
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আমরা প্রতিদিন নানা কাজে মোবাইল ফোন ব্যবহার করি। ইন্টারনেট ব্রাউজ করি, বিভিন্ন অ্যাপ চালাই, ছবি-ভিডিও দেখি কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় কাটাই। এত ব্যবহার করতে গিয়ে ফোনে অনেক ধরনের অস্থায়ী ফাইল জমে যায়, যেগুলোকে বলা হয় ক্যাশ মেমোরি। এই ক্যাশ মূলত এক ধরনের অস্থায়ী ডেটা, যা অ্যাপ বা ওয়েবসাইট দ্রুত খুলতে সাহায্য করে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আপনি যখন ইউটিউব বা ফেসবুক খুলেন, তখন এর লোগো, ছবি বা কিছু ডেটা ফোনে আগেই জমা থাকে। তাই পরের বার খুললে সেটা দ্রুত লোড হয়। কিন্তু সমস্যা হলো, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই ক্যাশ জমতে জমতে ফোনকে ধীর করে ফেলে।
ফোন ধীর হয়ে গেলে আমরা অনেক সময় ভাবি ফোন হয়তো পুরনো হয়ে গেছে। আসলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সমস্যা হয় জমে থাকা ক্যাশ ফাইলের জন্য। এগুলো মুছে ফেললে ফোন আবার অনেকটা দ্রুত হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, এতে ফোনের স্টোরেজও কিছুটা খালি হয়, ফলে নতুন অ্যাপ বা ছবি রাখার জায়গা পাওয়া যায়।
এখন প্রশ্ন হলো, কীভাবে মোবাইলের ক্যাশ ডিলিট করবেন? খুব সহজ কিছু ধাপ আছে। প্রথমে ফোনের সেটিংস-এ যান। সেখানে গিয়ে অ্যাপ ম্যানেজমেন্ট বা অ্যাপস নামে যে অপশন আছে সেটা খুলুন। এখানে আপনি ফোনে ইনস্টল করা সব অ্যাপ দেখতে পাবেন। যেকোনো একটি অ্যাপ নির্বাচন করে স্টোরেজ-এ ক্লিক করলে দেখা যাবে ক্যাশ ডেটা বা ক্লিয়ার ক্যাশ অপশন। সেখানে চাপ দিলেই সেই অ্যাপের ক্যাশ মুছে যাবে। অনেক ফোনে আবার আলাদা স্টোরেজ সেটিংস-এ গিয়ে ক্যাশড ডেটা একসাথে মুছে ফেলা যায়। তবে খেয়াল রাখতে হবে, ক্যাশ মুছে ফেললে কোনো ব্যক্তিগত ডেটা বা ছবি মুছে যায় না। শুধু অ্যাপটি প্রথমবার খুলতে সামান্য সময় বেশি লাগতে পারে, কারণ সেটিকে আবার নতুন করে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে হয়।
এখন অনেকেই ভাবতে পারেন, ক্যাশ কি নিয়মিত মুছে ফেলা দরকার? বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রতিদিন মুছে ফেলার দরকার নেই। কিন্তু যখন ফোন অকারণে ধীর হয়ে যায়, তখন ক্যাশ মুছে ফেলা কার্যকর সমাধান হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স গবেষক ড. কেটি মরিসন এই বিষয়ে বলেছেন—“ক্যাশ মেমোরি আসলে ফোনকে দ্রুত করতে সাহায্য করে। কিন্তু অতিরিক্ত জমে গেলে তা উল্টো প্রভাব ফেলে। তাই ব্যবহারকারীদের উচিত কয়েক সপ্তাহ পরপর এটি পরিষ্কার করা।”
আবার কানাডার ইউনিভার্সিটি অব টরন্টোর টেক বিশেষজ্ঞ প্রফেসর মাইকেল হেন্ডারসন বলেন—“ক্যাশ মুছে ফেললে ফোনের কর্মক্ষমতা বাড়ে, ব্যাটারিও কম খরচ হয়। কারণ অপ্রয়োজনীয় ডেটা থাকলে ফোনের প্রসেসরকে সেটি বারবার সামলাতে হয়, যা শক্তি খরচ বাড়ায়।”
বাংলাদেশের অনেক ব্যবহারকারী মনে করেন, ক্যাশ মুছে ফেললে হয়তো অ্যাপ নষ্ট হয়ে যাবে বা ডেটা হারিয়ে যাবে। কিন্তু আসলে এমন কিছু ঘটে না। বরং এটা করা উচিত ফোনকে হালকা ও দ্রুত রাখতে।
তবে একটি বিষয় মাথায় রাখা দরকার—বারবার ক্যাশ মুছে ফেলা খুব বেশি দরকার নেই। কারণ ক্যাশের মূল কাজই হলো অ্যাপকে দ্রুত লোড করা। তাই সেটি কিছুদিন জমে থাকলে ক্ষতি নেই। কিন্তু কয়েক সপ্তাহ বা মাস পরে যদি ফোন ধীর হয়ে যায়, তখন একবার ক্যাশ ক্লিয়ার করলে ফোন আবার নতুনের মতো সচল হয়ে ওঠে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, মোবাইল ফোনের ক্যাশ মেমোরি ডিলিট করা খুব জটিল কাজ নয়। নিয়মিত না হলেও, অন্তত সময় সময় এটি করলে ফোন থাকবে দ্রুত, স্টোরেজ থাকবে ফাঁকা আর ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা হবে অনেক মসৃণ। আজকাল স্মার্টফোন আমাদের জীবনের সঙ্গী। তাই সেটিকে যত্ন নেওয়ার দায়িত্বও আমাদের। আর সেই যত্নের সহজ উপায়গুলির একটি হলো ক্যাশ মেমোরি ডিলিট করা।
সূত্র: পপুলার মেকানিকস

আমরা প্রতিদিন নানা কাজে মোবাইল ফোন ব্যবহার করি। ইন্টারনেট ব্রাউজ করি, বিভিন্ন অ্যাপ চালাই, ছবি-ভিডিও দেখি কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় কাটাই। এত ব্যবহার করতে গিয়ে ফোনে অনেক ধরনের অস্থায়ী ফাইল জমে যায়, যেগুলোকে বলা হয় ক্যাশ মেমোরি। এই ক্যাশ মূলত এক ধরনের অস্থায়ী ডেটা, যা অ্যাপ বা ওয়েবসাইট দ্রুত খুলতে সাহায্য করে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আপনি যখন ইউটিউব বা ফেসবুক খুলেন, তখন এর লোগো, ছবি বা কিছু ডেটা ফোনে আগেই জমা থাকে। তাই পরের বার খুললে সেটা দ্রুত লোড হয়। কিন্তু সমস্যা হলো, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই ক্যাশ জমতে জমতে ফোনকে ধীর করে ফেলে।
ফোন ধীর হয়ে গেলে আমরা অনেক সময় ভাবি ফোন হয়তো পুরনো হয়ে গেছে। আসলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সমস্যা হয় জমে থাকা ক্যাশ ফাইলের জন্য। এগুলো মুছে ফেললে ফোন আবার অনেকটা দ্রুত হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, এতে ফোনের স্টোরেজও কিছুটা খালি হয়, ফলে নতুন অ্যাপ বা ছবি রাখার জায়গা পাওয়া যায়।
এখন প্রশ্ন হলো, কীভাবে মোবাইলের ক্যাশ ডিলিট করবেন? খুব সহজ কিছু ধাপ আছে। প্রথমে ফোনের সেটিংস-এ যান। সেখানে গিয়ে অ্যাপ ম্যানেজমেন্ট বা অ্যাপস নামে যে অপশন আছে সেটা খুলুন। এখানে আপনি ফোনে ইনস্টল করা সব অ্যাপ দেখতে পাবেন। যেকোনো একটি অ্যাপ নির্বাচন করে স্টোরেজ-এ ক্লিক করলে দেখা যাবে ক্যাশ ডেটা বা ক্লিয়ার ক্যাশ অপশন। সেখানে চাপ দিলেই সেই অ্যাপের ক্যাশ মুছে যাবে। অনেক ফোনে আবার আলাদা স্টোরেজ সেটিংস-এ গিয়ে ক্যাশড ডেটা একসাথে মুছে ফেলা যায়। তবে খেয়াল রাখতে হবে, ক্যাশ মুছে ফেললে কোনো ব্যক্তিগত ডেটা বা ছবি মুছে যায় না। শুধু অ্যাপটি প্রথমবার খুলতে সামান্য সময় বেশি লাগতে পারে, কারণ সেটিকে আবার নতুন করে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে হয়।
