
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বৈশ্বিক মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে গত বছরের তুলনায় তিন ধাপ পিছিয়ে গেছে বাংলাদেশ। রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারসের (আরএসএফ) ২০২৬ সালের সূচকে বাংলাদেশ ১৫২তম স্থান পেয়েছে। গত বছর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৪৯।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) আরএসএফের ওয়েবসাইটে এই সূচক প্রকাশিত হয়েছে। বিশ্বের ১৮০টি দেশকে নিয়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা সংস্থাটি এ সূচক তৈরি করে।
আরএসএফ বলছে, সার্বিকভাবে বিশ্বব্যাপী গত ২৫ বছরের মধ্যে এবারই সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পরিস্থিতি সবচেয়ে বাজে। সূচক চালুর পর থেকে ১৮০ দেশের গড় স্কোর এবারই এসেছে সবচেয়ে কম।
আরএসএফের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তালিকার অর্ধেকেরও বেশি দেশেই স্বাধীন সাংবাদিকতা কঠিন কিংবা অত্যন্ত সংকটপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। ১৮০টি দেশের মধ্যে ১০০টি দেশেই সংবাদপত্রের স্বাধীনতার স্কোর কমেছে। অন্তত ১০০টি দেশ ও অঞ্চলে সাংবাদিকতার পরিবেশের আশঙ্কাজনক অবনতি ঘটেছে।
সূচকের তথ্য বলছে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে ভারত ১৫১তম স্থান থেকে ছয় ধাপ পিছিয়ে ১৫৭-তে স্থান পেয়েছে। অন্যদিকে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও পাকিস্তান গত বছরের ১৫৮তম অবস্থান থেকে পাঁচ ধাপ এগিয়ে ১৫৩তম অবস্থানে উঠে এসেছে।
এদিকে গত ৯ বছরের ধারাবাহিকতায় এবার টানা দশমবারের মতাও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে নরওয়ে। আর তালিকার একদম শেষে স্থান পেয়েছে ইরিত্রিয়া। এ নিয়ে টানা তৃতীয় বছরের মতো ইরিত্রিয়া ১৮০তম স্থান পেয়েছে এ সূচকে।
সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় যুক্তরাষ্ট্রেরও বড় পতন হয়েছে। গত বছর দেশটি ছিল ৫৭তম স্থানে। এবার তারা সাত ধাপ পিছিয়ে ৬৪তম স্থানে নেমে এসেছে। এর নেপথ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পুনরায় ক্ষমতায় আসার যোগসূত্র দেখছে আরএসএফ।
আরএসএফ এক বিবৃতিতে বলেছে, এমন একসময়ে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে যখন ‘সংবাদমাধ্যমের ওপর রাজনৈতিক চাপ তীব্রতর হচ্ছে, কর্তৃত্ববাদী প্রবণতা বাড়ছে এবং গণমাধ্যম বাজার ব্যাপকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে।’
আরএসএফ উদ্বেগ জানিয়ে বলেছে, ২০০১ সাল থেকে, বিশেষ করে জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত কঠোর আইনের বিস্তার গণতান্ত্রিক দেশগুলোতেও তথ্যের অধিকারকে সংকুচিত করছে। এর মধ্যে গত এক বছরে সূচকের আইনি নির্দেশক সবচেয়ে বেশি নিচে নেমেছে। এটি স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়, বিশ্ব জুড়ে সাংবাদিকতাকে ক্রমেই অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করার প্রবণতা বাড়ছে।

বৈশ্বিক মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে গত বছরের তুলনায় তিন ধাপ পিছিয়ে গেছে বাংলাদেশ। রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারসের (আরএসএফ) ২০২৬ সালের সূচকে বাংলাদেশ ১৫২তম স্থান পেয়েছে। গত বছর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৪৯।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) আরএসএফের ওয়েবসাইটে এই সূচক প্রকাশিত হয়েছে। বিশ্বের ১৮০টি দেশকে নিয়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা সংস্থাটি এ সূচক তৈরি করে।
আরএসএফ বলছে, সার্বিকভাবে বিশ্বব্যাপী গত ২৫ বছরের মধ্যে এবারই সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পরিস্থিতি সবচেয়ে বাজে। সূচক চালুর পর থেকে ১৮০ দেশের গড় স্কোর এবারই এসেছে সবচেয়ে কম।
আরএসএফের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তালিকার অর্ধেকেরও বেশি দেশেই স্বাধীন সাংবাদিকতা কঠিন কিংবা অত্যন্ত সংকটপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। ১৮০টি দেশের মধ্যে ১০০টি দেশেই সংবাদপত্রের স্বাধীনতার স্কোর কমেছে। অন্তত ১০০টি দেশ ও অঞ্চলে সাংবাদিকতার পরিবেশের আশঙ্কাজনক অবনতি ঘটেছে।
সূচকের তথ্য বলছে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে ভারত ১৫১তম স্থান থেকে ছয় ধাপ পিছিয়ে ১৫৭-তে স্থান পেয়েছে। অন্যদিকে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও পাকিস্তান গত বছরের ১৫৮তম অবস্থান থেকে পাঁচ ধাপ এগিয়ে ১৫৩তম অবস্থানে উঠে এসেছে।
এদিকে গত ৯ বছরের ধারাবাহিকতায় এবার টানা দশমবারের মতাও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে নরওয়ে। আর তালিকার একদম শেষে স্থান পেয়েছে ইরিত্রিয়া। এ নিয়ে টানা তৃতীয় বছরের মতো ইরিত্রিয়া ১৮০তম স্থান পেয়েছে এ সূচকে।
সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় যুক্তরাষ্ট্রেরও বড় পতন হয়েছে। গত বছর দেশটি ছিল ৫৭তম স্থানে। এবার তারা সাত ধাপ পিছিয়ে ৬৪তম স্থানে নেমে এসেছে। এর নেপথ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পুনরায় ক্ষমতায় আসার যোগসূত্র দেখছে আরএসএফ।
আরএসএফ এক বিবৃতিতে বলেছে, এমন একসময়ে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে যখন ‘সংবাদমাধ্যমের ওপর রাজনৈতিক চাপ তীব্রতর হচ্ছে, কর্তৃত্ববাদী প্রবণতা বাড়ছে এবং গণমাধ্যম বাজার ব্যাপকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে।’
আরএসএফ উদ্বেগ জানিয়ে বলেছে, ২০০১ সাল থেকে, বিশেষ করে জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত কঠোর আইনের বিস্তার গণতান্ত্রিক দেশগুলোতেও তথ্যের অধিকারকে সংকুচিত করছে। এর মধ্যে গত এক বছরে সূচকের আইনি নির্দেশক সবচেয়ে বেশি নিচে নেমেছে। এটি স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়, বিশ্ব জুড়ে সাংবাদিকতাকে ক্রমেই অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করার প্রবণতা বাড়ছে।

দুর্নীতির অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলায় সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম।
১০ ঘণ্টা আগে
তিনি আরও লেখেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে ওঠার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাথমিক শর্ত হলো শিক্ষকদের মান। সক্রেটিস কিংবা প্লেটোর মতো শিক্ষকরা তো গাছতলায়, মাঠে ও বাড়িতে পড়িয়েই একটি সভ্যতা নির্মাণ করে ফেলেছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় মানের সত্যিকারের ভালো শিক্ষক তারাই, যারা স্বাধীনভাবে গবেষণা করার সক্ষমতা রাখে।’
১০ ঘণ্টা আগে
সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করতে গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটি প্রথম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করে।
১১ ঘণ্টা আগে
ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের (এনইসি) প্রথম সাধারণ সভায় অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন যায়যায়দিন সম্পাদক শফিক রেহমান এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন ওয়াদা সম্পাদক শফিকুল আলম।
১১ ঘণ্টা আগে