
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ব্যক্তিগত কারণ ও সরকারি চাকরি থেকে নিয়মিত অবসরে যাওয়ার লক্ষ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান।
আজ বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
"আজ আমার চাকুরীজীবনের শেষ দিন। অবসর গ্রহণের নিমিত্তে বিশেষ রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব থেকে অব্যহতি চেয়ে প্রদত্ত আমার পদত্যাগপত্র গতকাল গৃহীত হয়েছে," বলে পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করা এই চিকিৎসক ও বিএসএমএমইউ-এর সাবেক উপাচার্য গত নভেম্বরে বিশেষ সহকারী হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। তার পদত্যাগপত্র গতকালই গৃহীত হয়েছে বলে জানা গেছে।

ব্যক্তিগত কারণ ও সরকারি চাকরি থেকে নিয়মিত অবসরে যাওয়ার লক্ষ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান।
আজ বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
"আজ আমার চাকুরীজীবনের শেষ দিন। অবসর গ্রহণের নিমিত্তে বিশেষ রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব থেকে অব্যহতি চেয়ে প্রদত্ত আমার পদত্যাগপত্র গতকাল গৃহীত হয়েছে," বলে পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করা এই চিকিৎসক ও বিএসএমএমইউ-এর সাবেক উপাচার্য গত নভেম্বরে বিশেষ সহকারী হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। তার পদত্যাগপত্র গতকালই গৃহীত হয়েছে বলে জানা গেছে।

দেশ জুড়ে শুরু হওয়া ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে মৌলভীবাজার ও নেত্রকোনা জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এই ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পাঁচ জেলায় বন্যা হতে পারে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংস্থা বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
৭ ঘণ্টা আগে
২০০৪ সালে পাকিস্তান সফরের একটি তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে মুক্তিযোদ্ধা এই মন্ত্রী বলেন, সাফমা কনফারেন্সে পাকিস্তানে গিয়েছিলাম। সেখানে এক পাকিস্তানি এমপি আমার মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় জেনে জামায়াতে ইসলামীর এমপির সামনেই আমাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছিল। সেই অপমান আমি ভুলিনি। যখন বেশি বাড়াবাড়ি করা হয়, তখন মনে
৮ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেছেন, গণভোটকে জাতীয় সংসদে শপথের আওতায় এনে কার্যকর করা না হলে সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। তিনি সতর্ক করে বলেন, গণভোট বাতিল হলে সংসদ সদস্যদের পদও আইনি ঝুঁকিতে পড়তে পারে—শেষ পর্যন্ত আমও যাবে, ছালাও যাবে।
৯ ঘণ্টা আগে