
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঈদুল ফিতর সামনে রেখে দৈনিক জনকণ্ঠের সাংবাদিক ও কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া বেতন-ভাতা এবং ঈদ বোনাস পরিশোধ না করায় তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। একই সঙ্গে আজ মঙ্গলবারের (১৭ মার্চ) মধ্যেই সব বকেয়া পরিশোধের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ডিআরইউ’র দপ্তর সম্পাদক রাশিম মোল্লার সই করা এক বিবৃতিতে কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে এ দাবি জানান সংগঠনটির সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত সোমবার (১৬ মার্চ) সকাল থেকে গ্লোব জনকণ্ঠ শিল্প পরিবার ভবনের সামনে দীর্ঘ ৯ মাসের বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাসের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন পত্রিকাটির সাংবাদিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
জনকণ্ঠের সাংবাদিকদের বরাত দিয়ে ডিআরইউ বলছে, চলতি মাসের ৫ তারিখের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ এবং ১৫ মার্চের মধ্যে ঈদ বোনাস দেওয়ার কথা থাকলেও সম্পাদক ও প্রকাশক শামীমা এ খান তা পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছেন। তাই জনকণ্ঠের সাংবাদিকরা অনির্দিষ্টকালের জন্য অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আন্দোলনরত সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দীর্ঘদিন ধরে বেতন-ভাতা না পাওয়ায় জনকণ্ঠের কয়েক শ সাংবাদিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বারবার পাওনা পরিশোধের নির্দিষ্ট তারিখ দেওয়ার পরও কর্তৃপক্ষ তা রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে, যা সাধারণ সংবাদকর্মীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে।’
বিবৃতিতে ডিআরইউ বলছে, ‘আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, তাদের ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই অবস্থান কর্মসূচি ও সমাবেশ অব্যাহত থাকবে। বেতন সংকটের কারণে সৃষ্ট এই স্থবিরতায় পত্রিকাটির স্বাভাবিক প্রকাশনা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।’
আন্দোলনরত সাংবাদিকদের বরাত দিয়ে ডিআরইউ আরও জানায়, সাংবাদিকরা মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সময় দিয়েছেন। এর মধ্যে সব বকেয়া বেতন-ভাতা ও ঈদ বোনাস পরিশোধ না করা হলে গ্লোব জনকণ্ঠ শিল্প পরিবারের চেয়ারম্যান এবং পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক শামীমা এ খানের বাসভবন ঘেরাও করা হবে।
বিবৃতিতে ডিআরইউ’র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিগত ৯ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ না করা এবং ঈদের পূর্বে বোনাস না দেওয়া শুধু অমানবিকই নয়, এটি শ্রমিক অধিকার ও ন্যায্যতার চরম লঙ্ঘন। বারবার সময়সীমা নির্ধারণ করে তা ভঙ্গ করা জনকন্ঠ কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতা ও উদাসীনতার সুস্পষ্ট প্রমাণ।
ডিআরইউ নেতারা আরও বলেন, আজ সন্ধ্যার মধ্যে আমাদের সহকর্মীদের সকল বকেয়া বেতন-ভাতা ও ঈদ বোনাস পরিশোধ করতে হবে। অন্যথায় ডিআরইউ সাংবাদিক সমাজকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর ও ধারাবাহিক কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে, কর্মসূচি রাজপথে গড়াবে এবং দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনতে সর্বাত্মক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে কোনো ধরনের আপস করা হবে না উল্লেখ করে ডিআরইউ নেতারা অবিলম্বে সংকট সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর আহ্বান জানান। তারা সতর্ক করে বলেন, ডিআরইউ ভালো করে জানে কীভাবে দাবি আদায় করতে হয়। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে দাবি পূরণ না হলে সংশ্লিষ্ট মালিকপক্ষের বাসভবন ঘেরাওসহ আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

ঈদুল ফিতর সামনে রেখে দৈনিক জনকণ্ঠের সাংবাদিক ও কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া বেতন-ভাতা এবং ঈদ বোনাস পরিশোধ না করায় তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। একই সঙ্গে আজ মঙ্গলবারের (১৭ মার্চ) মধ্যেই সব বকেয়া পরিশোধের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ডিআরইউ’র দপ্তর সম্পাদক রাশিম মোল্লার সই করা এক বিবৃতিতে কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে এ দাবি জানান সংগঠনটির সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত সোমবার (১৬ মার্চ) সকাল থেকে গ্লোব জনকণ্ঠ শিল্প পরিবার ভবনের সামনে দীর্ঘ ৯ মাসের বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাসের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন পত্রিকাটির সাংবাদিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
জনকণ্ঠের সাংবাদিকদের বরাত দিয়ে ডিআরইউ বলছে, চলতি মাসের ৫ তারিখের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ এবং ১৫ মার্চের মধ্যে ঈদ বোনাস দেওয়ার কথা থাকলেও সম্পাদক ও প্রকাশক শামীমা এ খান তা পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছেন। তাই জনকণ্ঠের সাংবাদিকরা অনির্দিষ্টকালের জন্য অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আন্দোলনরত সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দীর্ঘদিন ধরে বেতন-ভাতা না পাওয়ায় জনকণ্ঠের কয়েক শ সাংবাদিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বারবার পাওনা পরিশোধের নির্দিষ্ট তারিখ দেওয়ার পরও কর্তৃপক্ষ তা রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে, যা সাধারণ সংবাদকর্মীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে।’
বিবৃতিতে ডিআরইউ বলছে, ‘আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, তাদের ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই অবস্থান কর্মসূচি ও সমাবেশ অব্যাহত থাকবে। বেতন সংকটের কারণে সৃষ্ট এই স্থবিরতায় পত্রিকাটির স্বাভাবিক প্রকাশনা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।’
আন্দোলনরত সাংবাদিকদের বরাত দিয়ে ডিআরইউ আরও জানায়, সাংবাদিকরা মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সময় দিয়েছেন। এর মধ্যে সব বকেয়া বেতন-ভাতা ও ঈদ বোনাস পরিশোধ না করা হলে গ্লোব জনকণ্ঠ শিল্প পরিবারের চেয়ারম্যান এবং পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক শামীমা এ খানের বাসভবন ঘেরাও করা হবে।
বিবৃতিতে ডিআরইউ’র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিগত ৯ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ না করা এবং ঈদের পূর্বে বোনাস না দেওয়া শুধু অমানবিকই নয়, এটি শ্রমিক অধিকার ও ন্যায্যতার চরম লঙ্ঘন। বারবার সময়সীমা নির্ধারণ করে তা ভঙ্গ করা জনকন্ঠ কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতা ও উদাসীনতার সুস্পষ্ট প্রমাণ।
ডিআরইউ নেতারা আরও বলেন, আজ সন্ধ্যার মধ্যে আমাদের সহকর্মীদের সকল বকেয়া বেতন-ভাতা ও ঈদ বোনাস পরিশোধ করতে হবে। অন্যথায় ডিআরইউ সাংবাদিক সমাজকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর ও ধারাবাহিক কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে, কর্মসূচি রাজপথে গড়াবে এবং দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনতে সর্বাত্মক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে কোনো ধরনের আপস করা হবে না উল্লেখ করে ডিআরইউ নেতারা অবিলম্বে সংকট সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর আহ্বান জানান। তারা সতর্ক করে বলেন, ডিআরইউ ভালো করে জানে কীভাবে দাবি আদায় করতে হয়। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে দাবি পূরণ না হলে সংশ্লিষ্ট মালিকপক্ষের বাসভবন ঘেরাওসহ আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

তিনি বলেন, ‘শুধু প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি হিসেবে নয় বরং নিজেদের বেঁচে থাকার জন্য গাছ লাগানো উচিত।’
২ ঘণ্টা আগে
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, সবাইকে উচ্চ শিক্ষা দিয়ে বেকারত্বের কারখানা তৈরি করা যাবে না। সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছে। পাশাপাশি, ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকেই পাঠ্যবইয়ে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
‘২৩ জুন একটি রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এটিকে কেন্দ্র করে আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি।’
২ ঘণ্টা আগে
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের জন্য জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ, সংঘাত প্রতিরোধে অধিক বিনিয়োগ এবং মানবিক, শান্তি ও উন্নয়ন কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি নারী ও কিশোরীদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তিনির্ভর হয়রানি ও অপব্যবহারের বিষয়টিও তুলে ধরেন। এ ধরনে
৩ ঘণ্টা আগে