
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশ জুড়ে বিদ্যুৎ ঘাটতি কমানোর পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎস হিসেবে সৌর বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট স্থাপনকে উৎসাহিত করতে সৌর বিদ্যুতের যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক-কর ছাড় দিয়েছে সরকার।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ২০তম বৈঠকে এ প্রস্তাব প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
এর আগে ছাদে সৌর বিদ্যুতের প্ল্যান্ট স্থাপন করে উৎপাদিত বিদ্যুৎ নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের জন্য প্রণোদনা ঘোষণা করেছিল সরকার। বিদ্যুৎ বিভাগের এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এ ক্ষেত্রে সরকার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়া প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য সাড়ে ১০ টাকা করে দেবে।
২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে উৎপাদিত সৌর বিদ্যুতের জন্য সরকার এ প্রণোদনা ঘোষণা করে। সে অনুযায়ী এবার আগামী ছয় মাসের জন্য সৌর বিদ্যুৎ প্ল্যান্টের যন্ত্রাংশ আমদানিতেও শুল্ক ছাড় দিলো সরকার।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে সৌর বিদ্যুৎ যন্ত্রাংশ আমদানিতে ছয় মাসের কর ছাড় দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে ১৮০ দিন (ছয় মাস) পর্যন্ত আমদানি করা যন্ত্রাংশে ১ শতাংশের অতিরিক্ত কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, মূসক, আগাম কর ও অগ্রিম আয়কর থেকে পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বলছে, এর ফলে দ্রুততম সময়ে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে, বিদ্যুৎ ঘাটতি কমে শিল্প উৎপাদন বজায় থাকবে এবং উৎপাদন ব্যয় ও যন্ত্রপাতির ক্ষতি হ্রাস পেয়ে বিনিয়োগে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
মন্ত্রিসভার একই বৈঠকে ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২’-এর আওতায় নিম্নস্তরের সিগারেটের মূল্য পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে ‘প্রমোশন অ্যান্ড প্রোটেকশন অব ইনভেস্টমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্ট’ চুক্তির খসড়াও অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অবৈধ বাণিজ্য রোধ ও রাজস্ব ঘাটতি কমাতে ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২’-এর আওতায় নিম্নস্তরের সিগারেটের মূল্য পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
এ ক্ষেত্রে প্রতি ১০ শলাকা নিম্নস্তরের সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৬২ টাকার জায়গায় ৬৫ টাকা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সিগারেটের মূল্য নির্ধারণ এবং স্ট্যাম্প ও ব্যান্ড রোল ব্যবহার বিধিমালা সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন সংশোধনেরও অনুমোদন দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বৈঠকে বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে ‘প্রমোশন অ্যান্ড প্রোটেকশন অব ইনভেস্টমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্ট’ শীর্ষক চুক্তি সইয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। ১০ বছর মেয়াদি এ চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক নিরাপত্তা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সুদৃঢ় হবে। চুক্তি সইয়ের তিন বছর পর উভয়পক্ষ তা সংশোধনের সুযোগ পাবে।
বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগের ষষ্ঠ বৃহত্তম উৎস হংকং। এই চুক্তি পোশাক ও টেক্সটাইলসহ অন্যান্য খাতে নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ করবে, যা কর্মসংস্থান তৈরি, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং শিল্পায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

দেশ জুড়ে বিদ্যুৎ ঘাটতি কমানোর পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎস হিসেবে সৌর বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট স্থাপনকে উৎসাহিত করতে সৌর বিদ্যুতের যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক-কর ছাড় দিয়েছে সরকার।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ২০তম বৈঠকে এ প্রস্তাব প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
এর আগে ছাদে সৌর বিদ্যুতের প্ল্যান্ট স্থাপন করে উৎপাদিত বিদ্যুৎ নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের জন্য প্রণোদনা ঘোষণা করেছিল সরকার। বিদ্যুৎ বিভাগের এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এ ক্ষেত্রে সরকার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়া প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য সাড়ে ১০ টাকা করে দেবে।
২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে উৎপাদিত সৌর বিদ্যুতের জন্য সরকার এ প্রণোদনা ঘোষণা করে। সে অনুযায়ী এবার আগামী ছয় মাসের জন্য সৌর বিদ্যুৎ প্ল্যান্টের যন্ত্রাংশ আমদানিতেও শুল্ক ছাড় দিলো সরকার।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে সৌর বিদ্যুৎ যন্ত্রাংশ আমদানিতে ছয় মাসের কর ছাড় দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে ১৮০ দিন (ছয় মাস) পর্যন্ত আমদানি করা যন্ত্রাংশে ১ শতাংশের অতিরিক্ত কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, মূসক, আগাম কর ও অগ্রিম আয়কর থেকে পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বলছে, এর ফলে দ্রুততম সময়ে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে, বিদ্যুৎ ঘাটতি কমে শিল্প উৎপাদন বজায় থাকবে এবং উৎপাদন ব্যয় ও যন্ত্রপাতির ক্ষতি হ্রাস পেয়ে বিনিয়োগে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
মন্ত্রিসভার একই বৈঠকে ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২’-এর আওতায় নিম্নস্তরের সিগারেটের মূল্য পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে ‘প্রমোশন অ্যান্ড প্রোটেকশন অব ইনভেস্টমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্ট’ চুক্তির খসড়াও অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অবৈধ বাণিজ্য রোধ ও রাজস্ব ঘাটতি কমাতে ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২’-এর আওতায় নিম্নস্তরের সিগারেটের মূল্য পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
এ ক্ষেত্রে প্রতি ১০ শলাকা নিম্নস্তরের সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৬২ টাকার জায়গায় ৬৫ টাকা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সিগারেটের মূল্য নির্ধারণ এবং স্ট্যাম্প ও ব্যান্ড রোল ব্যবহার বিধিমালা সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন সংশোধনেরও অনুমোদন দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বৈঠকে বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে ‘প্রমোশন অ্যান্ড প্রোটেকশন অব ইনভেস্টমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্ট’ শীর্ষক চুক্তি সইয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। ১০ বছর মেয়াদি এ চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক নিরাপত্তা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সুদৃঢ় হবে। চুক্তি সইয়ের তিন বছর পর উভয়পক্ষ তা সংশোধনের সুযোগ পাবে।
বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগের ষষ্ঠ বৃহত্তম উৎস হংকং। এই চুক্তি পোশাক ও টেক্সটাইলসহ অন্যান্য খাতে নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ করবে, যা কর্মসংস্থান তৈরি, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং শিল্পায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রাষ্ট্রদূতের পক্ষ থেকে এমন আগ্রহের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, এফএসআরইউ দ্রুত বাস্তবায়ন ও সরবরাহের সক্ষমতা দেখাতে পারলে মার্কিন কোম্পানিগুলোর প্রস্তাব সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে। কম সময়ে কার্যকর সরবরাহ পরিকল্পনা দিতে পারলে প্রতিযোগিতায় তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।
৪ ঘণ্টা আগে
কর্মসংস্থান ব্যাংককে এ ধরনের কর্মসূচি গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সৃজনশীলতা ও প্রতিভাকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। গানসহ বিভিন্ন সৃজনশীল কাজের সঙ্গে যুক্ত মানুষদেরও প্রমোট করা যেতে পারে। তাদের সৃজনশীলতাকে অর্থনৈতিকভাবে মূল্য সংযোজন করে বাজারজাত করার মাধ্যমে অ
৭ ঘণ্টা আগে
পিপি আজিবুর রহমান আজিজ বলেন, আদালত মেরাজ আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি তিন লাখ টাকা জরিমানা করেছেন। জরিমানার অর্থ আদায় করে শিশুটির পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা তিনটি আন্তঃদেশীয় যাত্রীবাহী ট্রেন পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মৈত্রী, বন্ধন ও মিতালী এক্সপ্রেস চালুর বিষয়টি নিয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার ঢাকায় দুই দেশের রেল কর্তৃপক্ষের বৈঠকে আলোচনা হবে।
১০ ঘণ্টা আগে