
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, মন খুলে গান গাওয়া যায়, পরীক্ষার খাতায় নম্বর দেওয়া যায় না। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষ্যে সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।
এসএসসির ফলাফল খারাপ হয়েছে কি না প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আপনি খারাপ রেজাল্ট বলছেন কেন, রেজাল্ট তো সুন্দর হয়েছে। পরীক্ষায় ভালো করার প্রত্যাশা থাকলেও অনেক সময় শিক্ষার্থীরা আশানুরূপ ফল করতে পারে না। বোর্ডের ১৯৯৮ সালের আইনে খাতা পরিদর্শনের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। বর্তমানে সেই ব্যবস্থা পরিবর্তন করা হয়েছে।’
উত্তরপত্র পুনঃপরীক্ষণ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘যেসব শিক্ষার্থী পুনঃপরীক্ষণের জন্য আবেদন করবেন, তাদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হবে। কোথাও কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে, সেগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এবার গড় পাশের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশে। এ বছর সব মিলিয়ে ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয়, তাদের মধ্যে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন পাস করেছে। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন।
প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ, রাজশাহীতে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ, কুমিল্লায় ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ, যশোরে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ, বরিশালে ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ, সিলেটে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, দিনাজপুরে ৫৮ দশমিক ০৫ শতাংশ এবং ময়মনসিংহে ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
এ বছর এসএসসিতে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে যে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে, তা গত বছরের তুলনায় ৬ দশমিক ২ শতাংশ পয়েন্ট কম। গত বছর পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ।
ফলাফলের এই হার গত ১৯ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম। এর আগে ২০০৭ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ৫৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাস করেছিল। এরপর আর কোনো বছর পাবলিক এ পরীক্ষায় পাসের হার এত কম ছিল না।
এর আগে ২০০৭ সালে এসএসসিতে ফল বিপর্যয়ের পর ২০০৮ সালে পাসের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৭২ দশমিক ১৮ শতাংশ। এরপর পাসের হার আরও বাড়তে থাকে। ২০২১ সালে দেশে রেকর্ড ৯৩ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী এসএসসি পাস করেছিল।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, মন খুলে গান গাওয়া যায়, পরীক্ষার খাতায় নম্বর দেওয়া যায় না। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষ্যে সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।
এসএসসির ফলাফল খারাপ হয়েছে কি না প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আপনি খারাপ রেজাল্ট বলছেন কেন, রেজাল্ট তো সুন্দর হয়েছে। পরীক্ষায় ভালো করার প্রত্যাশা থাকলেও অনেক সময় শিক্ষার্থীরা আশানুরূপ ফল করতে পারে না। বোর্ডের ১৯৯৮ সালের আইনে খাতা পরিদর্শনের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। বর্তমানে সেই ব্যবস্থা পরিবর্তন করা হয়েছে।’
উত্তরপত্র পুনঃপরীক্ষণ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘যেসব শিক্ষার্থী পুনঃপরীক্ষণের জন্য আবেদন করবেন, তাদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হবে। কোথাও কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে, সেগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এবার গড় পাশের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশে। এ বছর সব মিলিয়ে ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয়, তাদের মধ্যে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন পাস করেছে। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন।
প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ, রাজশাহীতে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ, কুমিল্লায় ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ, যশোরে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ, বরিশালে ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ, সিলেটে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, দিনাজপুরে ৫৮ দশমিক ০৫ শতাংশ এবং ময়মনসিংহে ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
এ বছর এসএসসিতে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে যে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে, তা গত বছরের তুলনায় ৬ দশমিক ২ শতাংশ পয়েন্ট কম। গত বছর পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ।
ফলাফলের এই হার গত ১৯ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম। এর আগে ২০০৭ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ৫৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাস করেছিল। এরপর আর কোনো বছর পাবলিক এ পরীক্ষায় পাসের হার এত কম ছিল না।
এর আগে ২০০৭ সালে এসএসসিতে ফল বিপর্যয়ের পর ২০০৮ সালে পাসের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৭২ দশমিক ১৮ শতাংশ। এরপর পাসের হার আরও বাড়তে থাকে। ২০২১ সালে দেশে রেকর্ড ৯৩ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী এসএসসি পাস করেছিল।

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে এবার দেশের ৬৬৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। অর্থাৎ, এসব প্রতিষ্ঠান থেকে যতজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল সবাই পাস করেছে। অন্যদিকে দেশের ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। অর্থাৎ, এসব প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সবাই ফেল
৩ ঘণ্টা আগে
এবার সবচেয়ে কম পাসের হার মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে। এ বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। আর বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।
৪ ঘণ্টা আগে
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ৩৩ হাজার ২৫৩ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে ঢাকা বোর্ড থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ রাজশাহী বোর্ডে— ১৬ হাজার ১১৩ জন। তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৩ হাজার ৬৩৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড থেকে।
৪ ঘণ্টা আগে
তৎকালীন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতকে ফোন করে এসব নির্দেশ দেন তিনি। আরাফাতও এতে সম্মতি জানিয়ে সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ওবায়দুল কাদের, মোহাম্মদ এ আরাফাত, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক
৪ ঘণ্টা আগে