
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করাই স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্বাধীনতার সেই লক্ষ্য সামনে রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার এবং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে আমি বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণসহ প্রবাসে বসবাসরত সব বাংলাদেশিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।
২৬ মার্চ জাতীয় জীবনের এক গৌরবময় ও ঐতিহাসিক দিন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি জাতির শ্রেষ্ঠ সূর্যসন্তানদের, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। একই সঙ্গে আমি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতনের শিকার মা-বোন ও স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মনিবেদিত সবাইকে গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি এবং সব শহিদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
তারেক রহমান বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবস আমাদের জীবনে সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের চেতনাকে নতুন করে উজ্জীবিত করে। স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে এবং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।
মাতৃভূমির অগ্রগতি ও উন্নয়নের ধারাকে আরও বেগবান করতে জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সহনশীলতা ও দেশপ্রেমের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আসুন, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করি। একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করি।
প্রধানমন্ত্রী মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।

একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করাই স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্বাধীনতার সেই লক্ষ্য সামনে রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার এবং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে আমি বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণসহ প্রবাসে বসবাসরত সব বাংলাদেশিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।
২৬ মার্চ জাতীয় জীবনের এক গৌরবময় ও ঐতিহাসিক দিন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি জাতির শ্রেষ্ঠ সূর্যসন্তানদের, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। একই সঙ্গে আমি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতনের শিকার মা-বোন ও স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মনিবেদিত সবাইকে গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি এবং সব শহিদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
তারেক রহমান বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবস আমাদের জীবনে সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের চেতনাকে নতুন করে উজ্জীবিত করে। স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে এবং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।
মাতৃভূমির অগ্রগতি ও উন্নয়নের ধারাকে আরও বেগবান করতে জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সহনশীলতা ও দেশপ্রেমের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আসুন, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করি। একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করি।
প্রধানমন্ত্রী মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি তেলের সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একটি বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজের সব ক্ষেত্রে সাম্য, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে স্বাধীনতার অপূর্ণ স্বপ্নগুলো পূরণ করতে হবে। নতুন প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, সুখী-সমৃদ্ধ মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা আমাদের পবিত্র কর্তব্য।
৫ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১২০টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় শিক্ষাক্রমে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণি থেকে ফুটবল, ক্রিকেট, দাবাসহ সাতটি ক্রীড়া ইভেন্ট অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
৬ ঘণ্টা আগে