
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

২০০৬ সালে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েও ‘রাজনৈতিক বিবেচনায়’ পুলিশ বাহিনীতে যোগ দিতে পারেননি ৩৩০ জন। দীর্ঘ ২০ বছর পর ভাগ্য খুলেছে তাদের। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে জানিয়েছে, ২০ বছর আগে নিয়োগের জন্য সার্জেন্ট পদে নির্বাচিত ১২৩ জন ও উপপরিদর্শক (এসআই, নিরস্ত্র) পদে নির্বাচিত ২০৭ জন এবার চাকরিতে যোগ দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
সোমবার (১৬ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখা-২ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ২০০৬ সালে এই ৩৩০ জনের নিয়োগ বাতিলের আদেশটি প্রত্যাহার করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০০৬ সালে নিয়োগের জন্য বাছাই করা ১২৩ জন পুলিশ সার্জেন্ট ও ২০৭ জন এসআইয়ের (নিরস্ত্র) নিয়োগ সে সময় ‘দলীয় বিবেচনায়’ বাতিল করা হয়েছিল। বর্তমানে সেই বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার করে নির্ধারিত শর্তসাপেক্ষে তাদের সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত, যদি ২০০৭ সালে নিয়োগ প্রক্রিয়াটি বাতিল না হতো, তাহলে যেদিন থেকে তারা স্বাভাবিকভাবে সরকারি চাকরিতে যোগদান করতেন, সেই তারিখ থেকে তাদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হবে (আর্থিক সুবিধা ছাড়া)।
২০ বছর পর পুলিশ বাহিনীতে যোগ দিতে যাওয়া এই ৩৩০ জনের মৌলিক প্রশিক্ষণকালসহ শিক্ষানবিশকাল সর্বোচ্চ দুই বছর নির্ধারণ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ফলাফল এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা বিধান অনুযায়ী পরবর্তী ব্যাচের গ্রেডেশন তালিকা নির্ধারণ করা হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, নিয়োগের আগে প্রার্থীদের বৈধতা যাচাই ও পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দেওয়া হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশ মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ২০০৩ সালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছিলেন, ২০০৬ সালে নির্বাচিত হয়েও রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ না পাওয়া পুলিশ সদস্যদের চাকরিতে যোগদানের সুযোগ দেওয়া হবে।

২০০৬ সালে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েও ‘রাজনৈতিক বিবেচনায়’ পুলিশ বাহিনীতে যোগ দিতে পারেননি ৩৩০ জন। দীর্ঘ ২০ বছর পর ভাগ্য খুলেছে তাদের। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে জানিয়েছে, ২০ বছর আগে নিয়োগের জন্য সার্জেন্ট পদে নির্বাচিত ১২৩ জন ও উপপরিদর্শক (এসআই, নিরস্ত্র) পদে নির্বাচিত ২০৭ জন এবার চাকরিতে যোগ দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
সোমবার (১৬ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখা-২ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ২০০৬ সালে এই ৩৩০ জনের নিয়োগ বাতিলের আদেশটি প্রত্যাহার করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০০৬ সালে নিয়োগের জন্য বাছাই করা ১২৩ জন পুলিশ সার্জেন্ট ও ২০৭ জন এসআইয়ের (নিরস্ত্র) নিয়োগ সে সময় ‘দলীয় বিবেচনায়’ বাতিল করা হয়েছিল। বর্তমানে সেই বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার করে নির্ধারিত শর্তসাপেক্ষে তাদের সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত, যদি ২০০৭ সালে নিয়োগ প্রক্রিয়াটি বাতিল না হতো, তাহলে যেদিন থেকে তারা স্বাভাবিকভাবে সরকারি চাকরিতে যোগদান করতেন, সেই তারিখ থেকে তাদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হবে (আর্থিক সুবিধা ছাড়া)।
২০ বছর পর পুলিশ বাহিনীতে যোগ দিতে যাওয়া এই ৩৩০ জনের মৌলিক প্রশিক্ষণকালসহ শিক্ষানবিশকাল সর্বোচ্চ দুই বছর নির্ধারণ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ফলাফল এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা বিধান অনুযায়ী পরবর্তী ব্যাচের গ্রেডেশন তালিকা নির্ধারণ করা হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, নিয়োগের আগে প্রার্থীদের বৈধতা যাচাই ও পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দেওয়া হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশ মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ২০০৩ সালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছিলেন, ২০০৬ সালে নির্বাচিত হয়েও রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ না পাওয়া পুলিশ সদস্যদের চাকরিতে যোগদানের সুযোগ দেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বলেন, ‘সাম্প্রতিক কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও ঝোড়ো আবহাওয়ার কারণে এ অঞ্চলের অনেক কৃষকের আলু ক্ষেত পানিতে ডুবে নষ্ট হয়েছে। আবার শুষ্ক মৌসুমে কৃষকদের সেচের পানির অভাবেও ভোগান্তিতে পড়তে হয়। খাল খনন সম্পন্ন হলে বর্ষাকালে জমে থাকা অতিরিক্ত পানি দ্রুত নেমে যাবে এবং শুষ্ক মৌসুমে খালের
৫ ঘণ্টা আগে
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রত্যেক ভিসির বিষয়ে চেক করেছি, সাইটেশন, কোটেশন, গুগল সার্চ, পিএইচডি, পোস্ট ডক, এমফিল, সব দেখে ক্যাটাগরি করে যারা ভালো পারফরম্যান্স করেছেন, তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’
৬ ঘণ্টা আগে
আগামী বছর থেকে লটারিতে স্কুলে ভর্তি পদ্ধতি থাকবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
৮ ঘণ্টা আগে
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, 'আপনারাই (জনগণ) দেশের মালিক, আমরা কেবল আপনাদের সেবক বা মন্ত্রী হিসেবে কর্মচারী। তাই আমাদের সঙ্গে মালিকের মতোই আচরণ করবেন। আমাদের এমন প্রশ্রয় দেবেন না যে আপনারা প্রজা আর মন্ত্রীরা মালিক। আমি ও আমার সহকর্মীদের সঙ্গে অধিকার নিয়েই কথা বলবেন। অবশ্যই বাঁশে
৮ ঘণ্টা আগে