
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে সড়ক, রেল ও নৌপথে মোট ৪৮৮টি দুর্ঘটনায় ৪৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সংগঠনটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা ছিল সড়ক পথে; যেখানে ৪৪৮টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪৪৭ জন এবং আহত হয়েছেন ১ হাজার ১৮১ জন। বিশেষ করে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ও তাতে নিহতের হার মোট দুর্ঘটনার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ছাড়িয়ে গেছে।
বিভাগীয় হিসেবে রাজধানী ঢাকাকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন এবং দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার মতো পুরোনো সমস্যাগুলোই এই মৃত্যুর মিছিলের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংগঠনটি।
সড়ক নিরাপদ করতে সিসিটিভির মাধ্যমে ট্রাফিক আইন প্রয়োগ এবং আধুনিক বাস নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার মতো বেশ কিছু জরুরি সুপারিশও করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
যাত্রী কল্যাণ সমিতির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে দেশে ৪৪৮টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রাণ হারিয়েছেন ৪৪৭ জন এবং ১১৮১ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে রেলপথে ৩৪টি দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মৃত্যু ও ১১ জন আহত হয়েছেন। ৬টি দুর্ঘটনায় চারজনের মৃত্যু ও পাঁচজন আহত হয়েছে নৌ পথে।
ফেব্রুয়ারি মাসে সড়ক দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে মোটরসাইকেলে। এই মাসে ১৫১টি দুর্ঘটনা ঘটে মোটরসাইকেল কেন্দ্রিক। এতে ১৬৭ জন নিহত ও ১৩৭ জন আহত হয়েছেন। যা মোট দুর্ঘটনার ৩৩ দশমিক ৭০ শতাংশ।
বিভাগভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে, যেখানে ১১৩টি দুর্ঘটনায় ১১৫ জন নিহত ও ৩৮৭ জন আহত হয়েছেন। বিপরীতে সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে বরিশাল বিভাগে, সেখানে ২২টি দুর্ঘটনায় ১৯ জন নিহত ও ৮৫ জন আহত হয়েছেন।
সংগঠনটির পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, অনভিজ্ঞ ব্যবস্থাপনা, নীতিগত দুর্বলতা, অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, নিয়ন্ত্রণহীন ব্যাটারিচালিত যান, উল্টো পথে গাড়ি চলাচল, ট্রাফিক আইন অমান্য এবং বিরামহীনভাবে গাড়ি চালানোর মতো কারণগুলো দুর্ঘটনার অন্যতম প্রধান কারণ।
সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে যাত্রী কল্যাণ সমিতি উন্নত বিশ্বের নীতির আলোকে সড়ক ব্যবস্থাপনা সংস্কার, চালকদের প্রশিক্ষণ জোরদার, সিসিটিভির মাধ্যমে ট্রাফিক আইন প্রয়োগ, মহাসড়কে সার্ভিস লেন ও ফুটপাত নির্মাণ, চাঁদাবাজি বন্ধ, ফিটনেসবিহীন যানবাহন অপসারণ এবং আধুনিক বাস নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার সুপারিশ করেছে।

ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে সড়ক, রেল ও নৌপথে মোট ৪৮৮টি দুর্ঘটনায় ৪৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সংগঠনটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা ছিল সড়ক পথে; যেখানে ৪৪৮টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪৪৭ জন এবং আহত হয়েছেন ১ হাজার ১৮১ জন। বিশেষ করে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ও তাতে নিহতের হার মোট দুর্ঘটনার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ছাড়িয়ে গেছে।
বিভাগীয় হিসেবে রাজধানী ঢাকাকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন এবং দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার মতো পুরোনো সমস্যাগুলোই এই মৃত্যুর মিছিলের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংগঠনটি।
সড়ক নিরাপদ করতে সিসিটিভির মাধ্যমে ট্রাফিক আইন প্রয়োগ এবং আধুনিক বাস নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার মতো বেশ কিছু জরুরি সুপারিশও করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
যাত্রী কল্যাণ সমিতির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে দেশে ৪৪৮টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রাণ হারিয়েছেন ৪৪৭ জন এবং ১১৮১ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে রেলপথে ৩৪টি দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মৃত্যু ও ১১ জন আহত হয়েছেন। ৬টি দুর্ঘটনায় চারজনের মৃত্যু ও পাঁচজন আহত হয়েছে নৌ পথে।
ফেব্রুয়ারি মাসে সড়ক দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে মোটরসাইকেলে। এই মাসে ১৫১টি দুর্ঘটনা ঘটে মোটরসাইকেল কেন্দ্রিক। এতে ১৬৭ জন নিহত ও ১৩৭ জন আহত হয়েছেন। যা মোট দুর্ঘটনার ৩৩ দশমিক ৭০ শতাংশ।
বিভাগভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে, যেখানে ১১৩টি দুর্ঘটনায় ১১৫ জন নিহত ও ৩৮৭ জন আহত হয়েছেন। বিপরীতে সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে বরিশাল বিভাগে, সেখানে ২২টি দুর্ঘটনায় ১৯ জন নিহত ও ৮৫ জন আহত হয়েছেন।
সংগঠনটির পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, অনভিজ্ঞ ব্যবস্থাপনা, নীতিগত দুর্বলতা, অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, নিয়ন্ত্রণহীন ব্যাটারিচালিত যান, উল্টো পথে গাড়ি চলাচল, ট্রাফিক আইন অমান্য এবং বিরামহীনভাবে গাড়ি চালানোর মতো কারণগুলো দুর্ঘটনার অন্যতম প্রধান কারণ।
সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে যাত্রী কল্যাণ সমিতি উন্নত বিশ্বের নীতির আলোকে সড়ক ব্যবস্থাপনা সংস্কার, চালকদের প্রশিক্ষণ জোরদার, সিসিটিভির মাধ্যমে ট্রাফিক আইন প্রয়োগ, মহাসড়কে সার্ভিস লেন ও ফুটপাত নির্মাণ, চাঁদাবাজি বন্ধ, ফিটনেসবিহীন যানবাহন অপসারণ এবং আধুনিক বাস নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার সুপারিশ করেছে।

দিবসটি উপলক্ষে সরকারের নির্ধারিত প্রতিপাদ্য—‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’—ব্যাংকিং খাতের প্রতিটি কর্মসূচিতে তুলে ধরতে বলা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
বিমানবন্দরে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও আর্থিক সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি, পাচারের ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে তাদের এই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা সবার সঙ্গে বিনিময় করার আহ্বান জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
৩ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অনলাইনে জামিননামা দাখিলের এই পদ্ধতি চালু হওয়ায় মধ্যস্বত্বভোগীদের হয়রানি কমেছে। একই সঙ্গে অল্প সময়ের মধ্যে আসামির মুক্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, পাটশিল্পকে প্রথমবার জাতীয়করণের পর আবার বিরাষ্ট্রীয়করণ করা হলেও লোকসানের কলঙ্ক থেকে আমরা আর বের হয়ে আসতে পারিনি। অথচ এই পাট শিল্প শুধু বাংলাদেশের ঐতিহ্য না, বহির্বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের একটি প্রতীক হিসেবে পাট শিল্প দাঁড়িয়ে আছে।
৪ ঘণ্টা আগে