
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২২ ধরনের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এসব কর্মপরিকল্পনার বেশিরভাগই আগামী অক্টোবরের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন ইসি কর্মকর্তারা।
তারা বলছেন, বিভিন্ন অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ, রাজনৈতিক দল ও পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন, আইন-বিধি সংস্কার, ভোটার তালিকা ও ভোটকেন্দ্র স্থাপনসহ ২২টি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
ইতোমধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, ডিসেম্বরকে টার্গেট করে তারা ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আর ডিসেম্বরে ভোট করতে হলে অক্টোবরে তফসিল ঘোষণা করতে হবে।
কর্মপরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে—অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ, নির্বাচনী আইনের সংস্কার, বিধিমালা ও নীতিমালা সংশোধন, নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ, ভোটার তালিকা হালনাগাদ, ভোটকেন্দ্র স্থাপন, নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন, পর্যবেক্ষক এবং সাংবাদিক নীতিমালা প্রণয়নসহ পর্যবেক্ষক সংস্থা নিবন্ধন, বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের অনুমতি সংক্রান্ত কার্যক্রম, নির্বাচনী দ্রব্যাদি সংগ্রহ, বিভিন্ন প্রকার ম্যানুয়াল নির্দেশিকা পোস্টার পরিচয়পত্র ইত্যাদি মুদ্রণ, স্বচ্ছ ব্যালট বক্স ও নির্বাচনী দ্রব্যাদি ব্যবহার উপযোগীকরণ, নির্বাচনী বাজেট প্রস্তুত বাজেট বরাদ্দ সংক্রান্ত কার্যক্রম ফলাফল প্রদর্শন প্রচার ও প্রকাশ বিষয়ক ব্যবস্থা গ্রহণ।
এ ছাড়া ডিজিটাল মনিটর স্থাপন ও যন্ত্রপাতি সংযোজন, আন্ত মন্ত্রণালয় যোগাযোগ ও সভা বিষয়ক কার্যক্রম, নির্বাচনের জন্য জনবল ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ ও ব্রিফিং, প্রচার ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম, রাজনৈতিক দলের নির্বাচনে প্রচারণা, টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সুসংহতকরণ, বেসরকারি প্রাথমিক ফলাফল প্রচার সংক্রান্ত কার্যাবলী, আইসিটি সহায়তা সংক্রান্ত কার্যক্রম এবং নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা।
সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ভোটার তালিকা হলানাগাদ কার্যক্রম চলমান রেখেছে ইসি। দল নিবন্ধন কার্যক্রমও শুরু করেছে। এ ছাড়া বিভিন্ন আইন সংশোধনের পর সীমানা পুনর্নির্ধারণ, পর্যবেক্ষক নিবন্ধন ও ভোটকেন্দ্র স্থাপনে কার্যক্রমও হাতে নেবে ইসি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২২ ধরনের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এসব কর্মপরিকল্পনার বেশিরভাগই আগামী অক্টোবরের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন ইসি কর্মকর্তারা।
তারা বলছেন, বিভিন্ন অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ, রাজনৈতিক দল ও পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন, আইন-বিধি সংস্কার, ভোটার তালিকা ও ভোটকেন্দ্র স্থাপনসহ ২২টি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
ইতোমধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, ডিসেম্বরকে টার্গেট করে তারা ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আর ডিসেম্বরে ভোট করতে হলে অক্টোবরে তফসিল ঘোষণা করতে হবে।
কর্মপরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে—অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ, নির্বাচনী আইনের সংস্কার, বিধিমালা ও নীতিমালা সংশোধন, নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ, ভোটার তালিকা হালনাগাদ, ভোটকেন্দ্র স্থাপন, নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন, পর্যবেক্ষক এবং সাংবাদিক নীতিমালা প্রণয়নসহ পর্যবেক্ষক সংস্থা নিবন্ধন, বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের অনুমতি সংক্রান্ত কার্যক্রম, নির্বাচনী দ্রব্যাদি সংগ্রহ, বিভিন্ন প্রকার ম্যানুয়াল নির্দেশিকা পোস্টার পরিচয়পত্র ইত্যাদি মুদ্রণ, স্বচ্ছ ব্যালট বক্স ও নির্বাচনী দ্রব্যাদি ব্যবহার উপযোগীকরণ, নির্বাচনী বাজেট প্রস্তুত বাজেট বরাদ্দ সংক্রান্ত কার্যক্রম ফলাফল প্রদর্শন প্রচার ও প্রকাশ বিষয়ক ব্যবস্থা গ্রহণ।
এ ছাড়া ডিজিটাল মনিটর স্থাপন ও যন্ত্রপাতি সংযোজন, আন্ত মন্ত্রণালয় যোগাযোগ ও সভা বিষয়ক কার্যক্রম, নির্বাচনের জন্য জনবল ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ ও ব্রিফিং, প্রচার ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম, রাজনৈতিক দলের নির্বাচনে প্রচারণা, টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সুসংহতকরণ, বেসরকারি প্রাথমিক ফলাফল প্রচার সংক্রান্ত কার্যাবলী, আইসিটি সহায়তা সংক্রান্ত কার্যক্রম এবং নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা।
সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ভোটার তালিকা হলানাগাদ কার্যক্রম চলমান রেখেছে ইসি। দল নিবন্ধন কার্যক্রমও শুরু করেছে। এ ছাড়া বিভিন্ন আইন সংশোধনের পর সীমানা পুনর্নির্ধারণ, পর্যবেক্ষক নিবন্ধন ও ভোটকেন্দ্র স্থাপনে কার্যক্রমও হাতে নেবে ইসি।

সংকট উত্তরণে সৌরবিদ্যুতের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এতদিন আমরা আমদানিনির্ভর উৎস থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের গ্রাহক ছিলাম। বর্তমান সরকার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের যে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে যাচ্ছে, তা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে আমরা কেবল গ্রাহক থাকব না, বরং সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদক হব।’
২ ঘণ্টা আগে
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জেজেইউ আহ্বায়ক সাইফুর সাগর বলেন, অভ্যুত্থানের আড়াই বছরেও এমন সংগঠন হয়নি। এখন কেন হয়েছে? হয়েছে সময়ের প্রয়োজনে। জুলাইপন্থি সব সাংবাদিকের জন্য এটি উন্মুক্ত। গণমাধ্যমকে সঠিক পথে রাখতে জুলাইয়ের সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে।
২ ঘণ্টা আগে
আওয়ামী লীগ নেতারা স্থানীয় নির্বাচনে এলে বিএনপির অবস্থান কী হবে— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম বলেন, এখানে তো আওয়ামী লীগ হিসেবে নির্বাচন করছে না। দলীয়ভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগই নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ। স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এ দিন বিরোধী দলের আপত্তির মধ্যেই কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।
৬ ঘণ্টা আগে