
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আগামী সরকারের মন্ত্রীদের জন্য ১০১ কোটি টাকার বেশি মূল্যের ৬০টি পাজেরো গাড়ি কেনার প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। আর এই সম্মতিতে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক তাজনুভা জাবীন। বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি উল্লেখ করেন তিনি।
নিজের ফেসবুক পোস্টে তাজনুভা লেখেন, ‘আগামী সরকারের মন্ত্রীদের জন্য ১০১ কোটির মূল্যের ৬০টি পাজেরো গাড়ির প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। মানে অর্থ উপদেষ্টা কতটা কেয়ারিং আর কৃতজ্ঞ বন্ধুর প্রতি, বন্ধু মন্ত্রী হওয়ার সাথে সাথেই যাতে নতুন গাড়িতে চড়তে পারেন, আগাম ব্যবস্থা।’
জুলাই আন্দোলনে শহীদদের প্রতি সরকার সুবিচার করতে পারেনি উল্লেখ করে তাজনুভা বলেন, ‘যে গণঅভ্যুত্থানের ওপর দাঁড়িয়ে যে জুলাই সনদ সেটার বাস্তবায়নের জন্য পরের সংসদ পর্যন্ত নাকি অপেক্ষা করতে হবে। যে শহীদ-আহতদের রক্তের ওপর প্রতিষ্ঠিত সরকার পাজেরো গাড়ি কিনছেন তাদের বিচার, তাদের নিরাপত্তা, মিনিমাম তাদের সঠিক তালিকাও প্রকাশ করতে পারে নাই। আবার এই সরকার তো নাকি ছাত্রদের। এ এক বিস্ময়কর ব্যাপার, এই সরকারের সব ব্যর্থতার পুরো ভাগ কি করে যেন সব ছাত্রদের। আর গণঅভ্যুত্থানের সব কৃতিত্ব ১০ ভাগ হওয়ার পর এক ভাগ শুধু ছাত্রদের।’
উল্লেখ্য, আগামী সরকারের মন্ত্রীদের জন্য ৬০টি গাড়ি কেনার প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। মিতসুবিশি পাজেরো কিউএক্স-২৪২৭ সিসি মডেলের প্রতিটি গাড়ির দাম এক কোটি ৬৯ লাখ টাকা।
এসব গাড়ি কিনতে ব্যয় হবে ১০১ কোটি ৬১ লাখ টাকা। একই সঙ্গে আগামী নির্বাচনে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করবেন এমন কর্মকর্তাদের জন্য কেনা হচ্ছে ১৯৫টি পাজেরোসহ মোট ২২০টি গাড়ি। সব মিলিয়ে ২৮০টি গাড়ি কিনতে সরকারের ব্যয় হবে প্রায় ৪৪৫ কোটি টাকা।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গত ২১ আগস্ট নির্বাচনী কর্মকর্তা এবং আগামী নির্বাচিত সরকারের মন্ত্রীদের জন্য ২৮০টি গাড়ি কেনার প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগে পাঠায়। এর মধ্যে আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে জয়ী সরকারের মন্ত্রী, মন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের জন্য ৬০টি গাড়ি কেনার কথা বলা হয় প্রস্তাবে।
প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড থেকে সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ায় এসব গাড়ি কিনবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান সরকারি যানবাহন অধিদপ্তর।

আগামী সরকারের মন্ত্রীদের জন্য ১০১ কোটি টাকার বেশি মূল্যের ৬০টি পাজেরো গাড়ি কেনার প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। আর এই সম্মতিতে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক তাজনুভা জাবীন। বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি উল্লেখ করেন তিনি।
নিজের ফেসবুক পোস্টে তাজনুভা লেখেন, ‘আগামী সরকারের মন্ত্রীদের জন্য ১০১ কোটির মূল্যের ৬০টি পাজেরো গাড়ির প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। মানে অর্থ উপদেষ্টা কতটা কেয়ারিং আর কৃতজ্ঞ বন্ধুর প্রতি, বন্ধু মন্ত্রী হওয়ার সাথে সাথেই যাতে নতুন গাড়িতে চড়তে পারেন, আগাম ব্যবস্থা।’
জুলাই আন্দোলনে শহীদদের প্রতি সরকার সুবিচার করতে পারেনি উল্লেখ করে তাজনুভা বলেন, ‘যে গণঅভ্যুত্থানের ওপর দাঁড়িয়ে যে জুলাই সনদ সেটার বাস্তবায়নের জন্য পরের সংসদ পর্যন্ত নাকি অপেক্ষা করতে হবে। যে শহীদ-আহতদের রক্তের ওপর প্রতিষ্ঠিত সরকার পাজেরো গাড়ি কিনছেন তাদের বিচার, তাদের নিরাপত্তা, মিনিমাম তাদের সঠিক তালিকাও প্রকাশ করতে পারে নাই। আবার এই সরকার তো নাকি ছাত্রদের। এ এক বিস্ময়কর ব্যাপার, এই সরকারের সব ব্যর্থতার পুরো ভাগ কি করে যেন সব ছাত্রদের। আর গণঅভ্যুত্থানের সব কৃতিত্ব ১০ ভাগ হওয়ার পর এক ভাগ শুধু ছাত্রদের।’
উল্লেখ্য, আগামী সরকারের মন্ত্রীদের জন্য ৬০টি গাড়ি কেনার প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। মিতসুবিশি পাজেরো কিউএক্স-২৪২৭ সিসি মডেলের প্রতিটি গাড়ির দাম এক কোটি ৬৯ লাখ টাকা।
এসব গাড়ি কিনতে ব্যয় হবে ১০১ কোটি ৬১ লাখ টাকা। একই সঙ্গে আগামী নির্বাচনে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করবেন এমন কর্মকর্তাদের জন্য কেনা হচ্ছে ১৯৫টি পাজেরোসহ মোট ২২০টি গাড়ি। সব মিলিয়ে ২৮০টি গাড়ি কিনতে সরকারের ব্যয় হবে প্রায় ৪৪৫ কোটি টাকা।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গত ২১ আগস্ট নির্বাচনী কর্মকর্তা এবং আগামী নির্বাচিত সরকারের মন্ত্রীদের জন্য ২৮০টি গাড়ি কেনার প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগে পাঠায়। এর মধ্যে আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে জয়ী সরকারের মন্ত্রী, মন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের জন্য ৬০টি গাড়ি কেনার কথা বলা হয় প্রস্তাবে।
প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড থেকে সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ায় এসব গাড়ি কিনবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান সরকারি যানবাহন অধিদপ্তর।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি কূটনীতিকদের মন্তব্য করার পেছনে সমাজের একটি বড় অংশেরও দায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, সবসময় এ জন্য শুধু বিদেশি কূটনীতিকদের দোষারোপ করা ঠিক নয়।
৯ ঘণ্টা আগে
বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে অবস্থিত অত্যাধুনিক গোল্ড’স জিম শনিবার দেশের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। যুবসমাজ ও ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্যে ‘ডিনার উইথ দ্য স্টারস’ শীর্ষক একটি নেটওয়ার্কিং ইভেন্টের আয়োজন করে গোল্ড’স জিম বাংলাদেশ।
৯ ঘণ্টা আগে
“কেমন হ্যাকার, কেমন হ্যাক? ‘বেশ্যা’ ডেকেই আইডি ব্যাক!”, ‘নারীর শ্রমের সম্মান চাই, বেশ্যাকরণ নিপাত যাক’ এবং ‘প্রস্টিটিউট? জাস্ট লুক এট ইউর হিস্ট্রি’সহ নানা স্লোগান ছিল শিক্ষার্থীদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে। জামায়াতে ইসলামী ও তাদের নির্বাচনি প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’র দিকে ইঙ্গিত করে প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল—
৯ ঘণ্টা আগে
ভবিষ্যতে বিদেশ সফরের প্রয়োজন বিবেচনায় অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা ইতোমধ্যে কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করেছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, তিনি নিজে কিংবা তাঁর স্ত্রী কেউই এখনো কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করেননি।
৯ ঘণ্টা আগে