
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতাদের প্রতিনিধিদল।
আজ রোববার রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এ শুভেচ্ছা বিনিময় সভায় বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতারা প্রবারণা পূর্ণিমার মাহাত্ম্য তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তাঁরা প্রধান উপদেষ্টাকে বিভিন্ন বিহার পরিদর্শনের আমন্ত্রণও জানান।
বৈঠকে রাজধানীর উত্তরায় বৌদ্ধদের জন্য শেষকৃত্য সম্পাদনের স্থান বরাদ্দ করে দেওয়ায় প্রধান উপদেষ্টার প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বৌদ্ধ নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বিষয়টি জানানো হলে মাত্র ১০ দিনের মধ্যে শ্মশানের জন্য জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে—এটি এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। এর আগে ঢাকায় কোনো বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সদস্য মারা গেলে শেষকৃত্যের জন্য দূর চট্টগ্রাম পর্যন্ত যেতে হতো। এখন রাজধানীতেই শেষকৃত্য সম্পাদনের সুযোগ তৈরি হলো।”
এ সময় বৌদ্ধ নেতৃবৃন্দ এ বছর কঠিন চীবর দান উদযাপনের প্রস্তুতি সম্পর্কেও প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন। তাঁরা ধর্ম মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সার্বক্ষণিক সহযোগিতার জন্য বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
পাশাপাশি, তীর্থযাত্রার জন্য সরকারি সহায়তা, বৌদ্ধ পণ্ডিত ও ধর্মগুরু অতীশ দীপঙ্করের নামে একটি সরকারি জ্ঞানচর্চা কেন্দ্র স্থাপন এবং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের উন্নয়নসংক্রান্ত অন্যান্য দাবির বিষয়েও প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন প্রতিনিধিদল।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারের অধ্যক্ষ বুদ্ধপ্রিয় মহাথের, বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ভিক্ষু সুনন্দপ্রিয়, পার্বত্য ভিক্ষু সংঘের ভিক্ষু কল্যাণ জ্যোতি, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান ভবেশ চাকমা, বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির ঢাকা অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক স্বপন বড়ুয়া চৌধুরী, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব জয় দত্ত বড়ুয়া।
এ ছাড়া বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. সুকোমল বড়ুয়া, মং হলা চিং, সুশীল চন্দ্র বড়ুয়া, অধ্যাপক ববি বড়ুয়া, রুবেল বড়ুয়া এবং রাজীব কান্তি বড়ুয়া।
পাশাপাশি ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতাদের প্রতিনিধিদল।
আজ রোববার রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এ শুভেচ্ছা বিনিময় সভায় বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতারা প্রবারণা পূর্ণিমার মাহাত্ম্য তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তাঁরা প্রধান উপদেষ্টাকে বিভিন্ন বিহার পরিদর্শনের আমন্ত্রণও জানান।
বৈঠকে রাজধানীর উত্তরায় বৌদ্ধদের জন্য শেষকৃত্য সম্পাদনের স্থান বরাদ্দ করে দেওয়ায় প্রধান উপদেষ্টার প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বৌদ্ধ নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বিষয়টি জানানো হলে মাত্র ১০ দিনের মধ্যে শ্মশানের জন্য জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে—এটি এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। এর আগে ঢাকায় কোনো বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সদস্য মারা গেলে শেষকৃত্যের জন্য দূর চট্টগ্রাম পর্যন্ত যেতে হতো। এখন রাজধানীতেই শেষকৃত্য সম্পাদনের সুযোগ তৈরি হলো।”
এ সময় বৌদ্ধ নেতৃবৃন্দ এ বছর কঠিন চীবর দান উদযাপনের প্রস্তুতি সম্পর্কেও প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন। তাঁরা ধর্ম মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সার্বক্ষণিক সহযোগিতার জন্য বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
পাশাপাশি, তীর্থযাত্রার জন্য সরকারি সহায়তা, বৌদ্ধ পণ্ডিত ও ধর্মগুরু অতীশ দীপঙ্করের নামে একটি সরকারি জ্ঞানচর্চা কেন্দ্র স্থাপন এবং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের উন্নয়নসংক্রান্ত অন্যান্য দাবির বিষয়েও প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন প্রতিনিধিদল।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারের অধ্যক্ষ বুদ্ধপ্রিয় মহাথের, বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ভিক্ষু সুনন্দপ্রিয়, পার্বত্য ভিক্ষু সংঘের ভিক্ষু কল্যাণ জ্যোতি, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান ভবেশ চাকমা, বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির ঢাকা অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক স্বপন বড়ুয়া চৌধুরী, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব জয় দত্ত বড়ুয়া।
এ ছাড়া বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. সুকোমল বড়ুয়া, মং হলা চিং, সুশীল চন্দ্র বড়ুয়া, অধ্যাপক ববি বড়ুয়া, রুবেল বড়ুয়া এবং রাজীব কান্তি বড়ুয়া।
পাশাপাশি ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

অধিবেশনের শুরুতেই উত্থাপিত শোক প্রস্তাবে উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এবং সাবেক মন্ত্রী মোশাররফ হোসেনের অবদানের কথা স্মরণ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মামলাটির দ্রুত নিষ্পত্তিকে বিচার বিভাগের জন্য একটি ‘মাইলফলক’ বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দু
১ ঘণ্টা আগে
রায় ঘোষণার সময় বিচারক পর্যবেক্ষণে বলেন, ‘একটি নিষ্পাপ শিশুর জীবন নির্মমভাবে নিভিয়ে দেওয়ার অধিকার কারও নেই।’ট্রাইব্যুনাল বলেন, শিশুদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা একটি সভ্য ও মানবিক রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন বিচারক।
২ ঘণ্টা আগে
ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে আপাতত সন্তোষ প্রকাশ করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তার আশা, উচ্চ আদালতে গেলেও এই রায় বহাল থাকবে।
৩ ঘণ্টা আগে