
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষায় গত কয়েক বছরের মতো এ বছরেও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যায় এগিয়ে রয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। দ্বিতীয় স্থানে থাকা রাজশাহী বোর্ডের তুলনায় এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি। অন্যদিকে সবচেয়ে কম শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে বরিশাল বোর্ডে।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে এ বছরের মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হয়েছে। ১১ শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে এ পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ।
এ বছর সব মিলিয়ে ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয়, তাদের মধ্যে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন পাস করেছে। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ৩৩ হাজার ২৫৩ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে ঢাকা বোর্ড থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ রাজশাহী বোর্ডে— ১৬ হাজার ১১৩ জন। তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৩ হাজার ৬৩৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড থেকে।
এ ছাড়া যশোর শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ হাজার ৪৭৮ জন। ৯ হাজার ৮১৪ পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে কুমিল্লা বোর্ড থেকে। আর চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৩৯৮ জন। অন্যদিকে মাদরাসা বোর্ড থেকে ছয় হাজার ৭১৬ জন ও ময়মনসিংহ বোর্ড থেকে পাঁচ হাজার ৭০০ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে তলানিতে রয়েছে কারিগরি, সিলেট ও বরিশাল বোর্ড। এর মধ্যে কারিগরি থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৯৫১ জন, সিলেট বোর্ড থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন হাজার ৮৩৬ জন। আর সবচেয়ে কম বরিশাল শিক্ষা বোর্ড থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে দুই হাজার ৭৭৮ জন।
জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে গত দুই বছরেও এগিয়ে ছিল ঢাকা বোর্ড ও রাজশাহী বোর্ড। এর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে ২০২৫ সালে ৩৭ হাজার ৬৮ জন ও ২০২৪ সালে ৪৯ হাজার ১৯০ জন জিপিএ-৫ পেয়েছিল। অন্যদিকে রাজশাহী বোর্ডে ২০২৫ সালে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২২ হাজার ৩২৭ জন, ২০২৪ সালে ২৮ হাজার ৭৪ জন।
অন্যদিকে ২০২৫ সালের সবচেয়ে কম তিন হাজার ১১৪ জন জিপিএ-৫ পেয়েছিল বরিশাল বোর্ড থেকে। তবে ২০২৪ সালে সবচেয়ে কম জিপি-৫ পেয়েছিল কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে— চার হাজার ৭৮ জন। সে বছর ছয় হাজার ১৪৫ জন নিয়ে জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে বরিশাল বিভাগ ছিল তৃতীয় সর্বনিম্ন স্থানে।

মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষায় গত কয়েক বছরের মতো এ বছরেও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যায় এগিয়ে রয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। দ্বিতীয় স্থানে থাকা রাজশাহী বোর্ডের তুলনায় এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি। অন্যদিকে সবচেয়ে কম শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে বরিশাল বোর্ডে।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে এ বছরের মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হয়েছে। ১১ শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে এ পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ।
এ বছর সব মিলিয়ে ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয়, তাদের মধ্যে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন পাস করেছে। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ৩৩ হাজার ২৫৩ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে ঢাকা বোর্ড থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ রাজশাহী বোর্ডে— ১৬ হাজার ১১৩ জন। তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৩ হাজার ৬৩৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড থেকে।
এ ছাড়া যশোর শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ হাজার ৪৭৮ জন। ৯ হাজার ৮১৪ পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে কুমিল্লা বোর্ড থেকে। আর চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৩৯৮ জন। অন্যদিকে মাদরাসা বোর্ড থেকে ছয় হাজার ৭১৬ জন ও ময়মনসিংহ বোর্ড থেকে পাঁচ হাজার ৭০০ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে তলানিতে রয়েছে কারিগরি, সিলেট ও বরিশাল বোর্ড। এর মধ্যে কারিগরি থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৯৫১ জন, সিলেট বোর্ড থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন হাজার ৮৩৬ জন। আর সবচেয়ে কম বরিশাল শিক্ষা বোর্ড থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে দুই হাজার ৭৭৮ জন।
জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে গত দুই বছরেও এগিয়ে ছিল ঢাকা বোর্ড ও রাজশাহী বোর্ড। এর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে ২০২৫ সালে ৩৭ হাজার ৬৮ জন ও ২০২৪ সালে ৪৯ হাজার ১৯০ জন জিপিএ-৫ পেয়েছিল। অন্যদিকে রাজশাহী বোর্ডে ২০২৫ সালে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২২ হাজার ৩২৭ জন, ২০২৪ সালে ২৮ হাজার ৭৪ জন।
অন্যদিকে ২০২৫ সালের সবচেয়ে কম তিন হাজার ১১৪ জন জিপিএ-৫ পেয়েছিল বরিশাল বোর্ড থেকে। তবে ২০২৪ সালে সবচেয়ে কম জিপি-৫ পেয়েছিল কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে— চার হাজার ৭৮ জন। সে বছর ছয় হাজার ১৪৫ জন নিয়ে জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে বরিশাল বিভাগ ছিল তৃতীয় সর্বনিম্ন স্থানে।

এবার সবচেয়ে কম পাসের হার মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে। এ বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। আর বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।
১ ঘণ্টা আগে
তৎকালীন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতকে ফোন করে এসব নির্দেশ দেন তিনি। আরাফাতও এতে সম্মতি জানিয়ে সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ওবায়দুল কাদের, মোহাম্মদ এ আরাফাত, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক
২ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, আমার মনে হচ্ছে, যদি দুই নেতার (প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী) আলোচনা হয়, তখন অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। সমস্যার সমাধান হয় যখন আমরা কথাবার্তা বলি। আমার তো পুরো বিশ্বাস যে মানুষ এক আছে, সমাধান হবে। এখানটায় কোনো নেতিবাচক জিনিস নেই। সব ইতিবাচক।
২ ঘণ্টা আগে
পরীক্ষায় ভালো করার কথা থাকলেও অনেক সময় শিক্ষার্থীরা আশানুরূপ ফল করতে পারে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের বোর্ডের ১৯৯৮ সালের আইন অনুযায়ী খাতা পরিদর্শনের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। বর্তমানে আমরা এটি পরিবর্তন করেছি। যেসব শিক্ষার্থী পুনঃপরীক্ষণের জন্য আবেদন করবেন, তাদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হব
২ ঘণ্টা আগে