
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

উচ্চ আদালত থেকে সন্ত্রাসীদের অস্বাভাবিক জামিন দেওয়ার বিষয়ে প্রধান বিচারপতিকে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‘আজ প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের শেষ কর্মদিবস। আমি তাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে এসেছিলাম। তিনি দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বিচার বিভাগে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যকর করেছেন। আমাদের আইন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গৃহীত আইনগুলোর পেছনে তার সমর্থন ছিল। তিনি বিভিন্ন সময়ে আমাদের উদ্বেগ ও পরামর্শ গ্রহণ করেছেন এবং কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছেন।’
আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘বর্তমানে হাইকোর্টের কিছু বেঞ্চ অস্বাভাবিকভাবে জামিন প্রদান করছে। এমন জামিন প্রাপ্ত ব্যক্তিরা যারা জনগণকে বা নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের ক্ষতি করতে পারে, তাদের জামিন দেওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আমি আগে প্রধান বিচারপতিকে বিষয়টি জানিয়েছি এবং আজও বিষয়টি পুনঃউল্লেখ করেছি। প্রধান বিচারপতি যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছেন, তবে সমস্যা এখনো পুরোপুরি সমাধান হয়নি। আমাদের উদ্বেগ মূলত সেই ব্যক্তিদের জন্য, যারা জনসাধারণের নিরাপত্তা বা আমাদের সন্তানদের সুরক্ষার ক্ষেত্রে হুমকিস্বরূপ হতে পারে।’
ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‘আইনগতভাবে যে-কেউ জামিনের জন্য প্রাপ্য, তারা অবশ্যই প্রাপ্যতা অনুযায়ী তা পাবেন। কিন্তু যারা জামিনে মুক্তি পেলে অন্যদের হত্যা বা আক্রমণ করতে পারে, তাদের জামিন দেওয়া যাবে না। এটি আইন ও ন্যায়ের মূলনীতি অনুসারে আমাদের দায়িত্ব।’
তিনি আরও জানান, ‘হাইকোর্টের অভিভাবক হচ্ছেন প্রধান বিচারপতি। প্রধান বিচারপতির সঙ্গে নতুন প্রধান বিচারপতি দায়িত্ব গ্রহণের পর আমার প্রথম বৈঠকে আমি এই বিষয়টি উত্থাপন করব। একই সঙ্গে বিচার বিভাগে যেসব অনিয়ম বা সমস্যা আছে, তা দূর করার জন্য টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।’
ড. আসিফ নজরুল উল্লেখ করেন, ‘আমরা যে সংস্কারগুলো করেছি, সেগুলো টেকসই করার জন্য প্রধান বিচারপতির পরামর্শ নেব। উনি সর্বোচ্চ সহায়তা প্রদান করবেন। আমরা আশাবাদী, বিচার বিভাগের দক্ষ নেতৃত্বের কারণে আগামীতেও অনিয়মের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বিচার বিভাগের যে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব আমরা পেয়েছি, তা দেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান হিসেবে বিবেচিত হবে।’
উল্লেখ্য, ‘আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে পরবর্তী প্রধান বিচারপতির নাম জানা যাবে। তবে আইন উপদেষ্টা বলেন, এটি সরকারের নীতি নির্ধারণী বিষয়। আমি এককভাবে কিছু বলতে পারি না, তবে খুব শিগগিরই নতুন প্রধান বিচারপতির নাম প্রকাশিত হবে এবং আমরা তার সঙ্গে বৈঠকে এসব উদ্বেগের বিষয় উত্থাপন করব।’

উচ্চ আদালত থেকে সন্ত্রাসীদের অস্বাভাবিক জামিন দেওয়ার বিষয়ে প্রধান বিচারপতিকে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‘আজ প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের শেষ কর্মদিবস। আমি তাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে এসেছিলাম। তিনি দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বিচার বিভাগে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যকর করেছেন। আমাদের আইন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গৃহীত আইনগুলোর পেছনে তার সমর্থন ছিল। তিনি বিভিন্ন সময়ে আমাদের উদ্বেগ ও পরামর্শ গ্রহণ করেছেন এবং কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছেন।’
আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘বর্তমানে হাইকোর্টের কিছু বেঞ্চ অস্বাভাবিকভাবে জামিন প্রদান করছে। এমন জামিন প্রাপ্ত ব্যক্তিরা যারা জনগণকে বা নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের ক্ষতি করতে পারে, তাদের জামিন দেওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আমি আগে প্রধান বিচারপতিকে বিষয়টি জানিয়েছি এবং আজও বিষয়টি পুনঃউল্লেখ করেছি। প্রধান বিচারপতি যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছেন, তবে সমস্যা এখনো পুরোপুরি সমাধান হয়নি। আমাদের উদ্বেগ মূলত সেই ব্যক্তিদের জন্য, যারা জনসাধারণের নিরাপত্তা বা আমাদের সন্তানদের সুরক্ষার ক্ষেত্রে হুমকিস্বরূপ হতে পারে।’
ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‘আইনগতভাবে যে-কেউ জামিনের জন্য প্রাপ্য, তারা অবশ্যই প্রাপ্যতা অনুযায়ী তা পাবেন। কিন্তু যারা জামিনে মুক্তি পেলে অন্যদের হত্যা বা আক্রমণ করতে পারে, তাদের জামিন দেওয়া যাবে না। এটি আইন ও ন্যায়ের মূলনীতি অনুসারে আমাদের দায়িত্ব।’
তিনি আরও জানান, ‘হাইকোর্টের অভিভাবক হচ্ছেন প্রধান বিচারপতি। প্রধান বিচারপতির সঙ্গে নতুন প্রধান বিচারপতি দায়িত্ব গ্রহণের পর আমার প্রথম বৈঠকে আমি এই বিষয়টি উত্থাপন করব। একই সঙ্গে বিচার বিভাগে যেসব অনিয়ম বা সমস্যা আছে, তা দূর করার জন্য টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।’
ড. আসিফ নজরুল উল্লেখ করেন, ‘আমরা যে সংস্কারগুলো করেছি, সেগুলো টেকসই করার জন্য প্রধান বিচারপতির পরামর্শ নেব। উনি সর্বোচ্চ সহায়তা প্রদান করবেন। আমরা আশাবাদী, বিচার বিভাগের দক্ষ নেতৃত্বের কারণে আগামীতেও অনিয়মের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বিচার বিভাগের যে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব আমরা পেয়েছি, তা দেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান হিসেবে বিবেচিত হবে।’
উল্লেখ্য, ‘আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে পরবর্তী প্রধান বিচারপতির নাম জানা যাবে। তবে আইন উপদেষ্টা বলেন, এটি সরকারের নীতি নির্ধারণী বিষয়। আমি এককভাবে কিছু বলতে পারি না, তবে খুব শিগগিরই নতুন প্রধান বিচারপতির নাম প্রকাশিত হবে এবং আমরা তার সঙ্গে বৈঠকে এসব উদ্বেগের বিষয় উত্থাপন করব।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে যেখানে ৩০ লক্ষ কোটি টাকার ঋণ নিয়ে এই সংসদ দেশ পরিচালনা শুরু করেছে, আমরা একটি স্থিতিশীল সরকার না রাখলে দেশকে এগিয়ে নিতে পারব না। যদি একটি স্থিতিশীল সংসদ নিশ্চিত করতে না পারি, কোনোভাবেই এই দেশকে সামনে নিয়ে যেতে পারব না। সংসদকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না।”
১০ ঘণ্টা আগে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘নির্বাচনের স্বার্থে আমরা অনেক কথা বলিনি। আমাদের একটা তাগাদা ছিল যে এরা সংস্কারের বাহানায় যদি নির্বাচনটা না হতে দেয়, সে জন্য আমরা সবকিছুতে আপস করে জুলাই জাতীয় সনদেও স্বাক্ষর করেছি। আমরা একত্র হয়েছি, সমঝোতা হয়েছে।’
১২ ঘণ্টা আগে
সংসদে দেওয়া ভাষণে ঋণ খেলাপি ও ঋণ পুনঃতফসিলীকরণকে ব্যবসা ও ব্যাংকিং খাতের একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করেছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, গত ১৭ বছর ধরে বিএনপির ব্যবসায়ীদের ওপর যে পরিকল্পিত বাধা সৃষ্টি করা হয়েছিল, তারই ফলস্বরূপ অনেকে আজ ঋণ খেলাপিতে পরিণত হয়েছেন।
১২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে ৪৯ প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। এতে বিএনপির ৩৬ জন, জামায়াত জোটের ১২, স্বতন্ত্র জোটের একজনসহ মোট ৪৯ জনকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে