
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

এই দেশ আমাদের প্রথম ও শেষ ঠিকানা মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য আমাদেরকেই কাজ করতে হবে।
আজ শনিবার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন।
সভায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্য প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ অনেক প্রত্যাশা নিয়ে সরকারের দিকে তাকিয়ে আছে।
কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সেই সরকারের অংশ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার তখনি ভালো করবে, যখন আপনারা সরকারকে সহযোগিতা করবেন।
তিনি বলেন, প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের একটি মেনিফেস্টো থাকে। একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাচনী ম্যানিফেস্টো বাস্তবায়নের পক্ষে রায় দিয়েছে। তাই মেনিফেস্টোর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আমাদেরকে কাজ করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী দেশ ও রাষ্ট্রের স্বার্থে গোপনীয়তার বিষয়গুলো মেনে চলার জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা দেন। জাতিকে একটি সুশৃঙ্খল জায়গায় নিয়ে আসতে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের সরকারি নিয়ম-নীতি কঠোরভাবে মেনে চলার ওপর গুরুত্ব করেন।
সভায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, হুমায়ুন কবির, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম, ডা. জাহেদ উর রহমান ও মাহ্দী আমিন উপস্থিত ছিলেন।
সভায় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার স্বাগত বক্তব্য দেন। পরে কার্যালয়ের গঠন ও কার্যাবলি বিষয়ে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী।
স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাত, নারী শিক্ষা, কর্মসংস্থান, ক্রীড়াসহ মেনিফেস্টোতে উল্লিখিত সব এজেন্ডাগুলো বাস্তবায়নে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতা চান উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, তারা যেন নিরাপদ বোধ করে। আমরা সবাই যদি একসঙ্গে কাজ করি তাহলে নিশ্চয়ই এই লক্ষ্য অর্জন করতে পারবো। দেশ থেকে দুর্নীতি দূর করতেও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পূর্ণ সহযোগিতা করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন।

এই দেশ আমাদের প্রথম ও শেষ ঠিকানা মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য আমাদেরকেই কাজ করতে হবে।
আজ শনিবার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন।
সভায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্য প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ অনেক প্রত্যাশা নিয়ে সরকারের দিকে তাকিয়ে আছে।
কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সেই সরকারের অংশ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার তখনি ভালো করবে, যখন আপনারা সরকারকে সহযোগিতা করবেন।
তিনি বলেন, প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের একটি মেনিফেস্টো থাকে। একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাচনী ম্যানিফেস্টো বাস্তবায়নের পক্ষে রায় দিয়েছে। তাই মেনিফেস্টোর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আমাদেরকে কাজ করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী দেশ ও রাষ্ট্রের স্বার্থে গোপনীয়তার বিষয়গুলো মেনে চলার জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা দেন। জাতিকে একটি সুশৃঙ্খল জায়গায় নিয়ে আসতে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের সরকারি নিয়ম-নীতি কঠোরভাবে মেনে চলার ওপর গুরুত্ব করেন।
সভায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, হুমায়ুন কবির, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম, ডা. জাহেদ উর রহমান ও মাহ্দী আমিন উপস্থিত ছিলেন।
সভায় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার স্বাগত বক্তব্য দেন। পরে কার্যালয়ের গঠন ও কার্যাবলি বিষয়ে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী।
স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাত, নারী শিক্ষা, কর্মসংস্থান, ক্রীড়াসহ মেনিফেস্টোতে উল্লিখিত সব এজেন্ডাগুলো বাস্তবায়নে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতা চান উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, তারা যেন নিরাপদ বোধ করে। আমরা সবাই যদি একসঙ্গে কাজ করি তাহলে নিশ্চয়ই এই লক্ষ্য অর্জন করতে পারবো। দেশ থেকে দুর্নীতি দূর করতেও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পূর্ণ সহযোগিতা করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন।

‘সরকার পরিবর্তনের পর আমাদের প্রার্থী পরিবর্তন করা হয়েছে। সাইপ্রাস সারাবছর প্রচার চালিয়েছে, অথচ আমাদের হাতে সময় আছে মাত্র তিন মাস বা তারও কম। এটাই আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।’
৪ ঘণ্টা আগে
শীতলক্ষ্যা নদীর দূষণের বিষয়ে তিনি বলেন, নদী দূষণের ব্যাপারে আমরা পরিবেশ মন্ত্রণালয়কে অবগত করব। আমাদের জায়গা থেকেও কিছু করণীয় আছে। সেগুলো চিহ্নিত করে আমাদের পক্ষ থেকে যে পদক্ষেপগুলো নেওয়া দরকার, সেগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে নেব।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রশাসনিক এই ব্যস্ততা শেষে বিকেলে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর বিশেষ ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তার।
৫ ঘণ্টা আগে
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সংবিধানে ১৩৩টি বিল আছে প্রত্যেকটি অধ্যাদেশই আমরা বাস্তবায়ন করবো।’
৫ ঘণ্টা আগে