
রাজশাহী ব্যুরো

কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান বলেছেন, “আমরা বাইরের বিশেষজ্ঞদের উপর নির্ভর করতে চাই না, বরং আমাদের অঞ্চলের কৃষি গবেষক ও কর্মকর্তাদের উপর নির্ভর করতে চাই। তারা সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন, কোন অঞ্চলে কী ধরনের ফসল উৎপাদন সম্ভব।”
শনিবার সকালে রাজশাহী পিটিআই মিলনায়তনে কৃষি মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘ট্রান্সফর্মিং বাংলাদেশ এগ্রিকালচার: আউটলুক-২০৫০’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
কৃষি সচিব বলেন, “কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের জানিয়ে দেবেন, কোন অঞ্চলে কীভাবে ও কী ধরনের ফসল উৎপাদন করা যাবে। যদি সারা দেশে আলুর উৎপাদন বেশি হয়, তবে কৃষকরা লাভবান হবে না। সেক্ষেত্রে পেঁয়াজের উৎপাদন বৃদ্ধি করলে কৃষকরা লাভবান হতে পারে—এটি তাদের বুঝিয়ে বলতে হবে। আর পেঁয়াজ চাষে আগ্রহী কৃষকদের জন্য প্রণোদনা দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।”
তিনি আরও জানান, কৃষি মন্ত্রণালয় ২৫ বছরের একটি লক্ষ্যমাত্রা তৈরি করতে যাচ্ছে। “আমরা অধিদপ্তরগুলোর সঙ্গে বসে, অংশীজনদের মতামত ও সুপারিশ গ্রহণ করে চূড়ান্ত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করব এবং সেই লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী এগিয়ে যাব।”
নতুন সরকারের সময়ে অনেক প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে দেশের অনেক ক্ষতি হয়েছে জানিয়ে কৃষি সচিব বলেন, “আমাদের এমন সিদ্ধান্ত নিতে হবে যা দীর্ঘমেয়াদি হবে। পরবর্তী সরকারের পরিবর্তনে সে সিদ্ধান্ত যেন বাধাগ্রস্ত না হয়।” তিনি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের দিকে গুরুত্ব দিতে আহ্বান জানান।
কৃষি সচিব বলেন, “আমরা দেশের মানুষের এবং জীবজন্তুর নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করতে চাই। এজন্য যখন যে আধুনিক প্রযুক্তি আসবে, আমরা তা ব্যবহারে এগিয়ে যাব। কৃষি বিষয়ক অনেক অ্যাপ ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে, আমরা সেগুলো সমন্বিত করে একটি নতুন অ্যাপ তৈরি করতে চাই। এই অ্যাপটির নাম হবে ‘খামারি অ্যাপ’, যার মাধ্যমে প্রায় ৯০টি সেবা প্রদান করা যাবে।”
এসময় তিনি কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের দেশ ও কৃষির স্বার্থে নির্ভয়ে নিজেদের মতামত পেশ করতে অনুরোধ জানান।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার আজিম আহমেদ এবং জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার। কর্মশালায় রাজশাহী ও বগুড়া অঞ্চলের বিভিন্ন কৃষি দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান বলেছেন, “আমরা বাইরের বিশেষজ্ঞদের উপর নির্ভর করতে চাই না, বরং আমাদের অঞ্চলের কৃষি গবেষক ও কর্মকর্তাদের উপর নির্ভর করতে চাই। তারা সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন, কোন অঞ্চলে কী ধরনের ফসল উৎপাদন সম্ভব।”
শনিবার সকালে রাজশাহী পিটিআই মিলনায়তনে কৃষি মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘ট্রান্সফর্মিং বাংলাদেশ এগ্রিকালচার: আউটলুক-২০৫০’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
কৃষি সচিব বলেন, “কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের জানিয়ে দেবেন, কোন অঞ্চলে কীভাবে ও কী ধরনের ফসল উৎপাদন করা যাবে। যদি সারা দেশে আলুর উৎপাদন বেশি হয়, তবে কৃষকরা লাভবান হবে না। সেক্ষেত্রে পেঁয়াজের উৎপাদন বৃদ্ধি করলে কৃষকরা লাভবান হতে পারে—এটি তাদের বুঝিয়ে বলতে হবে। আর পেঁয়াজ চাষে আগ্রহী কৃষকদের জন্য প্রণোদনা দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।”
তিনি আরও জানান, কৃষি মন্ত্রণালয় ২৫ বছরের একটি লক্ষ্যমাত্রা তৈরি করতে যাচ্ছে। “আমরা অধিদপ্তরগুলোর সঙ্গে বসে, অংশীজনদের মতামত ও সুপারিশ গ্রহণ করে চূড়ান্ত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করব এবং সেই লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী এগিয়ে যাব।”
নতুন সরকারের সময়ে অনেক প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে দেশের অনেক ক্ষতি হয়েছে জানিয়ে কৃষি সচিব বলেন, “আমাদের এমন সিদ্ধান্ত নিতে হবে যা দীর্ঘমেয়াদি হবে। পরবর্তী সরকারের পরিবর্তনে সে সিদ্ধান্ত যেন বাধাগ্রস্ত না হয়।” তিনি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের দিকে গুরুত্ব দিতে আহ্বান জানান।
কৃষি সচিব বলেন, “আমরা দেশের মানুষের এবং জীবজন্তুর নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করতে চাই। এজন্য যখন যে আধুনিক প্রযুক্তি আসবে, আমরা তা ব্যবহারে এগিয়ে যাব। কৃষি বিষয়ক অনেক অ্যাপ ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে, আমরা সেগুলো সমন্বিত করে একটি নতুন অ্যাপ তৈরি করতে চাই। এই অ্যাপটির নাম হবে ‘খামারি অ্যাপ’, যার মাধ্যমে প্রায় ৯০টি সেবা প্রদান করা যাবে।”
এসময় তিনি কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের দেশ ও কৃষির স্বার্থে নির্ভয়ে নিজেদের মতামত পেশ করতে অনুরোধ জানান।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার আজিম আহমেদ এবং জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার। কর্মশালায় রাজশাহী ও বগুড়া অঞ্চলের বিভিন্ন কৃষি দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের আইন এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন করেছে অন্তবর্তী সরকার। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
১৩ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন পরিচালনার মূল দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের এবং এ দায়িত্বে কমিশন নিরপেক্ষ না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না বলে সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন এর সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে সরকারকে শতভাগ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স কাজী আসিফ আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. জসিম উদ্দিন এবং ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পর
২০ ঘণ্টা আগে
তদন্ত চলছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
২০ ঘণ্টা আগে