
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

কমিশনের লক্ষ্য হলো সবার সঙ্গে আলোচনা করে একটি জাতীয় সনদ তৈরি উল্লেখ করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ বলেছেন, যা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে। যার মধ্যদিয়ে আগামীর বাংলাদেশের পথরেখা নির্মাণ করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) সংসদ ভবনে জাতীয় ঐক্যমত কমিশনের সঙ্গে আ-আম জনতা পার্টির বৈঠক শুরুর আগে এসব কথা বলেন তিনি।
অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ বলেন, ৫৩ বছরের শাসন কাঠামোর মধ্যে গণতন্ত্রের ঘাটতির কারণে স্বৈরতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
আলী রীয়াজ বলেন, সবার আকাঙ্ক্ষা হলো একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। যা প্রতিষ্ঠিত হলে আগামীতে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে না এবং গণতন্ত্রের জন্য আর কাউকে প্রাণ দিতে হবে না।
এর আগে ১৭ এপ্রিল ডেসটিনি গ্রুপের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল আমীনের নেতৃত্বে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আ-আম জনতা পার্টি।

কমিশনের লক্ষ্য হলো সবার সঙ্গে আলোচনা করে একটি জাতীয় সনদ তৈরি উল্লেখ করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ বলেছেন, যা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে। যার মধ্যদিয়ে আগামীর বাংলাদেশের পথরেখা নির্মাণ করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) সংসদ ভবনে জাতীয় ঐক্যমত কমিশনের সঙ্গে আ-আম জনতা পার্টির বৈঠক শুরুর আগে এসব কথা বলেন তিনি।
অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ বলেন, ৫৩ বছরের শাসন কাঠামোর মধ্যে গণতন্ত্রের ঘাটতির কারণে স্বৈরতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
আলী রীয়াজ বলেন, সবার আকাঙ্ক্ষা হলো একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। যা প্রতিষ্ঠিত হলে আগামীতে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে না এবং গণতন্ত্রের জন্য আর কাউকে প্রাণ দিতে হবে না।
এর আগে ১৭ এপ্রিল ডেসটিনি গ্রুপের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল আমীনের নেতৃত্বে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আ-আম জনতা পার্টি।

পরীক্ষায় ভালো করার কথা থাকলেও অনেক সময় শিক্ষার্থীরা আশানুরূপ ফল করতে পারে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের বোর্ডের ১৯৯৮ সালের আইন অনুযায়ী খাতা পরিদর্শনের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। বর্তমানে আমরা এটি পরিবর্তন করেছি। যেসব শিক্ষার্থী পুনঃপরীক্ষণের জন্য আবেদন করবেন, তাদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হব
১ ঘণ্টা আগে
গত বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালেও ছিল একই চিত্র। সেবার মেয়েদের পাসের হার ছিল ৭১ দশমিক ০৩ শতাংশ, বিপরীতে ছেলেদের মধ্যে পাস করেছিল ৬৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ পরীক্ষার্থী।
১ ঘণ্টা আগে
এর আগে ২০০৭ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ৫৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাস করেছিল। এরপর গত ১৯ বছরে আর কখনো পাবলিক এ পরীক্ষায় পাসের হার এত কম ছিল না।
২ ঘণ্টা আগে
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছিল। এর মধ্যে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষায় ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় ১ লাখ
৩ ঘণ্টা আগে