
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নির্বাচনি প্রচারে অংশগ্রহণকারী নারীদের ওপর হামলা, হয়রানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহম্মদ মিসবাহ উদ্দিন (আল-মিসবাহ)। রিটে নির্বাচন কমিশন (ইসি), স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিবাদী করা হয়েছে।
রিট আবেদনে বলা হয়েছে, গত ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া বৈধ নির্বাচনি প্রচারণাকালে দেশের বিভিন্ন জেলায় নারীরা, বিশেষ করে হিজাব পরিহিত নারীরা পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিতে গিয়ে হামলা ও হুমকির শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনা গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রকাশিত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো প্রতিরোধমূলক বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, এসব ঘটনা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৮ (বৈষম্য নিষিদ্ধ), ৩২ (জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা), ৩৬ (চলাচলের স্বাধীনতা), ৩৭ (সমাবেশের স্বাধীনতা), ৩৮ (সমিতির স্বাধীনতা) ও ৪১ (ধর্মীয় স্বাধীনতা) সরাসরি লঙ্ঘন। এ ছাড়া সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করার যে সাংবিধানিক দায়িত্ব নির্বাহী কর্তৃপক্ষের রয়েছে, তা যথাযথভাবে পালন করা হয়নি।
আগামী রোববার বিচারপতি ফাহমিদা কাদেরের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এই আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানান রিটকারী আইনজীবী মুহম্মদ মিসবাহ উদ্দিন।
তিনি বলেন, ‘নারীদের ভয়মুক্ত অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো নির্বাচনই গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য হতে পারে না। নিরাপদ নির্বাচন ও নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণায় অংশগ্রহণ নারীর সাংবিধানিক অধিকার। এই অধিকারের সুরক্ষা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব।’

নির্বাচনি প্রচারে অংশগ্রহণকারী নারীদের ওপর হামলা, হয়রানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহম্মদ মিসবাহ উদ্দিন (আল-মিসবাহ)। রিটে নির্বাচন কমিশন (ইসি), স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিবাদী করা হয়েছে।
রিট আবেদনে বলা হয়েছে, গত ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া বৈধ নির্বাচনি প্রচারণাকালে দেশের বিভিন্ন জেলায় নারীরা, বিশেষ করে হিজাব পরিহিত নারীরা পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিতে গিয়ে হামলা ও হুমকির শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনা গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রকাশিত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো প্রতিরোধমূলক বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, এসব ঘটনা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৮ (বৈষম্য নিষিদ্ধ), ৩২ (জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা), ৩৬ (চলাচলের স্বাধীনতা), ৩৭ (সমাবেশের স্বাধীনতা), ৩৮ (সমিতির স্বাধীনতা) ও ৪১ (ধর্মীয় স্বাধীনতা) সরাসরি লঙ্ঘন। এ ছাড়া সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করার যে সাংবিধানিক দায়িত্ব নির্বাহী কর্তৃপক্ষের রয়েছে, তা যথাযথভাবে পালন করা হয়নি।
আগামী রোববার বিচারপতি ফাহমিদা কাদেরের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এই আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানান রিটকারী আইনজীবী মুহম্মদ মিসবাহ উদ্দিন।
তিনি বলেন, ‘নারীদের ভয়মুক্ত অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো নির্বাচনই গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য হতে পারে না। নিরাপদ নির্বাচন ও নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণায় অংশগ্রহণ নারীর সাংবিধানিক অধিকার। এই অধিকারের সুরক্ষা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব।’

সভায় সেনাপ্রধান বলেন, কিছু আর্থিক লেনদেন হতে পারে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে, নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য। আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলেছি। কিছু ক্রিমিনাল থাকতে পারে, তারা ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দিতে পারে। কিন্তু ভোটের দিন সবাই এ ধরনের অপরাধ করবে না।
৯ ঘণ্টা আগে
গ্রেপ্তারদের মধ্যে লালবাগ থানা একজন, গুলশান থানা দুইজন, সূত্রাপুর থানা তিনজন, মোহাম্মদপুর থানা চারজন, খিলগাঁও থানা একজন, হাজারীবাগ থানা ৯ জন, তুরাগ থানা একজন, চকবাজার থানা একজন, যাত্রাবাড়ী থানা পাঁচজন, রামপুরা থানা একজন, উত্তরখান থানা একজন, ও বনানী থানা একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
১১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে অর্থ বরাদ্দে সরকার কোনো কার্পণ্য করছে না বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
১১ ঘণ্টা আগে
আদালতের নির্দেশনায় প্রার্থিতায় পরিবর্তন আসায় দেশের ৪টি সংসদীয় আসনে নতুন করে প্রায় সাড়ে ১১ হাজার পোস্টাল ব্যালট ছাপাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। যশোর-৪, চট্টগ্রাম-২, রংপুর-১ ও রংপুর-৪ আসনে এসব ব্যালট ছাপানো হচ্ছে। এসব আসনের জন্য আগে ছাপানো পোস্টাল ব্যালট বাতিল করা হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে