রাজধানীতে বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন, পুলিশ বলছে ‘আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা’

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার আকতার হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার আকতার হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনাগুলোর পেছনে একটি চক্রের নাশকতার উদ্দেশ্য রয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক তৈরির চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার আকতার হোসেন। তিনি বলেন, “ওই গ্রুপটি নাশকতার উদ্দেশ্যে ও জনমনে আতঙ্ক তৈরি করতে কাজগুলো করছে।”

রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ডিএমপির এই কর্মকর্তা। তিনি জানান, রাজধানীতে ঘটে যাওয়া প্রতিটি ঘটনা পুলিশ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করছে। ইতিমধ্যে এসব ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন এবং একটি দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের সদস্য রয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে আকতার হোসেন বলেন, “এই বিষয় নিয়ে পুলিশের তদন্ত চলছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তদন্ত রিপোর্টের সঙ্গে সমন্বয় করে পুলিশ মোতায়েন করা আছে এবং আমাদের অপারেশনাল কার্যক্রম অব্যাহত আছে।” জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে পুলিশ সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে বলেও জানান তিনি। এ জন্য ডিএমপির বিভিন্ন মোবাইল পার্টি ও পিকেট ডিউটি অব্যাহত রয়েছে।

বিস্ফোরক তৈরির উপাদান উদ্ধারের বিষয়ে জানতে চাইলে উপকমিশনার বলেন, “এর আগেও কিন্তু ডিবি এমন ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার এবং বিস্ফোরক পদার্থ উদ্ধার করেছে। সুতরাং সকল বিষয়ে আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত আছে।” তিনি জানান, এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং নাশকতা প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রাখা হয়েছে।

গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় দাহ্য পদার্থ সংগ্রহের বিষয়ে করা প্রশ্নের জবাবে আকতার হোসেন বলেন, “যে কোনো পদার্থ বিভিন্ন কারণে ব্যবহৃত হতে পারে। আমরা খেয়াল রাখছি, নাশকতার উদ্দেশ্যে কোনো জায়গায় কোনো ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে কিনা। সে ব্যাপারে আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত আছে। আমরা এগুলো মনিটরিং করছি।” তিনি আরও বলেন, “এখন যেহেতু সিসিটিভি ফুটেজে সবকিছু পর্যালোচনা করা যায়, আমরা সিসিটিভি ফুটেজও পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনা করছি।”

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad