
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘বিএনপির তো কোনো ব্যাংক নেই। বাংলাদেশের মানুষ জানে কাদের ব্যাংক আছে। যাদের নিজস্ব ব্যাংক আছে, তাদের দলের সদস্যদের তো ঋণ খেলাপি হওয়ার সুযোগ নেই। কারণ তারা তাদের পছন্দের লোককে চেয়ারম্যান-এমডি বানান, নিজেদের সুবিধামতো নিয়োগ দেন। এই সুযোগ বা সুবিধা তো বিএনপির নেই।’
তিনি আরও বলেন, ব্যাংক-ক্লায়েন্ট রিলেশনশিপ একটি পেশাদার বিষয়। কিন্তু বিএনপির নেতাকর্মীদের ক্ষেত্রে ব্যাংকিং সেক্টরকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে সব ধরনের বাধা সৃষ্টি করা হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
সংসদে দেওয়া ভাষণে ঋণ খেলাপি ও ঋণ পুনঃতফসিলীকরণকে ব্যবসা ও ব্যাংকিং খাতের একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করেছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, গত ১৭ বছর ধরে বিএনপির ব্যবসায়ীদের ওপর যে পরিকল্পিত বাধা সৃষ্টি করা হয়েছিল, তারই ফলস্বরূপ অনেকে আজ ঋণ খেলাপিতে পরিণত হয়েছেন।
আমির খসরু বলেন, ‘যাদের আজ খেলাপি বলা হচ্ছে, তাদের অনেকে দীর্ঘ সময় বাড়িতে থাকতে পারেননি, পালিয়ে বেড়িয়েছেন। অনেকে বছরের পর বছর জেলের মধ্যে ছিলেন। এখন জেলে বসে ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করা কি এতই সহজ ব্যাপার?’
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ঋণ খেলাপি বা পুনঃতফসিলীকরণ— এটি বিএনপি আবিষ্কার করেনি। যতদিন ধরে বিশ্বে ব্যাংকিং ব্যবস্থা আছে, ততদিন ধরে এই প্রক্রিয়া আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। করোনার সময় বা বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের সময় ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হলে বিশ্বব্যাপী ঋণ পুনঃতফসিল করা হয়। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকিং প্র্যাকটিস।’
বিগত সরকারের আমলে বিএনপির ব্যবসায়ীদের প্রতি বৈষম্যের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, গত ১৭ বছর বিএনপির ব্যবসায়ীরা শান্তিতে ব্যবসা করতে পারেননি। তাদেরকে ব্যাংকের স্যাংশন করা লোন পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। ঋণের সময়সীমা শেষ হলেও তা এক্সটেনশন করা হয়নি। এমনকি তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের গ্যাস এবং বিদ্যুতের লাইনও কেটে দেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে নিয়ে বিরোধী দলের নেতিবাচক মন্তব্যের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু বলেন, রাষ্ট্রপতি কোনো ব্যক্তি নন, তিনি একটি প্রতিষ্ঠান। সাংবিধানিক গণতন্ত্রে বিশ্বাস করলে এই প্রতিষ্ঠানের প্রতি সম্মান জানানো সবার নৈতিক দায়িত্ব।
বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামের বক্তব্যের সমালোচনা করে অর্থমন্ত্রী বলেন, “একজন সদস্য (নাহিদ ইসলাম) প্রেসিডেন্টকে নিয়ে অনেকগুলো কথা বলেছেন। প্রেসিডেন্টের প্রতি আমার ব্যক্তিগত কোনো ভালোবাসা আছে কি না সেটা বড় কথা নয়, কিন্তু ‘প্রেসিডেন্ট ইজ অ্যান ইনস্টিটিউশন, নট এ পারসন’। ওই যে নাহিদ সাহেব শপথ নিয়েছিলেন না প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে? শপথ যখন নিয়েছিলেন, তখন তো প্রেসিডেন্টের কাছেই নিয়েছিলেন। তাহলে কেন নিয়েছিলেন?”
মন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা শপথ নিয়ে মন্ত্রী (উপদেষ্টা) হয়েছিলেন, আমি তখন আপনাদের কৃতিত্ব দিয়েছিলাম। কারণ আপনারা তখন ব্যক্তি নয়, বরং রাষ্ট্রপতির প্রতিষ্ঠানকে সম্মান জানিয়েছিলেন। কিন্তু এখন আপনি মন্ত্রী (উপদেষ্টা) নেই, বিরোধী দলে বসে আছেন বলে রাষ্ট্রপতিকে তার সম্মান থেকে বঞ্চিত করছেন। আপনাদের বক্তব্যে এই বিষয়টি বারবার উঠে আসছে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ গ্রহণের দিনের স্মৃতিচারণ করে আমির খসরু বলেন, ‘যেদিন অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ গ্রহণ করা হয়েছিল, আমাদের বন্ধুরা (বর্তমান বিরোধী দল) সবাই সদলবলে সম্মুখ সারিতে উপস্থিত ছিলেন। আমরা তখন জায়গা না পেয়ে পেছনে বসেছিলাম। সুতরাং এখন এই ধরনের মন্তব্য মানায় না।’

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘বিএনপির তো কোনো ব্যাংক নেই। বাংলাদেশের মানুষ জানে কাদের ব্যাংক আছে। যাদের নিজস্ব ব্যাংক আছে, তাদের দলের সদস্যদের তো ঋণ খেলাপি হওয়ার সুযোগ নেই। কারণ তারা তাদের পছন্দের লোককে চেয়ারম্যান-এমডি বানান, নিজেদের সুবিধামতো নিয়োগ দেন। এই সুযোগ বা সুবিধা তো বিএনপির নেই।’
তিনি আরও বলেন, ব্যাংক-ক্লায়েন্ট রিলেশনশিপ একটি পেশাদার বিষয়। কিন্তু বিএনপির নেতাকর্মীদের ক্ষেত্রে ব্যাংকিং সেক্টরকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে সব ধরনের বাধা সৃষ্টি করা হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
সংসদে দেওয়া ভাষণে ঋণ খেলাপি ও ঋণ পুনঃতফসিলীকরণকে ব্যবসা ও ব্যাংকিং খাতের একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করেছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, গত ১৭ বছর ধরে বিএনপির ব্যবসায়ীদের ওপর যে পরিকল্পিত বাধা সৃষ্টি করা হয়েছিল, তারই ফলস্বরূপ অনেকে আজ ঋণ খেলাপিতে পরিণত হয়েছেন।
আমির খসরু বলেন, ‘যাদের আজ খেলাপি বলা হচ্ছে, তাদের অনেকে দীর্ঘ সময় বাড়িতে থাকতে পারেননি, পালিয়ে বেড়িয়েছেন। অনেকে বছরের পর বছর জেলের মধ্যে ছিলেন। এখন জেলে বসে ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করা কি এতই সহজ ব্যাপার?’
