
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বেশ কয়েকটি সংসদীয় কমিটিতে ছিলেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার জের ধরে তাকে দল থেকে বহিষ্ককার করেছিল বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। তাকে সংসদীয় কমিটি থেকে বাদ দেওয়ার সুপারিশও করেছিল।
এ ইস্যুতেই সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বক্তব্য রাখার পর সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের মধ্যে ‘বাগ্যুদ্ধ’ হয়েছে। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন।
এ সময় কেবল দল থেকে বহিষ্কার নয়, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ ব্যবহার করে ফ্লোর ক্রসিংয়ের দায়ে গাজী নজরুলের সংসদ সদস্যপদ বাতিলের ‘বুদ্ধি’ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘টিপস’ দেওয়াকে দুর্বল মানুষকে জব্দ করতে গ্রামে মেম্বার নির্বাচনে প্রার্থী দাঁড় করিয়ে দেওয়ার প্রচলিত কথার সঙ্গে তুলনা করেন বিরোধীদলীয় নেতা।
গত জুলাইয়ে ব্যক্তিগত ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সাংগঠনিক তদন্তে নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে জামায়াত। সম্প্রতি সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে সদস্য হিসেবে তার নাম রাখা হয়েছিল।
এ সংক্রান্ত আলোচনা উত্থাপন করে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম বলেন, গাজী নজরুল ইসলাম কয়েকটি স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন। বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি ও অনুরোধে তাকে সেসব কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হয়। পরে তাকে একটি তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে রাখা হয়েছে, যা বছরে দুয়েকবার বসে। তবে বিরোধী দলের আপত্তি থাকলে গাজী নজরুলের নাম সেই কমিটি থেকেও বাদ দিতে সরকারি দলের কোনো দ্বিধা নেই।
এ সময় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে গাজী নজরুলকে কোনো কমিটির জন্য প্রস্তাব করা হয়নি। নৈতিক কারণে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাই জাতীয় সংসদের মতো মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের কোনো কমিটিতে তাকে না রাখাই সঙ্গত ও নৈতিক ছিল। সিদ্ধান্ত পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ থাকায় তাকে কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হলে তা একটি ভালো দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
এর জবাবে স্পিকারের অনুমতি নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বিরোধী দলকে ‘রাজনৈতিক কৌশলের পরামর্শ’ দেন। বলেন, সংবিধান অনুযায়ী শুধু দল থেকে বহিষ্কার করলেই কোনো সংসদ সদস্যের পদ শূন্য হয় না। এ ক্ষেত্রে ৭০ অনুচ্ছেদও সরাসরি প্রযোজ্য নয়, যদি না সংশ্লিষ্ট সদস্য নিজে পদত্যাগ করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গাজী নজরুল ইসলাম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন। এ কারণে বিরোধী দল ৭০ অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে স্পিকার বা নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিলে তার সংসদীয় আসন শূন্য হতে পারে। তবে বিরোধী দলের আপত্তি বিবেচনায় নিয়ে এবং তাদের নেতার প্রতি সম্মান জানিয়ে গাজী নজরুলকে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটি থেকে বাদ দিতে সরকারের কোনো আপত্তি নেই।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে কিছুটা হাস্যরসাত্মক প্রতিক্রিয়া জানান শফিকুর রহমান। বলেন, দুর্বল মানুষকে জব্দ করতে গ্রামে মেম্বার নির্বাচনে দাঁড় করিয়ে দেওয়ার কথা প্রচলিত আছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও মাঝে মধ্যে সংসদকে প্রাণবন্ত রাখতে এমন কিছু ‘টিপস’ দেন।
গাজী নজরুলকে ফ্লোর ক্রসিংয়ের মাধ্যমে সংসদ থেকে বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, গাজী নজরুল ইসলামকে এরই মধ্যে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাই তিনি দলের সিদ্ধান্ত লঙ্ঘন করে ফ্লোর ক্রসিং করেছেন— এ কথা নতুন করে বলার সুযোগ নেই। নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাকে সংসদীয় কমিটিতে না রাখার যে আবেদন জানানো হয়েছে, তা বিবেচনায় নেওয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ।
পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবারও স্পিকারের কাছ থেকে ফ্লোর নেন। তিনি বলেন, বিরোধী দলের অবস্থান থেকে স্পষ্ট যে তারা গাজী নজরুল ইসলামের সংসদ সদস্য পদ বহাল রাখতে চান, তবে তাকে কোনো সংসদীয় কমিটিতে রাখতে চান না। কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী তিনি এখনো বৈধ সংসদ সদস্য। বিরোধী দল ৭০ অনুচ্ছেদের অধীনে কোনো পদক্ষেপ না নিলে তার সদস্যপদ বহাল থাকবে।
তারপরও বিরোধীদলীয় নেতার সম্মান ও ইচ্ছার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাকে প্রস্তাবিত কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পরে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম আবারও বক্তব্য দেন। বিরোধীদলীয় নেতার ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিয়ে গাজী নজরুলকে বাদ দিয়ে ‘সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত কমিটি’ পুনর্গঠনের প্রস্তাব করেন তিনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বেশ কয়েকটি সংসদীয় কমিটিতে ছিলেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার জের ধরে তাকে দল থেকে বহিষ্ককার করেছিল বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। তাকে সংসদীয় কমিটি থেকে বাদ দেওয়ার সুপারিশও করেছিল।
এ ইস্যুতেই সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বক্তব্য রাখার পর সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের মধ্যে ‘বাগ্যুদ্ধ’ হয়েছে। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন।
এ সময় কেবল দল থেকে বহিষ্কার নয়, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ ব্যবহার করে ফ্লোর ক্রসিংয়ের দায়ে গাজী নজরুলের সংসদ সদস্যপদ বাতিলের ‘বুদ্ধি’ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘টিপস’ দেওয়াকে দুর্বল মানুষকে জব্দ করতে গ্রামে মেম্বার নির্বাচনে প্রার্থী দাঁড় করিয়ে দেওয়ার প্রচলিত কথার সঙ্গে তুলনা করেন বিরোধীদলীয় নেতা।
গত জুলাইয়ে ব্যক্তিগত ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সাংগঠনিক তদন্তে নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে জামায়াত। সম্প্রতি সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে সদস্য হিসেবে তার নাম রাখা হয়েছিল।
এ সংক্রান্ত আলোচনা উত্থাপন করে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম বলেন, গাজী নজরুল ইসলাম কয়েকটি স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন। বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি ও অনুরোধে তাকে সেসব কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হয়। পরে তাকে একটি তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে রাখা হয়েছে, যা বছরে দুয়েকবার বসে। তবে বিরোধী দলের আপত্তি থাকলে গাজী নজরুলের নাম সেই কমিটি থেকেও বাদ দিতে সরকারি দলের কোনো দ্বিধা নেই।
এ সময় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে গাজী নজরুলকে কোনো কমিটির জন্য প্রস্তাব করা হয়নি। নৈতিক কারণে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাই জাতীয় সংসদের মতো মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের কোনো কমিটিতে তাকে না রাখাই সঙ্গত ও নৈতিক ছিল। সিদ্ধান্ত পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ থাকায় তাকে কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হলে তা একটি ভালো দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