এখন অনেকেই ভাবতে পারেন, ক্যাশ কি নিয়মিত মুছে ফেলা দরকার? বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রতিদিন মুছে ফেলার দরকার নেই। কিন্তু যখন ফোন অকারণে ধীর হয়ে যায়, তখন ক্যাশ মুছে ফেলা কার্যকর সমাধান হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স গবেষক ড. কেটি মরিসন এই বিষয়ে বলেছেন—“ক্যাশ মেমোরি আসলে ফোনকে দ্রুত করতে সাহায্য করে। কিন্তু অতিরিক্ত জমে গেলে তা উল্টো প্রভাব ফেলে। তাই ব্যবহারকারীদের উচিত কয়েক সপ্তাহ পরপর এটি পরিষ্কার করা।”
আবার কানাডার ইউনিভার্সিটি অব টরন্টোর টেক বিশেষজ্ঞ প্রফেসর মাইকেল হেন্ডারসন বলেন—“ক্যাশ মুছে ফেললে ফোনের কর্মক্ষমতা বাড়ে, ব্যাটারিও কম খরচ হয়। কারণ অপ্রয়োজনীয় ডেটা থাকলে ফোনের প্রসেসরকে সেটি বারবার সামলাতে হয়, যা শক্তি খরচ বাড়ায়।”
বাংলাদেশের অনেক ব্যবহারকারী মনে করেন, ক্যাশ মুছে ফেললে হয়তো অ্যাপ নষ্ট হয়ে যাবে বা ডেটা হারিয়ে যাবে। কিন্তু আসলে এমন কিছু ঘটে না। বরং এটা করা উচিত ফোনকে হালকা ও দ্রুত রাখতে।
তবে একটি বিষয় মাথায় রাখা দরকার—বারবার ক্যাশ মুছে ফেলা খুব বেশি দরকার নেই। কারণ ক্যাশের মূল কাজই হলো অ্যাপকে দ্রুত লোড করা। তাই সেটি কিছুদিন জমে থাকলে ক্ষতি নেই। কিন্তু কয়েক সপ্তাহ বা মাস পরে যদি ফোন ধীর হয়ে যায়, তখন একবার ক্যাশ ক্লিয়ার করলে ফোন আবার নতুনের মতো সচল হয়ে ওঠে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, মোবাইল ফোনের ক্যাশ মেমোরি ডিলিট করা খুব জটিল কাজ নয়। নিয়মিত না হলেও, অন্তত সময় সময় এটি করলে ফোন থাকবে দ্রুত, স্টোরেজ থাকবে ফাঁকা আর ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা হবে অনেক মসৃণ। আজকাল স্মার্টফোন আমাদের জীবনের সঙ্গী। তাই সেটিকে যত্ন নেওয়ার দায়িত্বও আমাদের। আর সেই যত্নের সহজ উপায়গুলির একটি হলো ক্যাশ মেমোরি ডিলিট করা।
সূত্র: পপুলার মেকানিকস

ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু অভিযোগ করে বলেছেন, বিগত আওয়ামী শাসনামলে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতনে জড়িত ‘হেলমেট বাহিনী’ এখন ‘গুপ্ত বাহিনী’ হিসেবে সক্রিয় হয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীতে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির বলেছেন, জুলাই বিপ্লবে পুলিশ সদস্য হত্যাসহ সকল হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ শহিদ জিয়ার লেখা ‘একটি জাতির মুক্তি’ প্রবন্ধটি প্রকাশিত হয়। সেসময় মুক্তিযুদ্ধ মাত্র শেষ হয়েছে। তখন একজন মুক্তিযোদ্ধাও এ বইয়ের কোনো বিষয় নিয়ে বিরোধিতা করেন নাই। এতেই প্রমাণ হয় শহীদ জিয়া দেশের মুক্তিযুদ্ধের অনবদ্য চরিত্র।
১৬ ঘণ্টা আগে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে জানে ও শুনে এসেছে যে স্বাধীনতার ঘোষণা কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে প্রচারিত হয়। ২৭ মার্চ তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান প্রভিশনাল হেড অব দ্য স্টেট হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।
১৬ ঘণ্টা আগে