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ঋণ খেলাপি বা পুনঃতফসিলীকরণ— এটি বিএনপি আবিষ্কার করেনি। যতদিন ধরে বিশ্বে ব্যাংকিং ব্যবস্থা আছে, ততদিন ধরে এই প্রক্রিয়া আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। করোনার সময় বা বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের সময় ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হলে বিশ্বব্যাপী ঋণ পুনঃতফসিল করা হয়। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকিং প্র্যাকটিস।’
বিগত সরকারের আমলে বিএনপির ব্যবসায়ীদের প্রতি বৈষম্যের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, গত ১৭ বছর বিএনপির ব্যবসায়ীরা শান্তিতে ব্যবসা করতে পারেননি। তাদেরকে ব্যাংকের স্যাংশন করা লোন পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। ঋণের সময়সীমা শেষ হলেও তা এক্সটেনশন করা হয়নি। এমনকি তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের গ্যাস এবং বিদ্যুতের লাইনও কেটে দেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে নিয়ে বিরোধী দলের নেতিবাচক মন্তব্যের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু বলেন, রাষ্ট্রপতি কোনো ব্যক্তি নন, তিনি একটি প্রতিষ্ঠান। সাংবিধানিক গণতন্ত্রে বিশ্বাস করলে এই প্রতিষ্ঠানের প্রতি সম্মান জানানো সবার নৈতিক দায়িত্ব।
বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামের বক্তব্যের সমালোচনা করে অর্থমন্ত্রী বলেন, “একজন সদস্য (নাহিদ ইসলাম) প্রেসিডেন্টকে নিয়ে অনেকগুলো কথা বলেছেন। প্রেসিডেন্টের প্রতি আমার ব্যক্তিগত কোনো ভালোবাসা আছে কি না সেটা বড় কথা নয়, কিন্তু ‘প্রেসিডেন্ট ইজ অ্যান ইনস্টিটিউশন, নট এ পারসন’। ওই যে নাহিদ সাহেব শপথ নিয়েছিলেন না প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে? শপথ যখন নিয়েছিলেন, তখন তো প্রেসিডেন্টের কাছেই নিয়েছিলেন। তাহলে কেন নিয়েছিলেন?”
মন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা শপথ নিয়ে মন্ত্রী (উপদেষ্টা) হয়েছিলেন, আমি তখন আপনাদের কৃতিত্ব দিয়েছিলাম। কারণ আপনারা তখন ব্যক্তি নয়, বরং রাষ্ট্রপতির প্রতিষ্ঠানকে সম্মান জানিয়েছিলেন। কিন্তু এখন আপনি মন্ত্রী (উপদেষ্টা) নেই, বিরোধী দলে বসে আছেন বলে রাষ্ট্রপতিকে তার সম্মান থেকে বঞ্চিত করছেন। আপনাদের বক্তব্যে এই বিষয়টি বারবার উঠে আসছে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ গ্রহণের দিনের স্মৃতিচারণ করে আমির খসরু বলেন, ‘যেদিন অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ গ্রহণ করা হয়েছিল, আমাদের বন্ধুরা (বর্তমান বিরোধী দল) সবাই সদলবলে সম্মুখ সারিতে উপস্থিত ছিলেন। আমরা তখন জায়গা না পেয়ে পেছনে বসেছিলাম। সুতরাং এখন এই ধরনের মন্তব্য মানায় না।’

জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, এসব রাজনীতিবিদ সাতচল্লিশকে (১৯৪৭ সালে ভারত ভাগ করে ভারত ও পাকিস্তান গঠন) মানেন নাই, একাত্তরকেও (১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ) মানেন নাই। অথচ আজ তারাই সাতচল্লিশের বলিদান নিয়ে কথা বলেন।
৪ ঘণ্টা আগে
জুলাই আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম এবং ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি ও এসপি পদমর্যাদার ১২ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এ প্রজ্ঞাপন জারি করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌছিফ আহমেদ।
৭ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী জানান, এ পর্যন্ত রাজনৈতিক কারণে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মোট ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। আর যেসব হয়রানিমূলক মামলা এখনো প্রত্যাহার হয়নি, সেগুলো প্রত্যাহার করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে