালে সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। ওই বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
এছাড়া ২০২২ সালে ডেঙ্গু নিয়ে মোট ৬২ হাজার ৩৮২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। ওই বছর মশাবাহিত রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে ২৮১ জন মারা যান।

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিডিআর সদর দপ্তরে সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে প্রাণ হারানো ৫৭ জন মেধাবী সেনাসদস্যসহ ৭৪ জন শহীদের স্মরণে আজ জাতি গভীর শোক পালন করছে।
২ ঘণ্টা আগে
রাত ১১টার দিকে বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আশুরা আক্তার মারা যান। ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, তার শরীরের শতভাগই দগ্ধ হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে
বিচারাধীন এ ঘটনা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলার অবকাশ নেই। তবে এ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল— নাগরিক হিসেবে এ বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরি বলে আমি মনে করি। এ হত্যাকাণ্ডের পর নানা রকম মিথ্যা কিংবা অপ
৩ ঘণ্টা আগে
‘পিলখানা ট্র্যাজেডি’ হিসেবে পরিচিত এ দিনটি জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকে জাতীয় শহিদ সেনা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) পিলখানা ট্র্যাজেডিতে হত্যাযজ্ঞের শিকার সেইসব সেনাসহ বেসামরিক নাগরিকদের স্মরণের দিন।
৩ ঘণ্টা আগে