এর জবাবে স্পিকারের অনুমতি নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বিরোধী দলকে ‘রাজনৈতিক কৌশলের পরামর্শ’ দেন। বলেন, সংবিধান অনুযায়ী শুধু দল থেকে বহিষ্কার করলেই কোনো সংসদ সদস্যের পদ শূন্য হয় না। এ ক্ষেত্রে ৭০ অনুচ্ছেদও সরাসরি প্রযোজ্য নয়, যদি না সংশ্লিষ্ট সদস্য নিজে পদত্যাগ করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গাজী নজরুল ইসলাম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন। এ কারণে বিরোধী দল ৭০ অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে স্পিকার বা নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিলে তার সংসদীয় আসন শূন্য হতে পারে। তবে বিরোধী দলের আপত্তি বিবেচনায় নিয়ে এবং তাদের নেতার প্রতি সম্মান জানিয়ে গাজী নজরুলকে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটি থেকে বাদ দিতে সরকারের কোনো আপত্তি নেই।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে কিছুটা হাস্যরসাত্মক প্রতিক্রিয়া জানান শফিকুর রহমান। বলেন, দুর্বল মানুষকে জব্দ করতে গ্রামে মেম্বার নির্বাচনে দাঁড় করিয়ে দেওয়ার কথা প্রচলিত আছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও মাঝে মধ্যে সংসদকে প্রাণবন্ত রাখতে এমন কিছু ‘টিপস’ দেন।
গাজী নজরুলকে ফ্লোর ক্রসিংয়ের মাধ্যমে সংসদ থেকে বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, গাজী নজরুল ইসলামকে এরই মধ্যে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাই তিনি দলের সিদ্ধান্ত লঙ্ঘন করে ফ্লোর ক্রসিং করেছেন— এ কথা নতুন করে বলার সুযোগ নেই। নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাকে সংসদীয় কমিটিতে না রাখার যে আবেদন জানানো হয়েছে, তা বিবেচনায় নেওয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ।
পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবারও স্পিকারের কাছ থেকে ফ্লোর নেন। তিনি বলেন, বিরোধী দলের অবস্থান থেকে স্পষ্ট যে তারা গাজী নজরুল ইসলামের সংসদ সদস্য পদ বহাল রাখতে চান, তবে তাকে কোনো সংসদীয় কমিটিতে রাখতে চান না। কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী তিনি এখনো বৈধ সংসদ সদস্য। বিরোধী দল ৭০ অনুচ্ছেদের অধীনে কোনো পদক্ষেপ না নিলে তার সদস্যপদ বহাল থাকবে।
তারপরও বিরোধীদলীয় নেতার সম্মান ও ইচ্ছার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাকে প্রস্তাবিত কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পরে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম আবারও বক্তব্য দেন। বিরোধীদলীয় নেতার ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিয়ে গাজী নজরুলকে বাদ দিয়ে ‘সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত কমিটি’ পুনর্গঠনের প্রস্তাব করেন তিনি।

রাষ্ট্রদূতের পক্ষ থেকে এমন আগ্রহের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, এফএসআরইউ দ্রুত বাস্তবায়ন ও সরবরাহের সক্ষমতা দেখাতে পারলে মার্কিন কোম্পানিগুলোর প্রস্তাব সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে। কম সময়ে কার্যকর সরবরাহ পরিকল্পনা দিতে পারলে প্রতিযোগিতায় তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।
৫ ঘণ্টা আগে
কর্মসংস্থান ব্যাংককে এ ধরনের কর্মসূচি গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সৃজনশীলতা ও প্রতিভাকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। গানসহ বিভিন্ন সৃজনশীল কাজের সঙ্গে যুক্ত মানুষদেরও প্রমোট করা যেতে পারে। তাদের সৃজনশীলতাকে অর্থনৈতিকভাবে মূল্য সংযোজন করে বাজারজাত করার মাধ্যমে অ
৭ ঘণ্টা আগে
পিপি আজিবুর রহমান আজিজ বলেন, আদালত মেরাজ আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি তিন লাখ টাকা জরিমানা করেছেন। জরিমানার অর্থ আদায় করে শিশুটির পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা তিনটি আন্তঃদেশীয় যাত্রীবাহী ট্রেন পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মৈত্রী, বন্ধন ও মিতালী এক্সপ্রেস চালুর বিষয়টি নিয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার ঢাকায় দুই দেশের রেল কর্তৃপক্ষের বৈঠকে আলোচনা হবে।
১০ ঘণ্টা আগে