
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ন্যূনতম এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রি না থাকলে কেউ ডাক্তার পদবি ব্যবহার করতে পারবেন না— আদালতের এমন রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। এই রায়ের মধ্য দিয়ে চিকিৎসা পেশার ‘মর্যাদা’ রক্ষা পেয়েছে বলে জানিয়েছে চিকিৎসক ও চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের সংগঠনগুলো। তারা পাঁচ দফা দাবির কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
বুধবার (১২ মার্চ) দিবাগত মধ্যরাত পেরিয়ে সংগঠনগুলো গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছে। এর আগে এ দিন দুপুরে হাইকোর্ট এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি নিয়ে রায় দেন, এমবিবিএস বা বিডিএস ডিগ্রিধারী ছাড়া মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট বা ডিএমএফ ডিগ্রিধারী কেউ ডাক্তার পদবি ব্যবহার করতে পারবেন না।
রায়ে আদালত বলেন, এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রি ছাড়া আজ পর্যন্ত যারা ডাক্তার পদবি ব্যবহার করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। তবে বৃহস্পতিবার থেকে আইন ভঙ্গ করে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
শিক্ষার্থী, ইন্টার্ন চিকিৎসক ও চিকিৎসক পেশাজীবীদের ১৭টি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত ‘সর্বস্তরের চিকিৎসক ও চিকিৎসা শিক্ষার্থী’ ব্যানারে গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আদালতের রায়ের মধ্য দিয়ে একদিকে চিকিৎসকরা যেমন ন্যায়সঙ্গত রায় পেয়েছেন, তেমনই সাধারণ মানুষও এই রায়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। রায়ের মধ্য দিয়ে চিকিৎসক ও চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের প্রধান দাবিটি বাস্তবায়িত হয়েছে।
বাকি দাবিগুলোর ব্যাপারেও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি করেছে বলে সংশ্লিষ্টদের কাছে জেনেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। বলা হয়, দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা আন্দোলনের কারণে সাধারণ জনগণের স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে। এ অবস্থায় সার্বিক বিবেচনায় চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের সংগঠনগুলো চলমান কর্মবিরতি প্রত্যাহার করছে।
তবে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পাঁচ দফা দাবির বাকিগুলোর সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি জানানো না হলে চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা ফের কঠোর কর্মসূচি দেবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলের (ম্যাটস) শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে পালটা কর্মসূচি দেন চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীরা। এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রি না থাকলে কেউ ‘ডাক্তার’ লিখতে পারবে না— এমন দাবি তুলে ক্লাস বর্জনসহ নানা কর্মসূচি পালন শুরু করেন দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা। বিভিন্ন স্তরের চিকিৎসকরাও সেই দাবিতে সংহতি জানান। পরে ‘সর্বস্তরের চিকিৎসক ও চিকিৎসা শিক্ষার্থী’ ব্যানারে মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন ও ইন্টার্নরা প্রতিদিন তিন ঘণ্টা করে কর্মবিরতি পালন করছিলেন।
চিকিৎসকরা যে পাঁচ দফা দাবিতে আন্দোলন করে আসছিলেন সেগুলো হলো—
এমবিবিএস বা বিডিএস ডিগ্রিধারী ছাড়া অন্য কেউ নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করতে পারবে না। বাংলাদেশে ‘ডিপ্লোমা চিকিৎসক’ নামে বিভ্রান্তিকর কোনো পদবির প্রচলন করা যাবে না, যার অস্তিত্ব বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা বিশ্বের কোথাও নেই;
রেজিস্টার্ড চিকিৎসক (এমবিবিএস বা বিডিএস) ছাড়া অন্য কেউ স্বাধীনভাবে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করতে পারবে না— এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে;
সাত কর্মদিবসের মধ্যে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট কোর্স কারিকুলাম সংস্কার কমিটি গঠন করে তাদের কোর্স কারিকুলাম পুনর্নির্ধারণ করতে হবে, মানহীন সব ম্যাটস বন্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করতে হবে;
জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে শূন্য পদে পর্যাপ্তসংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগ ও চিকিৎসকদের বিসিএসের বয়সসীমা ৩৪ বছরে উন্নীত করতে হবে; এবং
অবিলম্বে চিকিৎসক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও বেসরকারি চিকিৎসকদের জন্য সুনির্দিষ্ট বেতন কাঠামো (পে-স্কেল) তৈরি করতে হবে।
এদিকে ম্যাটস শিক্ষার্থীরাও সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে নতুন পদ তৈরি ও অবিলম্বে দশম গ্রেডে শূন্য পদে নিয়োগের দাবি জানিয়ে আসছে। পাশাপাশি তারা চার বছরের একাডেমিক কোর্স বহাল রেখে কারিকুলাম সংশোধন ও ভাতাসহ এক বছরের ইন্টার্নশিপ, প্রস্তাবিত ‘অ্যালায়েড হেলথ প্রফেশনাল বোর্ড’ বাতিল করে ‘মেডিকেল এডুকেশন বোর্ড অব বাংলাদেশ’ নামে বোর্ড গঠন এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও বিএমঅ্যান্ডডিসি স্বীকৃত ক্লিনিক্যাল বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষার সুযোগের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন।

ন্যূনতম এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রি না থাকলে কেউ ডাক্তার পদবি ব্যবহার করতে পারবেন না— আদালতের এমন রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। এই রায়ের মধ্য দিয়ে চিকিৎসা পেশার ‘মর্যাদা’ রক্ষা পেয়েছে বলে জানিয়েছে চিকিৎসক ও চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের সংগঠনগুলো। তারা পাঁচ দফা দাবির কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
বুধবার (১২ মার্চ) দিবাগত মধ্যরাত পেরিয়ে সংগঠনগুলো গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছে। এর আগে এ দিন দুপুরে হাইকোর্ট এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি নিয়ে রায় দেন, এমবিবিএস বা বিডিএস ডিগ্রিধারী ছাড়া মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট বা ডিএমএফ ডিগ্রিধারী কেউ ডাক্তার পদবি ব্যবহার করতে পারবেন না।
রায়ে আদালত বলেন, এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রি ছাড়া আজ পর্যন্ত যারা ডাক্তার পদবি ব্যবহার করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। তবে বৃহস্পতিবার থেকে আইন ভঙ্গ করে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
শিক্ষার্থী, ইন্টার্ন চিকিৎসক ও চিকিৎসক পেশাজীবীদের ১৭টি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত ‘সর্বস্তরের চিকিৎসক ও চিকিৎসা শিক্ষার্থী’ ব্যানারে গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আদালতের রায়ের মধ্য দিয়ে একদিকে চিকিৎসকরা যেমন ন্যায়সঙ্গত রায় পেয়েছেন, তেমনই সাধারণ মানুষও এই রায়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। রায়ের মধ্য দিয়ে চিকিৎসক ও চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের প্রধান দাবিটি বাস্তবায়িত হয়েছে।
বাকি দাবিগুলোর ব্যাপারেও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি করেছে বলে সংশ্লিষ্টদের কাছে জেনেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। বলা হয়, দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা আন্দোলনের কারণে সাধারণ জনগণের স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে। এ অবস্থায় সার্বিক বিবেচনায় চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের সংগঠনগুলো চলমান কর্মবিরতি প্রত্যাহার করছে।
তবে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পাঁচ দফা দাবির বাকিগুলোর সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি জানানো না হলে চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা ফের কঠোর কর্মসূচি দেবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলের (ম্যাটস) শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে পালটা কর্মসূচি দেন চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীরা। এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রি না থাকলে কেউ ‘ডাক্তার’ লিখতে পারবে না— এমন দাবি তুলে ক্লাস বর্জনসহ নানা কর্মসূচি পালন শুরু করেন দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা। বিভিন্ন স্তরের চিকিৎসকরাও সেই দাবিতে সংহতি জানান। পরে ‘সর্বস্তরের চিকিৎসক ও চিকিৎসা শিক্ষার্থী’ ব্যানারে মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন ও ইন্টার্নরা প্রতিদিন তিন ঘণ্টা করে কর্মবিরতি পালন করছিলেন।
চিকিৎসকরা যে পাঁচ দফা দাবিতে আন্দোলন করে আসছিলেন সেগুলো হলো—
এমবিবিএস বা বিডিএস ডিগ্রিধারী ছাড়া অন্য কেউ নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করতে পারবে না। বাংলাদেশে ‘ডিপ্লোমা চিকিৎসক’ নামে বিভ্রান্তিকর কোনো পদবির প্রচলন করা যাবে না, যার অস্তিত্ব বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা বিশ্বের কোথাও নেই;
রেজিস্টার্ড চিকিৎসক (এমবিবিএস বা বিডিএস) ছাড়া অন্য কেউ স্বাধীনভাবে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করতে পারবে না— এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে;
সাত কর্মদিবসের মধ্যে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট কোর্স কারিকুলাম সংস্কার কমিটি গঠন করে তাদের কোর্স কারিকুলাম পুনর্নির্ধারণ করতে হবে, মানহীন সব ম্যাটস বন্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করতে হবে;
জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে শূন্য পদে পর্যাপ্তসংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগ ও চিকিৎসকদের বিসিএসের বয়সসীমা ৩৪ বছরে উন্নীত করতে হবে; এবং
অবিলম্বে চিকিৎসক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও বেসরকারি চিকিৎসকদের জন্য সুনির্দিষ্ট বেতন কাঠামো (পে-স্কেল) তৈরি করতে হবে।
এদিকে ম্যাটস শিক্ষার্থীরাও সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে নতুন পদ তৈরি ও অবিলম্বে দশম গ্রেডে শূন্য পদে নিয়োগের দাবি জানিয়ে আসছে। পাশাপাশি তারা চার বছরের একাডেমিক কোর্স বহাল রেখে কারিকুলাম সংশোধন ও ভাতাসহ এক বছরের ইন্টার্নশিপ, প্রস্তাবিত ‘অ্যালায়েড হেলথ প্রফেশনাল বোর্ড’ বাতিল করে ‘মেডিকেল এডুকেশন বোর্ড অব বাংলাদেশ’ নামে বোর্ড গঠন এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও বিএমঅ্যান্ডডিসি স্বীকৃত ক্লিনিক্যাল বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষার সুযোগের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন।

বাংলাদেশের সময় অনুযায়ী বৃহস্পতিবার রাত ১টা ৩৯ মিনিটে প্রথম বড় কম্পনটি অনুভূত হয়; যার মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ৬। এরপর রাত ২টা ৫০ মিনিটে ৪ দশমিক ৪ মাত্রা এবং ভোর ৩টা ৩১ মিনিটে ৪ দশমিক ০ মাত্রার আরও দুটি মাঝারি কম্পন অনুভূত হয়। ভোর ৬টা পর্যন্ত অন্তত আরও ৫-৬টি ছোট আকারের আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছ
৩ ঘণ্টা আগে
প্রেস সচিব বলেন, মামলাটির তদন্তের জন্য যত দ্রুতসম্ভব জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরকে (ওএইচসিএইচআর) তদন্ত পরিচালনার প্রস্তাব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
কমিশনের চেয়ারম্যান মইনুল ইসলাম অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত গুম কমিশনেরও চেয়ারম্যান ছিলেন। একই কমিশনের আরও দুজন সদস্যকে মানবাধিকার কমিশনের কমিশনার করা হয়েছে। তারা হলেন— মো. নূর খান ও নাবিলা ইদ্রিস।
১২ ঘণ্টা আগে
অবস্থান সম্পর্কে ফাতিমা তাসনিম জুমা বলেন, জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে হাদি হত্যা তদন্তের দাবিতে যমুনার সামনে অবস্থান নিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ ও শহীদের স্ত্রী। সরকার, প্রশাসন ও রাজনৈতিক দল সবাইকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে ইনকিলাব মঞ্চ। কিন্তু, ইনকিলাবকে সহযোগিতার বেলায় সবাই হাত গুটিয়েছে বারবার।
১৪ ঘণ্টা আগে