
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ১৭ মিনিটের ব্যবধানে দুটি ভূমিকম্প আঘাত করেছে। মাঝারি মাত্রার দুই ভূমিকম্পের প্রভাবে বাংলাদেশের কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম পেরিয়ে কেঁপে উঠেছে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকা। শুধু তাই নয়, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা ও হাওড়াসহ বিভিন্ন এলাকাও ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে। ভূমিকম্পে তিন দেশের কোথাও হতাহতের কোনো তথ্য মেলেনি।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টা ৩৪ মিনিটের দিকে প্রথম ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল রাখাইন রাজ্যের সিত্তে শহর থেকে প্রায় ১১৭ কিলোমিটার পূর্ব ও উত্তরপূর্বে এবং ইয়েনানগিয়াং শহর থেকে প্রায় ৯৫ কিলোমিটার পশ্চিমে। ৯টা ৫১ মিনিটে আঘাত করে দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি, যার উৎপত্তিস্থলও ছিল আগেরটির কাছাকাছি— ইয়েনানগিয়াং শহর থেকে প্রায় ৮৮ কিলোমিটার পশ্চিমে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য বলছে, ভূপৃষ্ঠের ৬২ দশমিক ৭০ কিলোমিটার গভীরে উৎপত্তি হওয়া প্রথম ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৯। অন্যদিকে ভূপৃষ্ঠের ৬৭ দশমিক ৮০ কিলোমিটার গভীরে উৎপত্তি হওয়া দ্বিতীয় ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ২। বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরও একই তথ্য জানিয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা জানান, মঙ্গলবার রাত ৯টা ৩৪ মিনিট ১ সেকেন্ডে প্রথম ভূমিকম্পটি সংঘটিত হয়। এর উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারের মিনবু এলাকাটি ঢাকার ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র থেকে ৫২১ কিলোমিটার দক্ষিণপূর্ব দিকে অবস্থিত। দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির উৎপত্তি প্রথমটির মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরত্বে। দুটি ভূমিকম্পই কয়েক সেকেন্ড করে স্থায়ী ছিল।
মিয়ানমারের এ ভূমিকম্পের প্রভাবে বাংলাদেশের কয়েকটি জেলা কেঁপে ওঠে। রাজনীতি ডটকমের চট্টগ্রাম ব্যুরো ও কক্সবাজার প্রতিনিধির তথ্য বলছে, মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পটির কম্পন অনুভূত হয়েছে এই দুই জেলায়। কক্সবাজারের সদর, মহেশখালী, চকরিয়াসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে ভূকম্পন অনুভূত হওয়ার তথ্য মিলেছে।
চট্টগ্রামেও মহানগর ছাড়াও পটিয়া, রাউজানসহ বিভিন্ন এলাকায় ভূকম্পন অনুভূত হওয়ার তথ্য জানিয়েছেন বাসিন্দারা। এ ছাড়া ঢাকাসহ আরও কয়েকটি জেলা থেকেও ভূকম্পন অনুভূত হওয়ার খবর মিলেছে।
এদিকে আনন্দবাজার ও দ্য সানডে গার্ডিয়ানসহ ভারতীয় কয়েকটি গণমাধ্যমের খবর বলছে, পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা ও হাওড়াসহ বেশ কিছু জেলা কেঁপে উঠেছে মিয়ানমারের এ ভূমিকম্পের প্রভাবে। এ সময় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে কলকাতার শপিং মলগুলো থেকে দলে দলে মানুষ বের হয়ে রাস্তায় অবস্থান নেয়।
কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে বলেন, মিয়ানমারের ভূমিকম্প যে ফল্টের ওপরে সংঘটিত হয়েছে সেই ফল্টটি খুবই সক্রিয়। ২০২৪ সালেও একই ফল্টে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার বড় ভূমিকম্প সংঘটিত হয়েছিল। ফলে আগামী ২৪ ঘণ্টায় আফটারশক ভূমিকম্পের আশঙ্কা রয়েছে।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ১৭ মিনিটের ব্যবধানে দুটি ভূমিকম্প আঘাত করেছে। মাঝারি মাত্রার দুই ভূমিকম্পের প্রভাবে বাংলাদেশের কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম পেরিয়ে কেঁপে উঠেছে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকা। শুধু তাই নয়, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা ও হাওড়াসহ বিভিন্ন এলাকাও ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে। ভূমিকম্পে তিন দেশের কোথাও হতাহতের কোনো তথ্য মেলেনি।