
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্বব্যাপী খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ‘শুভ বড়দিন’ আজ। দুই হাজার বছর আগের এই সময়ে খ্রিষ্টান ধর্মের প্রবর্তক যিশু খ্রিষ্ট বেথলেহেমে জন্মগ্রহণ করেন। সৃষ্টিকর্তার মহিমা প্রচারের মাধ্যমে মানবজাতিকে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করতেই তিনি পৃথিবীতে এসেছিলেন বলে বিশ্বাস করেন তার অনুসারীরা।
যিশু খ্রিষ্টের কাছে ব্যক্তির স্থান ছিল অনেক ঊর্ধ্বে, কারণ মানুষ ঈশ্বরের প্রতিমূর্তিতে সৃষ্ট। তাই তিনি ধর্মের ঊর্ধ্বে মানুষকে স্থান দিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, ধর্ম মানুষের জন্য, মানুষের কল্যাণ ও মঙ্গলের জন্য— ধর্মের জন্য মানুষ নয়।
যিশু খ্রিষ্টের জন্ম ঠিক কবে, খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের ধর্মগ্রন্থ বাইবেলে তা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা নেই। বলা হয়েছে, তার জন্ম অলৌকিকভাবে। বেথেলহেমের গোশালায় মানুষ রূপে তার জন্ম পৃথিবীর সব পাপ থেকে মানুষকে মুক্তি দিতে, মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ককে আরও সুসংহত করতে।
তার জন্মক্ষণ স্মরণ করতেই ২৫ ডিসেম্বর দিনটিকে সারা বিশ্বে তার অনুসারীরা বড়দিন হিসেবে পালন করে থাকেন। তার স্মরণে গির্জা গির্জায় প্রার্থনার আহ্বান জানিয়ে বাজানো হয় ঘণ্টাধ্বনি, যা মানুষের কাছে শুভ সংবাদের বার্তা বয়ে নিয়ে যায় বলে বিশ্বাস করেন খ্রিষ্টান ধর্মের অনুসারীরা।
সব দেশের মতো বাংলাদেশেও খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, প্রার্থনা, আচার-অনুষ্ঠান ও আনন্দ-উৎসবের মধ্য দিয়ে ‘শুভ বড়দিন’ উদ্যাপন করে থাকেন। এ বছরও ব্যতিক্রম নয়। এরই মধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের সব গির্জাকে সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। তারকা হোটেলগুলোও সেজে ক্রিমসাসের রঙ আর আলোতে।
আগের দিন বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় প্রার্থনার মধ্য দিয়েই বড় দিনের আয়োজন শুরু হয়েছে। এরপর বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বড়দিনের সকালে ৭টায় প্রথম প্রার্থনা হবে তেজগাঁও জপমালা রানির গির্জায়। এরপর একে একে দেশের সব গির্জাতেই হবে প্রার্থনা।
বড়দিনে খ্রিষ্টান পরিবারগুলোতে বিশেষ কেক তৈরি করা হয়ে থাকে, আয়োজন করা হয় বিশেষ খাবারের। খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে আয়োজন করা হয়ে থাকে কীর্তনসহ ধর্মীয় গানের অনুষ্ঠান। বড়দিনের ছুটিতে অনেকেই কর্মস্থল থেকে ফিরে যান গ্রামের বাড়িতে, স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে উদ্যাপন করেন বিশেষ এই দিনটি।
ঢাকার কাকরাইলের সেন্ট মেরি’স ক্যাথেড্রাল চার্চের আর্চবিশপ বিজয় এন ডি’ক্রুজ বড়দিন উপলক্ষ্যে বলেন, যিশু শ্রোতাদের মন পরিবর্তনের আহ্বান জানান— পাপ, অসত্য ও অন্যায় থেকে ফিরে এসে সত্য, সুন্দর ও ভালো কাজে মনোনিবেশ করতে বলেন। তিনি শিক্ষা দেন, আমরা যেন পাপকে ঘৃণা করি, পাপীকে নয়। তিনি অবহেলিত, নির্যাতিত, নিপীড়িত ও অল্পপদের মানুষের পক্ষে দাঁড়ান। তিনি বলতেন, অসুস্থদেরই চিকিৎসক প্রয়োজন, সুস্থদের নয়।
বড়দিন উপলক্ষ্যে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। বাণীতে তারা খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের বড়দিনের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি সবার কল্যাণ কামনা করেন।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এখানে সব ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম ও আচার-অনুষ্ঠান পালন করে আসছে। আজকের এই শুভ দিনে বিদ্যমান এই সাম্প্রদায়িক সৌহার্দকে আরও সুদৃঢ় করে সবাইকে আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার অগ্রযাত্রায় শামিল হওয়ার জন্য আমি আহ্বান জানাই।
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনুস বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবার জন্য একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে কাজ করে যাচ্ছে। নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে দেশপ্রেম ও মানবতার মহান আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী সবাইকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

বিশ্বব্যাপী খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ‘শুভ বড়দিন’ আজ। দুই হাজার বছর আগের এই সময়ে খ্রিষ্টান ধর্মের প্রবর্তক যিশু খ্রিষ্ট বেথলেহেমে জন্মগ্রহণ করেন। সৃষ্টিকর্তার মহিমা প্রচারের মাধ্যমে মানবজাতিকে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করতেই তিনি পৃথিবীতে এসেছিলেন বলে বিশ্বাস করেন তার অনুসারীরা।
