
অরুণ কুমার

আগুন ঝরা দুপুরে গনগনে সূর্যালোক থেকে সবটুকু রং শুষে নিয়ে যেন স্বর্ণলতা নিজের গায়ে মাখে। স্বর্ণলতার এই সুবর্ণ রূপকে কাঁচা সোনা ছাড়া আর কার সাথেই তুলনা করবেন?
রসালো স্বর্ণলতিকাগ্রীষ্মের আগুন ঝরা দুপুরে গনগনে সূর্যালোক থেকে সবটুকু রং শুষে নিয়ে যেন স্বর্ণলতা নিজের গায়ে মাখে। স্বর্ণলতার এই সুবর্ণ রূপকে কাঁচা সোনা ছাড়া আর কার সাথেই তুলনা করবেন?া দুপুরে গনগনে সূর্যালোক থেকে সবটুকু রং শুষে নিয়ে যেন স্বর্ণলতা নিজের গায়ে মাখে। স্বর্ণলতার এই সুবর্ণ রূপকে কাঁচা সোনা ছাড়া আর কার সাথেই তুলনা করবেন?
স্বর্ণলতা লতা জাতীয় বহুর্ষজীবি উদ্ভিত। পরজীবি। অন্য উদ্ভিদের গায়েই এর বসবাস। জীবন-ধারণের জন্য নির্ভর করতে হয় অন্য উদ্ভিদের ওপর। বাংলার প্রায় সব এলাকায় এদের দেখা মেলে। সারা বছরই দেখা যায়। তবে গ্রীষ্ম কালে এদের সৌন্দর্যের শতভাগ প্রস্ফুটন ঘটে।
স্বর্ণলতা আর দশটা পরজীবি উদ্ভিদের চেয়ে আলাদা। আলাদা আর দশটা লতার চেয়েও। স্বর্ণলতার পাতা বা ফল হয় না। তবে শাখা প্রশাখা গজায় অবিশ্বাস্য দ্রুততায় অবিশ্বাস্য সংখ্যায়।
বলার অপেক্ষা রাখে না, স্বর্ণলতা রং সোনালি। লতা বা শাখা-প্রশাখা অত্যান্ত নরম ও রসালো। মসৃণ। খুবই চিকন। লতার বেড় ২-৩ মিলিটার হয় মাত্র।
আগেই বলেছি, স্বর্ণলতায় ফল বা পাতা হয় না। তবে ফুল হয়। লতার গায়ে ২-৩ ইঞ্চি দূরে দূরে গিঁট থাকে। সেই গিঁট থেকে স্বর্ণলতার ফুল বের হয়। খুব ছোট ছোট। কলসাকৃতির। ফুলের রং সাদা, কলসের মাঝখানে হলুদ রঙের কিশোর থাকে।
প্রতিটা গিট থেকে একটা করে পুষ্প মঞ্জরি বের হয়। মঞ্জরি বহুপম্পক।
স্বর্ণলতার ফল বা বীজ হয় না তাই এদের বংশবৃদ্ধি ঘটে অঙ্গজ প্রজননের মাধ্যমে। আমার কাছে পাথরকুচি আর লজ্জাবতীর মত স্বর্ণলতাও আশ্চর্য উদ্ভিদ। সেটা এর বংশবিস্তার পদ্ধতির কারণেই। কোনো গাছের মাথা থেকে স্বর্ণলতার একটু অংশ ছিঁড়ে অন্য কোনো গাছের মাথায় ফেলে দিলেই কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সেই গাছের জেঁকে বসে স্বর্ণলতা।
সাধারণত রাখাল আর শিশু- কিশোরদের মাধ্যমেই স্বর্ণলতার বংশ বিস্তার ছড়িয়ে পড়ে দূর দূরান্তে। এক গাছ থেকে স্বর্ণলতা ছিঁড়ে ছড়িয়ে দেয় দূর-দূরান্তের কোনো ঝোপ কিংবা গাছের ওপর। ওরা এটাকে মজার খেলা হিসেবেই নেয়। ঠিক শিকড় বলতে যা বোঝায় স্বর্ণলতার তেমন শিকড়ও থাকে না।