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টা ৩৪ মিনিটের দিকে প্রথম ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল রাখাইন রাজ্যের সিত্তে শহর থেকে প্রায় ১১৭ কিলোমিটার পূর্ব ও উত্তরপূর্বে এবং ইয়েনানগিয়াং শহর থেকে প্রায় ৯৫ কিলোমিটার পশ্চিমে। ৯টা ৫১ মিনিটে আঘাত করে দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি, যার উৎপত্তিস্থলও ছিল আগেরটির কাছাকাছি— ইয়েনানগিয়াং শহর থেকে প্রায় ৮৮ কিলোমিটার পশ্চিমে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য বলছে, ভূপৃষ্ঠের ৬২ দশমিক ৭০ কিলোমিটার গভীরে উৎপত্তি হওয়া প্রথম ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৯। অন্যদিকে ভূপৃষ্ঠের ৬৭ দশমিক ৮০ কিলোমিটার গভীরে উৎপত্তি হওয়া দ্বিতীয় ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ২। বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরও একই তথ্য জানিয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা জানান, মঙ্গলবার রাত ৯টা ৩৪ মিনিট ১ সেকেন্ডে প্রথম ভূমিকম্পটি সংঘটিত হয়। এর উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারের মিনবু এলাকাটি ঢাকার ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র থেকে ৫২১ কিলোমিটার দক্ষিণপূর্ব দিকে অবস্থিত। দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির উৎপত্তি প্রথমটির মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরত্বে। দুটি ভূমিকম্পই কয়েক সেকেন্ড করে স্থায়ী ছিল।
মিয়ানমারের এ ভূমিকম্পের প্রভাবে বাংলাদেশের কয়েকটি জেলা কেঁপে ওঠে। রাজনীতি ডটকমের চট্টগ্রাম ব্যুরো ও কক্সবাজার প্রতিনিধির তথ্য বলছে, মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পটির কম্পন অনুভূত হয়েছে এই দুই জেলায়। কক্সবাজারের সদর, মহেশখালী, চকরিয়াসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে ভূকম্পন অনুভূত হওয়ার তথ্য মিলেছে।
চট্টগ্রামেও মহানগর ছাড়াও পটিয়া, রাউজানসহ বিভিন্ন এলাকায় ভূকম্পন অনুভূত হওয়ার তথ্য জানিয়েছেন বাসিন্দারা। এ ছাড়া ঢাকাসহ আরও কয়েকটি জেলা থেকেও ভূকম্পন অনুভূত হওয়ার খবর মিলেছে।
এদিকে আনন্দবাজার ও দ্য সানডে গার্ডিয়ানসহ ভারতীয় কয়েকটি গণমাধ্যমের খবর বলছে, পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা ও হাওড়াসহ বেশ কিছু জেলা কেঁপে উঠেছে মিয়ানমারের এ ভূমিকম্পের প্রভাবে। এ সময় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে কলকাতার শপিং মলগুলো থেকে দলে দলে মানুষ বের হয়ে রাস্তায় অবস্থান নেয়।
কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে বলেন, মিয়ানমারের ভূমিকম্প যে ফল্টের ওপরে সংঘটিত হয়েছে সেই ফল্টটি খুবই সক্রিয়। ২০২৪ সালেও একই ফল্টে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার বড় ভূমিকম্প সংঘটিত হয়েছিল। ফলে আগামী ২৪ ঘণ্টায় আফটারশক ভূমিকম্পের আশঙ্কা রয়েছে।

সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে ৩৩ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ সময়ের মধ্যে কোথাও কোনো ভোটকেন্দ্র বন্ধ হয়নি।
১৭ ঘণ্টা আগে
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস বলেছেন, বাংলাদেশের নাগরিকরা ভোটে অংশগ্রহণে উৎসাহী এবং তারা আশা করছেন এবারের নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য।
১৮ ঘণ্টা আগে
ভোট দেওয়ার অনুভূতি জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, খুব ভালো লাগল। আমার জীবনে মহা আনন্দের দিন। বাংলাদেশের সবার জন্য মহা আনন্দের দিন। আজ মুক্তির দিন। আমাদের দুঃস্বপ্নের অবসান। নতুন স্বপ্ন শুরু। সেটাই আমাদের আজকের এই প্রক্রিয়া।
১৯ ঘণ্টা আগে
সিইসি বলেন, আমরা চাই— বাংলাদেশ এই যে গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেল, এই ট্রেন ইনশাল্লাহ গন্তব্যস্থলে পৌঁছাবে আপনাদের সবার সহযোগিতায়। আপনারা জানেন, ২০২৬ সালে সারা বিশ্বে সবচেয়ে বড় একটা নির্বাচন দিচ্ছে বাংলাদেশ। এত বড় নির্বাচন আর এ বছরে কোথাও হয় নাই।
১৯ ঘণ্টা আগে