
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

১৯৭১ সালে তৎকালীন জামায়াত নেতা প্রয়াত গোলাম আযমসহ কিছু রাজনীতিবিদ ‘একাত্তরের কসাই’খ্যাত জেনারেল টিক্কা খানের সঙ্গে বৈঠক করে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
তিনি বলেন, এসব রাজনীতিবিদ সাতচল্লিশকে (১৯৪৭ সালে ভারত ভাগ করে ভারত ও পাকিস্তান গঠন) মানেন নাই, একাত্তরকেও (১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ) মানেন নাই। অথচ আজ তারাই সাতচল্লিশের বলিদান নিয়ে কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।
রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় মন্ত্রী বলেন, একাত্তরের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সেনাবাহিনী যখন রাজারবাগে পুলিশ হত্যা করে বিভীষিকা তৈরি করেছিল, জাতি যখন দিশেহারা, তখন আমরা মেজর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা শুনে উজ্জীবিত হয়েছিলাম। কিন্তু দুঃখজনক বিষয়, তখন গোলাম আযমসহ কিছু রাজনীতিবিদ টিক্কা খানের সঙ্গে বৈঠক করে বাঙালিদের দমনে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছিলেন।
ওই বৈঠকের কথা তুলে ধরে টুকু বলেন, ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল ও পরে আবার গোলাম আযম ১২ সদস্যের প্রতিনিধি দল নিয়ে গভর্নর হাউজে টিক্কা খানের সঙ্গে দেখা করেন। তারা শান্তি কমিটি ও রাজাকার বাহিনী গঠন করে মুক্তিকামী বাঙালিদের ওপর অপরাধ চালিয়েছেন। এটা ইতিহাসের ধ্রুব সত্য।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আরও বলেন, একাত্তর বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের গর্ব। একাত্তর না হলে আমরা আজ এই সংসদে বসতে পারতাম না। একাত্তর না হলে আমরা কেউ সংসদ সদস্য হতে পারতাম না। একাত্তর না হলে আমরা এই দেশের মন্ত্রী হতে পারতাম না।
জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে মন্ত্রী বলেন, তাই আমি বলব— যারা বলেন সাতচল্লিশ, তারা সাতচল্লিশকেও মানেন নাই, একাত্তরকেও মানেন নাই। অথচ আজ সাতচল্লিশের বলিদান নিয়ে কথা বলেন। সাতচল্লিশকে তারা কেন বারবার সামনে নিয়ে আসেন, আমি বুঝি না।
বক্তব্যে জ্বালানিমন্ত্রী হিসেবে দেশের বর্তমান জ্বালানি পরিস্থিতিও তুলে ধরেন ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। বলেন, কিছুদিন আগেও পেট্রোল ও বিদ্যুৎ নিয়ে জনমনে উদ্বেগ ছিল। বিরোধী দলের সদস্যরাও এ নিয়ে কথা বলেছিলেন। কিন্তু আল্লাহর রহমতে এখন আর পেট্রোলের লাইন নেই, বিদ্যুতের লোডশেডিংও অনেক কমে গেছে।
এর মধ্যে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় গত সপ্তাহে সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের পাঁচজন করে সংসদ সদস্য নিয়ে কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কমিটির প্রধান হিসেবে রয়েছেন জ্বালানিমন্ত্রী।
এ কমিটির কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, আমরা সরকারি ও বিরোধী দল মিলে কমিটি করেছি, দেশটাকে উন্নতির দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা নিরলস কাজ করছি।

১৯৭১ সালে তৎকালীন জামায়াত নেতা প্রয়াত গোলাম আযমসহ কিছু রাজনীতিবিদ ‘একাত্তরের কসাই’খ্যাত জেনারেল টিক্কা খানের সঙ্গে বৈঠক করে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
তিনি বলেন, এসব রাজনীতিবিদ সাতচল্লিশকে (১৯৪৭ সালে ভারত ভাগ করে ভারত ও পাকিস্তান গঠন) মানেন নাই, একাত্তরকেও (১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ) মানেন নাই। অথচ আজ তারাই সাতচল্লিশের বলিদান নিয়ে কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।
রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় মন্ত্রী বলেন, একাত্তরের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সেনাবাহিনী যখন রাজারবাগে পুলিশ হত্যা করে বিভীষিকা তৈরি করেছিল, জাতি যখন দিশেহারা, তখন আমরা মেজর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা শুনে উজ্জীবিত হয়েছিলাম। কিন্তু দুঃখজনক বিষয়, তখন গোলাম আযমসহ কিছু রাজনীতিবিদ টিক্কা খানের সঙ্গে বৈঠক করে বাঙালিদের দমনে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছিলেন।
ওই বৈঠকের কথা তুলে ধরে টুকু বলেন, ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল ও পরে আবার গোলাম আযম ১২ সদস্যের প্রতিনিধি দল নিয়ে গভর্নর হাউজে টিক্কা খানের সঙ্গে দেখা করেন। তারা শান্তি কমিটি ও রাজাকার বাহিনী গঠন করে মুক্তিকামী বাঙালিদের ওপর অপরাধ চালিয়েছেন। এটা ইতিহাসের ধ্রুব সত্য।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আরও বলেন, একাত্তর বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের গর্ব। একাত্তর না হলে আমরা আজ এই সংসদে বসতে পারতাম না। একাত্তর না হলে আমরা কেউ সংসদ সদস্য হতে পারতাম না। একাত্তর না হলে আমরা এই দেশের মন্ত্রী হতে পারতাম না।
জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে মন্ত্রী বলেন, তাই আমি বলব— যারা বলেন সাতচল্লিশ, তারা সাতচল্লিশকেও মানেন নাই, একাত্তরকেও মানেন নাই। অথচ আজ সাতচল্লিশের বলিদান নিয়ে কথা বলেন। সাতচল্লিশকে তারা কেন বারবার সামনে নিয়ে আসেন, আমি বুঝি না।
বক্তব্যে জ্বালানিমন্ত্রী হিসেবে দেশের বর্তমান জ্বালানি পরিস্থিতিও তুলে ধরেন ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। বলেন, কিছুদিন আগেও পেট্রোল ও বিদ্যুৎ নিয়ে জনমনে উদ্বেগ ছিল। বিরোধী দলের সদস্যরাও এ নিয়ে কথা বলেছিলেন। কিন্তু আল্লাহর রহমতে এখন আর পেট্রোলের লাইন নেই, বিদ্যুতের লোডশেডিংও অনেক কমে গেছে।
এর মধ্যে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় গত সপ্তাহে সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের পাঁচজন করে সংসদ সদস্য নিয়ে কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কমিটির প্রধান হিসেবে রয়েছেন জ্বালানিমন্ত্রী।
এ কমিটির কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, আমরা সরকারি ও বিরোধী দল মিলে কমিটি করেছি, দেশটাকে উন্নতির দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা নিরলস কাজ করছি।

মন্ত্রী জানান, এ পর্যন্ত রাজনৈতিক কারণে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মোট ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। আর যেসব হয়রানিমূলক মামলা এখনো প্রত্যাহার হয়নি, সেগুলো প্রত্যাহার করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন আর্থিক খাতে কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে নিয়োগ দেওয়া হবে না। বিএনপির কোনো সরকার বাংলাদেশে এই সিদ্ধান্ত দেয়নি। বিগত দিনের ইতিহাসে নেই। আপনারা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করবেন আগামীতে যে ব্যাংকিং সেক্টরে বলেন, আর্থিক সেক্টরে বলেন, কোনো পলিট
৫ ঘণ্টা আগে
সরকার আগামী পাঁচ বছরে দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনর্খননের পরিকল্পনা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
৫ ঘণ্টা আগে
আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দেশের শতভাগ শিশুকে হামের টিকার আওতায় আনা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাজধানীর শ্যামলী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট যক্ষ্মা হাসপাতালে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের দেওয়া যক্ষ্মা টিকা হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।
৬ ঘণ্টা আগে