
অরুণ কুমার

স্পেনের ষাড়ের লড়াই পৃথিবীর অন্যতম নৃশংস খেলায়। খেলা হয় একপেশে। বড় বড় ষাঢ়গুলোই মারা পড়ে। ম্যাটাডের, মানে যারা ষাড়ের সঙ্গে লড়াই করে, তারাও মাঝে মাঝে মাঝে মারাত্মক জখম হন। কখনো কখনো নিহতও হন। কিন্তু এ সংখ্যাটা খুব কম।স্পেনের ষাড়ের লড়াই পৃথিবীর অন্যতম নৃশংস খেলায়। খেলা হয় একপেশে। বড় বড় ষাঢ়গুলোই মারা পড়ে। ম্যাটাডের, মানে যারা ষাড়ের সঙ্গে লড়াই করে, তারাও মাঝে মাঝে মাঝে মারাত্মক জখম হন। কখনো কখনো নিহতও হন। কিন্তু এ সংখ্যাটা খুব কম।
এই খেলা যুগ যুগ ধরে মানুষকে ভুল বার্তা দিয়ে আসছে। খেলায় দেখা যায়, লাল কাপড় নাড়িয়ে ষাড়কে উত্তেজিত করেন ম্যাটাডোরেরা। সুতরাং মানুষ ধরেই নেয়, লাল কাপড়ের কারণেই ষাড় অমন খেপে ওঠে। হ্যাঁ, লাল কাপড় নাড়িয়ে ষাড়কে উত্যক্ত করা হয় বটে, কিন্তু এর জন্য কাপড়ের রং লাল হওয়ার দরকার নেই। যেকোনো কাপড় দেখিয়েই ষাড়কে উত্তেজিত করা সম্ভব।
আসল সত্যিটা হলো ষাড় বা গরু লাল রঙ দেখতেই পায় না। শুধু লাল নয়, কোনো রঙই ষাড়ের চোখে ধরা পড়ে না। কারণ ষাড় কালার ব্লাইন্ড।
যাদের গ্রামে বাড়ি তারা হয়তো একটা ব্যাপার খেয়াল করেছেন, গাভি বা গরুকে যখন খাবার দেওয়া হয়, তারা না শুঁকে মুখে দেয় না। সে যত চেনা খাবারই হোক।
না শুঁকে গরু বা ষাড়েরা খাবার মুখে কারণ, এরা খাবার চিনতে পারে না। রঙ চিনতে পারে না বলেই খাবার চেনে না।
কালার ব্লাইন্ড মানে এই নয়, তারা কোনো বস্তু দেখতে পায় না। দেখতে অবশ্যই পায়, তবে সব বস্তুর একটাই রঙ, কালচে ধূসর।
গরু চোখের রেটিনা ঠিক আমাদের চোখের মতো নয়। আমাদের চোখে বেনিআসহকলার যেমন সবকটি রঙ এসে ধরা দেয়, গরুর চোখে তেমন ঘটে না। আমাদের চোখ যেমন আল্ট্রা ভায়োলেট রে, এক্স-রে, গামা রে, বেতার তরঙ্গ, ইনফ্রারেড তরঙ্গ ধরতে পারে না, তেমনি গরুর চোখ বেনিআসহকলার সাতটি রঙয়ের কোনোটিই ঠিক মতো ধরতে পারে না। তাই বলে গরু সবকিছু কালো বা সাদা দেখে না। তবে কালার ব্লাইন্ডরা কোনো বস্তুকে কেমন দেখে সেটা অনুভব আমাদের জন্য কঠিন। তবে ভাসা ভাসা একটা ধারণা করা যেতে পারে, সেই রঙটা হয়তো কালচে ধূসর। কালার ব্লাইন্ডদের কাছে গোটা দুনিয়াটাই এমন। অনেক দুর্ভাগা মানুষও আছেন, যাঁরা কালার ব্লাইন্ড।

স্পেনের ষাড়ের লড়াই পৃথিবীর অন্যতম নৃশংস খেলায়। খেলা হয় একপেশে। বড় বড় ষাঢ়গুলোই মারা পড়ে। ম্যাটাডের, মানে যারা ষাড়ের সঙ্গে লড়াই করে, তারাও মাঝে মাঝে মাঝে মারাত্মক জখম হন। কখনো কখনো নিহতও হন। কিন্তু এ সংখ্যাটা খুব কম।স্পেনের ষাড়ের লড়াই পৃথিবীর অন্যতম নৃশংস খেলায়। খেলা হয় একপেশে। বড় বড় ষাঢ়গুলোই মারা পড়ে। ম্যাটাডের, মানে যারা ষাড়ের সঙ্গে লড়াই করে, তারাও মাঝে মাঝে মাঝে মারাত্মক জখম হন। কখনো কখনো নিহতও হন। কিন্তু এ সংখ্যাটা খুব কম।
এই খেলা যুগ যুগ ধরে মানুষকে ভুল বার্তা দিয়ে আসছে। খেলায় দেখা যায়, লাল কাপড় নাড়িয়ে ষাড়কে উত্তেজিত করেন ম্যাটাডোরেরা। সুতরাং মানুষ ধরেই নেয়, লাল কাপড়ের কারণেই ষাড় অমন খেপে ওঠে। হ্যাঁ, লাল কাপড় নাড়িয়ে ষাড়কে উত্যক্ত করা হয় বটে, কিন্তু এর জন্য কাপড়ের রং লাল হওয়ার দরকার নেই। যেকোনো কাপড় দেখিয়েই ষাড়কে উত্তেজিত করা সম্ভব।
আসল সত্যিটা হলো ষাড় বা গরু লাল রঙ দেখতেই পায় না। শুধু লাল নয়, কোনো রঙই ষাড়ের চোখে ধরা পড়ে না। কারণ ষাড় কালার ব্লাইন্ড।
যাদের গ্রামে বাড়ি তারা হয়তো একটা ব্যাপার খেয়াল করেছেন, গাভি বা গরুকে যখন খাবার দেওয়া হয়, তারা না শুঁকে মুখে দেয় না। সে যত চেনা খাবারই হোক।
না শুঁকে গরু বা ষাড়েরা খাবার মুখে কারণ, এরা খাবার চিনতে পারে না। রঙ চিনতে পারে না বলেই খাবার চেনে না।
কালার ব্লাইন্ড মানে এই নয়, তারা কোনো বস্তু দেখতে পায় না। দেখতে অবশ্যই পায়, তবে সব বস্তুর একটাই রঙ, কালচে ধূসর।
গরু চোখের রেটিনা ঠিক আমাদের চোখের মতো নয়। আমাদের চোখে বেনিআসহকলার যেমন সবকটি রঙ এসে ধরা দেয়, গরুর চোখে তেমন ঘটে না। আমাদের চোখ যেমন আল্ট্রা ভায়োলেট রে, এক্স-রে, গামা রে, বেতার তরঙ্গ, ইনফ্রারেড তরঙ্গ ধরতে পারে না, তেমনি গরুর চোখ বেনিআসহকলার সাতটি রঙয়ের কোনোটিই ঠিক মতো ধরতে পারে না। তাই বলে গরু সবকিছু কালো বা সাদা দেখে না। তবে কালার ব্লাইন্ডরা কোনো বস্তুকে কেমন দেখে সেটা অনুভব আমাদের জন্য কঠিন। তবে ভাসা ভাসা একটা ধারণা করা যেতে পারে, সেই রঙটা হয়তো কালচে ধূসর। কালার ব্লাইন্ডদের কাছে গোটা দুনিয়াটাই এমন। অনেক দুর্ভাগা মানুষও আছেন, যাঁরা কালার ব্লাইন্ড।

ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর রাষ্ট্রপতি কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন, তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের অগণিত বীর শহিদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার দেয়।
১০ ঘণ্টা আগে
শিশুদের ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলা নিষ্পত্তি করতে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারকে ৪০ কোটি ডলার (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে চার হাজার ৮৮০ কোটি টাকা) দিতে রাজি হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটক। শিশুদের গোপনীয়তা রক্ষার আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে অন্যতম বড় আ
১০ ঘণ্টা আগে
তিন দফা দাবি বাস্তবায়নের পরিবর্তে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কারফিউ শিথিল করে এক ঘণ্টা সময় বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানায় ‘অবরোধবাসিনী’। সংগঠনটির দাবি, নারী শিক্ষার্থীদের নাগরিক ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার পরিবর্তে এ ধরনের সীমিত শিথিলতা সমস্যার সমাধান নয়।
১ দিন আগে
যে শিশুটিকে পরিবার মৃত বলেই ধরে নিয়েছিল, সেই মোহাম্মদ ফরিদ দীর্ঘ ২৫ বছর পর শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে কক্সবাজারের উখিয়ার নিজ বাড়িতে ফিরে এসেছেন। ১০ বছর বয়সে বাবার হাত ধরে বিদেশে যাওয়ার পর মানবপাচারের শিকার হয়ে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলেছিলেন তিনি।
১ দিন আগে