যিশু খ্রিষ্টের কাছে ব্যক্তির স্থান ছিল অনেক ঊর্ধ্বে, কারণ মানুষ ঈশ্বরের প্রতিমূর্তিতে সৃষ্ট। তাই তিনি ধর্মের ঊর্ধ্বে মানুষকে স্থান দিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, ধর্ম মানুষের জন্য, মানুষের কল্যাণ ও মঙ্গলের জন্য— ধর্মের জন্য মানুষ নয়।
যিশু খ্রিষ্টের জন্ম ঠিক কবে, খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের ধর্মগ্রন্থ বাইবেলে তা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা নেই। বলা হয়েছে, তার জন্ম অলৌকিকভাবে। বেথেলহেমের গোশালায় মানুষ রূপে তার জন্ম পৃথিবীর সব পাপ থেকে মানুষকে মুক্তি দিতে, মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ককে আরও সুসংহত করতে।
তার জন্মক্ষণ স্মরণ করতেই ২৫ ডিসেম্বর দিনটিকে সারা বিশ্বে তার অনুসারীরা বড়দিন হিসেবে পালন করে থাকেন। তার স্মরণে গির্জা গির্জায় প্রার্থনার আহ্বান জানিয়ে বাজানো হয় ঘণ্টাধ্বনি, যা মানুষের কাছে শুভ সংবাদের বার্তা বয়ে নিয়ে যায় বলে বিশ্বাস করেন খ্রিষ্টান ধর্মের অনুসারীরা।
সব দেশের মতো বাংলাদেশেও খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, প্রার্থনা, আচার-অনুষ্ঠান ও আনন্দ-উৎসবের মধ্য দিয়ে ‘শুভ বড়দিন’ উদ্যাপন করে থাকেন। এ বছরও ব্যতিক্রম নয়। এরই মধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের সব গির্জাকে সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। তারকা হোটেলগুলোও সেজে ক্রিমসাসের রঙ আর আলোতে।
আগের দিন বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় প্রার্থনার মধ্য দিয়েই বড় দিনের আয়োজন শুরু হয়েছে। এরপর বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বড়দিনের সকালে ৭টায় প্রথম প্রার্থনা হবে তেজগাঁও জপমালা রানির গির্জায়। এরপর একে একে দেশের সব গির্জাতেই হবে প্রার্থনা।
বড়দিনে খ্রিষ্টান পরিবারগুলোতে বিশেষ কেক তৈরি করা হয়ে থাকে, আয়োজন করা হয় বিশেষ খাবারের। খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে আয়োজন করা হয়ে থাকে কীর্তনসহ ধর্মীয় গানের অনুষ্ঠান। বড়দিনের ছুটিতে অনেকেই কর্মস্থল থেকে ফিরে যান গ্রামের বাড়িতে, স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে উদ্যাপন করেন বিশেষ এই দিনটি।
ঢাকার কাকরাইলের সেন্ট মেরি’স ক্যাথেড্রাল চার্চের আর্চবিশপ বিজয় এন ডি’ক্রুজ বড়দিন উপলক্ষ্যে বলেন, যিশু শ্রোতাদের মন পরিবর্তনের আহ্বান জানান— পাপ, অসত্য ও অন্যায় থেকে ফিরে এসে সত্য, সুন্দর ও ভালো কাজে মনোনিবেশ করতে বলেন। তিনি শিক্ষা দেন, আমরা যেন পাপকে ঘৃণা করি, পাপীকে নয়। তিনি অবহেলিত, নির্যাতিত, নিপীড়িত ও অল্পপদের মানুষের পক্ষে দাঁড়ান। তিনি বলতেন, অসুস্থদেরই চিকিৎসক প্রয়োজন, সুস্থদের নয়।
বড়দিন উপলক্ষ্যে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। বাণীতে তারা খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের বড়দিনের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি সবার কল্যাণ কামনা করেন।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এখানে সব ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম ও আচার-অনুষ্ঠান পালন করে আসছে। আজকের এই শুভ দিনে বিদ্যমান এই সাম্প্রদায়িক সৌহার্দকে আরও সুদৃঢ় করে সবাইকে আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার অগ্রযাত্রায় শামিল হওয়ার জন্য আমি আহ্বান জানাই।
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনুস বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবার জন্য একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে কাজ করে যাচ্ছে। নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে দেশপ্রেম ও মানবতার মহান আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী সবাইকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বাস চলাচল করছে এবং নির্ধারিত ভাড়াই নেওয়া হচ্ছে। গণপরিবহনের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে, যাতে কোনোভাবেই অতিরিক্ত ভাড়ার চাপ যাত্রীদের ওপর না পড়ে।
৬ ঘণ্টা আগে
বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুসারে দেশে বন্ধ থাকা পাটকলগুলো পুনরায় চালু করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সোনালি আঁশ পাট এবং এটা আমাদের জীবনের সঙ্গে মিশে আছে, যার মাধ্যমে একসময় বাংলাদেশ পরিচিত ছিল। কিন্তু বর্তমানে এটা অনেকটা পিছিয়ে গেছে।’
৬ ঘণ্টা আগে
পশ্চিমবঙ্গের গণমাধ্যম এই সময়ের খবরে বলা হয়, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার ভোরে নদিয়ার শান্তিপুর বাইপাস সংলগ্ন এলাকা থেকে ফিলিপ সাংমাকে গ্রেপ্তার করে এসটিএফ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, গ্রেপ্তার ফিলিপ সাংমা টাকার বিনিময়ে সীমান্ত পারাপার করানোর কাজ করেন দীর্ঘদিন ধরেই। ওসমান হাদির খুনের পরে বাং
৬ ঘণ্টা আগে
বরিশাল, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, রংপুর ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
৮ ঘণ্টা আগে