দুর্গাপূজায় ৫ দিনের ছুটি, বাড়ল প্রধানমন্ত্রীর অনুদান

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯: ২৪
দুর্গাপূজায় ৫ দিনের ছুটি, বাড়ল প্রধানমন্ত্রীর অনুদান

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি ছুটি একদিন বাড়ানো হয়েছে। আগে নির্ধারিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার নবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি এবং ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমীতে সাধারণ ছুটি ছিল। ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার অফিস-আদালত খোলা থাকার কথা থাকলেও প্রধানমন্ত্রী ওই দিনও ছুটি ঘোষণা করেছেন। এরপর ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় সরকারি চাকরিজীবীরা ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনের ছুটি পাবেন।

এছাড়া, দুর্গোৎসব ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানে চাহিদার চেয়ে বেশি অনুদান বরাদ্দ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দুর্গাপূজার জন্য হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের চাওয়া চার কোটি টাকার বিপরীতে পাঁচ কোটি টাকা এবং কঠিন চীবর দানের জন্য বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের চাওয়া দুই কোটি টাকার পরিবর্তে তিন কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

প্রতি বছর শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে অনুদান দেওয়া হয়। এবার সেই বরাদ্দ আগের তুলনায় এক কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে। একইভাবে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ধর্মীয় আয়োজনেও চাহিদার চেয়ে এক কোটি টাকা বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। গত ২৫ সেপ্টেম্বর বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা পালিত হয়েছে।

সরকারি ছুটির দিনে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সাধারণত বন্ধ থাকে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট শাখা বা বিশেষ সেবা চালু থাকতে পারে। এটিএম, কার্ড ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মতো ডিজিটাল সেবাও সচল থাকার কথা। হাসপাতাল, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহের মতো জরুরি সেবায় নিয়োজিত কর্মীদের ছুটির দিনেও দায়িত্ব পালন করতে হবে। গণমাধ্যমসহ প্রয়োজনীয় কিছু প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও দায়িত্বে থাকবেন।

অনুদান বৃদ্ধি ও ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী একদিন ছুটি বাড়িয়েছেন, কিন্তু আমরা ছুটি পাচ্ছি পাঁচ দিন। এতে উৎসবটা পরিপূর্ণ ও স্বস্তিদায়ক হবে। আর প্রস্তাবের বেশি অনুদান দেওয়া হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান—সব সম্প্রদায়ের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সদয় দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ পেয়েছে। এটা খুবই ইতিবাচক।’

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement