
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্বে বাল্যবিয়েতে অষ্টম অস্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। আর এশিয়ায় শীর্ষে রয়েছে। শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইউনিসেফ এ তথ্য জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ইউনিসেফ, ইউএন উইমেন ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল প্রকাশিত ‘গার্লস গোলস: হোয়াট হ্যাজ চেঞ্জড ফর গার্লস? অ্যাডোলেসেন্ট গার্লস রাইটস ওভার ৩০ ইয়ার্স’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে ৫১ দশমিক চার শতাংশের ১৮ বছর আগে বিয়ে হয়েছে। ১৫-১৯ বছর বয়সী কিশোরী মেয়েদের ২৮ শতাংশ ১২ মাসের মধ্যে তাদের সঙ্গীর দ্বারা শারীরিক বা যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছে। আর ১৫-১৯ বছর বয়সী বিবাহিত কিশোরী মেয়েদের মধ্যে মাত্র ৪৭ শতাংশ জেনেবুঝে প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত নিতে পারে আর বাংলাদেশে কিশোরী কন্যাশিশুদের মাধ্যমিক পর্যায়ের লেখাপড়া শেষ করার হার ৫৯ দশমিক ২২ শতাংশ।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দেশে কিশোরীদের এখনো প্রতিনিয়িত বৈষম্য, সহিংসতা, শিশুবিয়ে, শিক্ষার সুযোগের ঘাটতি এবং সুযোগ স্বল্পতার সাথে লড়াই করতে হচ্ছে। ১৯৯৯ বেইজিং ঘোষণায় যেসব অঙ্গীকার করা হয়েছিল, ৩০ বছর পরে এসে সেসব অঙ্গীকার বাস্তবায়নে দেশগুলো কতটা অগ্রগতি অর্জন করেছে, তার পর্যালোচনা করা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মেয়েদের জন্য অনেক ক্ষেত্রে অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। এর মধ্যে শিক্ষায় বিনিয়োগের সুফল ও মেয়েদের স্বাস্থ্য সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রেও উন্নতি হয়েছে। তবে কন্যাশিশুরা আগের তুলনায় তেমন একটা শিশুবিবাহের শিকার হয় না কিন্তু বাংলাদেশের মতো বিভিন্ন দেশ এখনো এই ক্ষেত্রে বেশ পিছিয়ে। বাংলাদেশে ৫০ শতাংশের বেশি কন্যাশিশু এই ক্ষতিকর চর্চার শিকার হচ্ছে, শিশুবিবাহের এই হার এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি।
কিশোরীরা তার সমবয়সী ছেলেদের তুলনায় পিছিয়ে পড়ছে সঠিক বিনিয়োগের অভাবে। উদাহরণ হিসেবে ইউনিসেফ বলেছে, সমবয়সী ছেলেদের তুলনায় ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী কিশোরী মেয়ে ও তরুণ নারীদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণের সুযোগ না পাওয়ার সংখ্যা এখনো দ্বিগুণ এবং স্বল্প আয়ের দেশগুলোতে তাদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই ইন্টারনেট সুবিধা পায় না।
প্রতিবেদনে বিশেষভাবে উদ্বেগ জানিয়ে বলা হয়েছে, কোনও দেশই কিশোরী বয়সী মেয়েদের উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ১৬টি এসডিজি লক্ষ্যের অর্ধেকও পূরণ করতে পারেনি। সেকারণে ২০৩০ এসডিজি এজেন্ডা অর্জনের জন্য আর মাত্র পাঁচ বছর বাকি থাকায় এক্ষেত্রে নতুন করে গুরুত্ব আরোপ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিশ্বে যে সাতটি দেশে কিশোরী মেয়ে ও তরুণ নারীদের ডিজিটাল দক্ষতার হার ২ শতাংশ বা তার চেয়ে কম সেসব দেশের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ।
প্রতিবেদনে কিছু সুপারিশ করা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে, কিশোরীদের বক্তব্যকে সবার সামনে তুলে ধরা এবং তাদের অ্যাডভোকেসিকে সহায়তা করা।
শিক্ষা, দক্ষতা ও প্রশিক্ষণে বিশেষ করে ডিজিটাল শিক্ষায় যে ঘাটতি রয়েছে, তা দূর করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা। তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কিশোরী মেয়েদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনের বিষয়গুলোকে চিহ্নিত করে সেগুলো পূরণে বিনিয়োগ করা। এক্ষেত্রে তাদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

বিশ্বে বাল্যবিয়েতে অষ্টম অস্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। আর এশিয়ায় শীর্ষে রয়েছে। শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইউনিসেফ এ তথ্য জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ইউনিসেফ, ইউএন উইমেন ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল প্রকাশিত ‘গার্লস গোলস: হোয়াট হ্যাজ চেঞ্জড ফর গার্লস? অ্যাডোলেসেন্ট গার্লস রাইটস ওভার ৩০ ইয়ার্স’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে ৫১ দশমিক চার শতাংশের ১৮ বছর আগে বিয়ে হয়েছে। ১৫-১৯ বছর বয়সী কিশোরী মেয়েদের ২৮ শতাংশ ১২ মাসের মধ্যে তাদের সঙ্গীর দ্বারা শারীরিক বা যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছে। আর ১৫-১৯ বছর বয়সী বিবাহিত কিশোরী মেয়েদের মধ্যে মাত্র ৪৭ শতাংশ জেনেবুঝে প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত নিতে পারে আর বাংলাদেশে কিশোরী কন্যাশিশুদের মাধ্যমিক পর্যায়ের লেখাপড়া শেষ করার হার ৫৯ দশমিক ২২ শতাংশ।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দেশে কিশোরীদের এখনো প্রতিনিয়িত বৈষম্য, সহিংসতা, শিশুবিয়ে, শিক্ষার সুযোগের ঘাটতি এবং সুযোগ স্বল্পতার সাথে লড়াই করতে হচ্ছে। ১৯৯৯ বেইজিং ঘোষণায় যেসব অঙ্গীকার করা হয়েছিল, ৩০ বছর পরে এসে সেসব অঙ্গীকার বাস্তবায়নে দেশগুলো কতটা অগ্রগতি অর্জন করেছে, তার পর্যালোচনা করা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মেয়েদের জন্য অনেক ক্ষেত্রে অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। এর মধ্যে শিক্ষায় বিনিয়োগের সুফল ও মেয়েদের স্বাস্থ্য সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রেও উন্নতি হয়েছে। তবে কন্যাশিশুরা আগের তুলনায় তেমন একটা শিশুবিবাহের শিকার হয় না কিন্তু বাংলাদেশের মতো বিভিন্ন দেশ এখনো এই ক্ষেত্রে বেশ পিছিয়ে। বাংলাদেশে ৫০ শতাংশের বেশি কন্যাশিশু এই ক্ষতিকর চর্চার শিকার হচ্ছে, শিশুবিবাহের এই হার এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি।
কিশোরীরা তার সমবয়সী ছেলেদের তুলনায় পিছিয়ে পড়ছে সঠিক বিনিয়োগের অভাবে। উদাহরণ হিসেবে ইউনিসেফ বলেছে, সমবয়সী ছেলেদের তুলনায় ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী কিশোরী মেয়ে ও তরুণ নারীদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণের সুযোগ না পাওয়ার সংখ্যা এখনো দ্বিগুণ এবং স্বল্প আয়ের দেশগুলোতে তাদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই ইন্টারনেট সুবিধা পায় না।
প্রতিবেদনে বিশেষভাবে উদ্বেগ জানিয়ে বলা হয়েছে, কোনও দেশই কিশোরী বয়সী মেয়েদের উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ১৬টি এসডিজি লক্ষ্যের অর্ধেকও পূরণ করতে পারেনি। সেকারণে ২০৩০ এসডিজি এজেন্ডা অর্জনের জন্য আর মাত্র পাঁচ বছর বাকি থাকায় এক্ষেত্রে নতুন করে গুরুত্ব আরোপ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিশ্বে যে সাতটি দেশে কিশোরী মেয়ে ও তরুণ নারীদের ডিজিটাল দক্ষতার হার ২ শতাংশ বা তার চেয়ে কম সেসব দেশের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ।
প্রতিবেদনে কিছু সুপারিশ করা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে, কিশোরীদের বক্তব্যকে সবার সামনে তুলে ধরা এবং তাদের অ্যাডভোকেসিকে সহায়তা করা।
শিক্ষা, দক্ষতা ও প্রশিক্ষণে বিশেষ করে ডিজিটাল শিক্ষায় যে ঘাটতি রয়েছে, তা দূর করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা। তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কিশোরী মেয়েদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনের বিষয়গুলোকে চিহ্নিত করে সেগুলো পূরণে বিনিয়োগ করা। এক্ষেত্রে তাদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

এবারের প্রতিযোগিতার বিষয়বস্তু ‘বায়ু, পানি ও মাটি দূষণ’ এবং ‘জ্বালানি ও পরিবেশ’। প্রতিযোগিতায় জমা পড়া ১৫০০টি ছবির মধ্য থেকে বিচারকদের রায়ে নির্বাচিত সেরা ৩৫টি ছবি প্রদর্শনীর জন্য মনোনীত হয় এবং বিজয়ী ছয়জন ফটোসাংবাদিককে পুরস্কৃত করা হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
যমুনা ও আশপাশের এলাকায় ‘বেআইনি’ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কোনো প্রকার আগ্নেয়াস্ত্র বা গুলি ব্যবহার করা হয়নি বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
৬ ঘণ্টা আগে
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তবে কিছু সময় পর আবারও আন্দোলনকারীরা জড়ো হয়ে যমুনা অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেন। ফলে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
১২ ঘণ্টা আগে