কমিশনের লক্ষ্য একটি জাতীয় সনদ তৈরি করা: ড. আলী রীয়াজ

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০২৫, ১৫: ১১

কমিশনের লক্ষ্য হলো সবার সঙ্গে আলোচনা করে একটি জাতীয় সনদ তৈরি উল্লেখ করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ বলেছেন, যা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে। যার মধ্যদিয়ে আগামীর বাংলাদেশের পথরেখা নির্মাণ করা হবে।

বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) সংসদ ভবনে জাতীয় ঐক্যমত কমিশনের সঙ্গে আ-আম জনতা পার্টির বৈঠক শুরুর আগে এসব কথা বলেন তিনি।

অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ বলেন, ৫৩ বছরের শাসন কাঠামোর মধ্যে গণতন্ত্রের ঘাটতির কারণে স্বৈরতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

আলী রীয়াজ বলেন, সবার আকাঙ্ক্ষা হলো একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। যা প্রতিষ্ঠিত হলে আগামীতে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে না এবং গণতন্ত্রের জন্য আর কাউকে প্রাণ দিতে হবে না।

এর আগে ১৭ এপ্রিল ডেসটিনি গ্রুপের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল আমীনের নেতৃত্বে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আ-আম জনতা পার্টি।

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি

মাহমুদুল হাসান মানিক আরও বলেন, কৃষকরা ধানের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। মধ্যস্বত্বভোগী ও সিন্ডিকেটের কারণে কৃষকের উৎপাদিত ধান কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। তাই অবিলম্বে ধানের বাজারে কৃষকের লাভজনক মূল্য দিতে হবে এবং সরকারি উদ্যোগে কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনার ব্যবস্থা করতে হবে।

১১ ঘণ্টা আগে

বাংলাদেশ সব দেশের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখবে: হুমায়ুন কবির

হুমায়ুন কবির বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। একক শক্তির আধিপত্যের যুগ শেষের পথে এবং বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতে নতুন বাস্তবতা তৈরি হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশকে কৌশলগতভাবে নমনীয় ও ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করতে হবে।’

১৪ ঘণ্টা আগে

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস

দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংগ্ন এলাকায় আগামী ১১ মে-এর মধ্যে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে আগামী পাঁচদিন পরও দেশের উত্তরাঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

১৫ ঘণ্টা আগে

মব সহিংসতা রোধে পুলিশকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণ এখন গুম, অপহরণ আর ভয়ের সংস্কৃতিমুক্ত একটি রাষ্ট্র এবং সমাজ দেখতে চায়। যেখানে জানমালের ভয় থাকবে না। আর থাকবে না অবিচার, অনাচার কিংবা নির্যাতন-নিপীড়নের ভয়। এমন একটি প্রত্যাশিত পরিস্থিতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তথা পুলিশের ভূমিকাই সর্বাধিক।

১৫ ঘণ্টা আগে