ঠিক শিকড় বলতে যা বোঝায় স্বর্ণলতার তেমন শিকড় থাকে না। তবে এক গাছ থেকে আরেক গাছে ফেলার পর এর গায়ে একধরনের তন্তু গজায়। সেই তন্তুই আঠার মত গেঁথে দেয় আক্রান্ত গাছের গায়ে। স্বর্ণলতা যে গাছের মাথায় নিজের আধিপত্য বিস্তার করে সেই গাছের ওপরই খাদ্যনির্ভর হয়ে বেঁচে থাকে। পোষক গাছ থেকে রস শোষণ করে জীবন ধারণ করে। স্বর্ণলতার খাদ্য জোগাতে গিয়ে ধীরে ধীরে মৃত্যুর পথে এগিয়ে যায় আক্রান্ত গাছ। আশ্রয়দাতাকে তীলে তীলে শেষ করে দেয় বলে এর ইংরেজি নাম Devil's Hair বা শয়তানের চুল। স্বর্ণলতা বা আলোকলতার বৈজ্ঞানিক নাম: Cuscuta Reflexa.

আগুন ঝরা দুপুরে গনগনে সূর্যালোক থেকে সবটুকু রং শুষে নিয়ে যেন স্বর্ণলতা নিজের গায়ে মাখে। স্বর্ণলতার এই সুবর্ণ রূপকে কাঁচা সোনা ছাড়া আর কার সাথেই তুলনা করবেন?
রসালো স্বর্ণলতিকাগ্রীষ্মের আগুন ঝরা দুপুরে গনগনে সূর্যালোক থেকে সবটুকু রং শুষে নিয়ে যেন স্বর্ণলতা নিজের গায়ে মাখে। স্বর্ণলতার এই সুবর্ণ রূপকে কাঁচা সোনা ছাড়া আর কার সাথেই তুলনা করবেন?া দুপুরে গনগনে সূর্যালোক থেকে সবটুকু রং শুষে নিয়ে যেন স্বর্ণলতা নিজের গায়ে মাখে। স্বর্ণলতার এই সুবর্ণ রূপকে কাঁচা সোনা ছাড়া আর কার সাথেই তুলনা করবেন?
স্বর্ণলতা লতা জাতীয় বহুর্ষজীবি উদ্ভিত। পরজীবি। অন্য উদ্ভিদের গায়েই এর বসবাস। জীবন-ধারণের জন্য নির্ভর করতে হয় অন্য উদ্ভিদের ওপর। বাংলার প্রায় সব এলাকায় এদের দেখা মেলে। সারা বছরই দেখা যায়। তবে গ্রীষ্ম কালে এদের সৌন্দর্যের শতভাগ প্রস্ফুটন ঘটে।
স্বর্ণলতা আর দশটা পরজীবি উদ্ভিদের চেয়ে আলাদা। আলাদা আর দশটা লতার চেয়েও। স্বর্ণলতার পাতা বা ফল হয় না। তবে শাখা প্রশাখা গজায় অবিশ্বাস্য দ্রুততায় অবিশ্বাস্য সংখ্যায়।
বলার অপেক্ষা রাখে না, স্বর্ণলতা রং সোনালি। লতা বা শাখা-প্রশাখা অত্যান্ত নরম ও রসালো। মসৃণ। খুবই চিকন। লতার বেড় ২-৩ মিলিটার হয় মাত্র।
আগেই বলেছি, স্বর্ণলতায় ফল বা পাতা হয় না। তবে ফুল হয়। লতার গায়ে ২-৩ ইঞ্চি দূরে দূরে গিঁট থাকে। সেই গিঁট থেকে স্বর্ণলতার ফুল বের হয়। খুব ছোট ছোট। কলসাকৃতির। ফুলের রং সাদা, কলসের মাঝখানে হলুদ রঙের কিশোর থাকে।
প্রতিটা গিট থেকে একটা করে পুষ্প মঞ্জরি বের হয়। মঞ্জরি বহুপম্পক।
স্বর্ণলতার ফল বা বীজ হয় না তাই এদের বংশবৃদ্ধি ঘটে অঙ্গজ প্রজননের মাধ্যমে। আমার কাছে পাথরকুচি আর লজ্জাবতীর মত স্বর্ণলতাও আশ্চর্য উদ্ভিদ। সেটা এর বংশবিস্তার পদ্ধতির কারণেই। কোনো গাছের মাথা থেকে স্বর্ণলতার একটু অংশ ছিঁড়ে অন্য কোনো গাছের মাথায় ফেলে দিলেই কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সেই গাছের জেঁকে বসে স্বর্ণলতা।
সাধারণত রাখাল আর শিশু- কিশোরদের মাধ্যমেই স্বর্ণলতার বংশ বিস্তার ছড়িয়ে পড়ে দূর দূরান্তে। এক গাছ থেকে স্বর্ণলতা ছিঁড়ে ছড়িয়ে দেয় দূর-দূরান্তের কোনো ঝোপ কিংবা গাছের ওপর। ওরা এটাকে মজার খেলা হিসেবেই নেয়। ঠিক শিকড় বলতে যা বোঝায় স্বর্ণলতার তেমন শিকড়ও থাকে না।
ঠিক শিকড় বলতে যা বোঝায় স্বর্ণলতার তেমন শিকড় থাকে না। তবে এক গাছ থেকে আরেক গাছে ফেলার পর এর গায়ে একধরনের তন্তু গজায়। সেই তন্তুই আঠার মত গেঁথে দেয় আক্রান্ত গাছের গায়ে। স্বর্ণলতা যে গাছের মাথায় নিজের আধিপত্য বিস্তার করে সেই গাছের ওপরই খাদ্যনির্ভর হয়ে বেঁচে থাকে। পোষক গাছ থেকে রস শোষণ করে জীবন ধারণ করে। স্বর্ণলতার খাদ্য জোগাতে গিয়ে ধীরে ধীরে মৃত্যুর পথে এগিয়ে যায় আক্রান্ত গাছ। আশ্রয়দাতাকে তীলে তীলে শেষ করে দেয় বলে এর ইংরেজি নাম Devil's Hair বা শয়তানের চুল। স্বর্ণলতা বা আলোকলতার বৈজ্ঞানিক নাম: Cuscuta Reflexa.

ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর রাষ্ট্রপতি কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন, তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের অগণিত বীর শহিদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার দেয়।
১০ ঘণ্টা আগে
শিশুদের ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলা নিষ্পত্তি করতে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারকে ৪০ কোটি ডলার (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে চার হাজার ৮৮০ কোটি টাকা) দিতে রাজি হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটক। শিশুদের গোপনীয়তা রক্ষার আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে অন্যতম বড় আ
১০ ঘণ্টা আগে
তিন দফা দাবি বাস্তবায়নের পরিবর্তে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কারফিউ শিথিল করে এক ঘণ্টা সময় বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানায় ‘অবরোধবাসিনী’। সংগঠনটির দাবি, নারী শিক্ষার্থীদের নাগরিক ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার পরিবর্তে এ ধরনের সীমিত শিথিলতা সমস্যার সমাধান নয়।
১ দিন আগে
যে শিশুটিকে পরিবার মৃত বলেই ধরে নিয়েছিল, সেই মোহাম্মদ ফরিদ দীর্ঘ ২৫ বছর পর শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে কক্সবাজারের উখিয়ার নিজ বাড়িতে ফিরে এসেছেন। ১০ বছর বয়সে বাবার হাত ধরে বিদেশে যাওয়ার পর মানবপাচারের শিকার হয়ে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলেছিলেন তিনি।
১ দিন আগে