
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশে ‘অর্থনৈতিক ইউনিট’ তথা স্থায়ী-অস্থায়ীভাবে পরিচালিত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানো বা ব্যবসা করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২০১৩ সাল থেকে ২০২৪ সালের ব্যবধানে বেড়ে হয়েছে প্রায় দেড়গুণ। একই সময়ে এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত জনবল তথা দেশে কর্মসংস্থান বেড়েছে ২৫ শতাংশ।
এদিকে দেশের ৮৬ শতাংশ উদ্যোক্তা জানিয়েছেন, ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে তাদের প্রধান বাধা পুঁজি বা মূলধনের অভাব। এ ছাড়া সহজে ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা, দক্ষ শ্রমশক্তির অভাব, পর্যাপ্ত কাঁচামালের ঘাটতি, উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়া, পণ্য বিপণনে জটিলতা, অবকাঠামোর অভাব এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটকেও তারা প্রতিবন্ধকতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪-এ এমন তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পরিসংখ্যান ভবনে এ অর্থনৈতিক শুমারির ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
শুমারির তথ্য বলছে, দেশে বর্তমানে পরিচালিত অর্থনৈতিক ইউনিট বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এক কোটি ১৭ লাখ দুই হাজার ৭৯২টি। ২০১৩ সালে এ সংখ্যা ছিল ৭৮ লাখের কিছু বেশি। সে হিসাবে ১১ বছরের ব্যবধানে দেশে অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা বেড়েছে ৪৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ।
এদিকে এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত জনবলের সংখ্যা তিন কোটির বেশি। ২০১৩ সালে এ সংখ্যা ছিল দুই কোটি ৪৫ লাখ ৮৫০ জন। এ হিসাবে এক দশকে কর্মসংস্থান বেড়েছে ২৫ দশমিক শূন্য তিন শতাংশ।
মোট অর্থনৈতিক ইউনিটের মধ্যে ৫৩ শতাংশের বেশি স্থায়ী প্রতিষ্ঠান। আবার এগুলোর একটি বড় অংশ মাইক্রো ও কুটির শিল্প। এর মধ্যে মাইক্রো শিল্প ৫৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ ও কুটির শিল্প ৩৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ।
শুমারির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে গ্রামীণ এলাকায় অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা প্রায় ৭৩ লাখ ৮৬ হাজারো। শহর এলাকায় এ সংখ্যা ৪৩ লাখ ১৭ হাজার। গ্রামীণ ও শহর উভয় এলাকাতেই অর্থনৈতিক ইউনিট বেড়েছে প্রায় সমান হারে।
অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি বলেন, বর্তমান সরকারের উন্নয়ন দর্শনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে তথ্যনির্ভর পরিকল্পনা ও জনকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক নীতি। সে প্রেক্ষাপটে অর্থনৈতিক শুমারি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এর ফলাফল আমাদের অর্থনীতির একটি বিস্তৃত, গতিশীল ও সম্ভাবনাময় চিত্র তুলে ধরে।
এটি দেশের চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারি, যা পরিচালিত হয় ২০২৪ সালের ১০ থেকে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এর আগে ১৯৮৬ সালে, ২০০১-০৩ সালে ও ২০১৩ সালে আগের তিন শুমারি পরিচালিত হয়।
শুমারির ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিবিএসের মহাপরিচালক মো. ফরহাদ সিদ্দিক।

দেশে ‘অর্থনৈতিক ইউনিট’ তথা স্থায়ী-অস্থায়ীভাবে পরিচালিত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানো বা ব্যবসা করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২০১৩ সাল থেকে ২০২৪ সালের ব্যবধানে বেড়ে হয়েছে প্রায় দেড়গুণ। একই সময়ে এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত জনবল তথা দেশে কর্মসংস্থান বেড়েছে ২৫ শতাংশ।
এদিকে দেশের ৮৬ শতাংশ উদ্যোক্তা জানিয়েছেন, ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে তাদের প্রধান বাধা পুঁজি বা মূলধনের অভাব। এ ছাড়া সহজে ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা, দক্ষ শ্রমশক্তির অভাব, পর্যাপ্ত কাঁচামালের ঘাটতি, উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়া, পণ্য বিপণনে জটিলতা, অবকাঠামোর অভাব এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটকেও তারা প্রতিবন্ধকতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪-এ এমন তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পরিসংখ্যান ভবনে এ অর্থনৈতিক শুমারির ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
শুমারির তথ্য বলছে, দেশে বর্তমানে পরিচালিত অর্থনৈতিক ইউনিট বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এক কোটি ১৭ লাখ দুই হাজার ৭৯২টি। ২০১৩ সালে এ সংখ্যা ছিল ৭৮ লাখের কিছু বেশি। সে হিসাবে ১১ বছরের ব্যবধানে দেশে অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা বেড়েছে ৪৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ।
এদিকে এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত জনবলের সংখ্যা তিন কোটির বেশি। ২০১৩ সালে এ সংখ্যা ছিল দুই কোটি ৪৫ লাখ ৮৫০ জন। এ হিসাবে এক দশকে কর্মসংস্থান বেড়েছে ২৫ দশমিক শূন্য তিন শতাংশ।
মোট অর্থনৈতিক ইউনিটের মধ্যে ৫৩ শতাংশের বেশি স্থায়ী প্রতিষ্ঠান। আবার এগুলোর একটি বড় অংশ মাইক্রো ও কুটির শিল্প। এর মধ্যে মাইক্রো শিল্প ৫৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ ও কুটির শিল্প ৩৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ।
শুমারির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে গ্রামীণ এলাকায় অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা প্রায় ৭৩ লাখ ৮৬ হাজারো। শহর এলাকায় এ সংখ্যা ৪৩ লাখ ১৭ হাজার। গ্রামীণ ও শহর উভয় এলাকাতেই অর্থনৈতিক ইউনিট বেড়েছে প্রায় সমান হারে।
অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি বলেন, বর্তমান সরকারের উন্নয়ন দর্শনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে তথ্যনির্ভর পরিকল্পনা ও জনকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক নীতি। সে প্রেক্ষাপটে অর্থনৈতিক শুমারি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এর ফলাফল আমাদের অর্থনীতির একটি বিস্তৃত, গতিশীল ও সম্ভাবনাময় চিত্র তুলে ধরে।
এটি দেশের চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারি, যা পরিচালিত হয় ২০২৪ সালের ১০ থেকে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এর আগে ১৯৮৬ সালে, ২০০১-০৩ সালে ও ২০১৩ সালে আগের তিন শুমারি পরিচালিত হয়।
শুমারির ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিবিএসের মহাপরিচালক মো. ফরহাদ সিদ্দিক।

২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মেঘনা-গোমতী সেতুতে টোল আদায়ে দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আগামী ২০ সেপ্টেম্বর ধার্য করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
পদত্যাগী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ আলী সাংবাদিকদের বলেন, বিরোধী মতের সাতজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল একযোগে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদে মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি নিয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, তাদের সংসদে উপস্থিত থেকে সদস্যদের বক্তব্য শোনা উচিত। তিনি বলেছেন, ‘কোনো রাষ্ট্রীয় কাজ সংসদ অধিবেশনের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। সকল রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডের মধ্যে সংসদ অধিবেশন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়।’
৪ ঘণ্টা আগে
সংসদ সদস্যের বক্তব্যের পর বিষয়গুলো নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
৪ ঘণ্টা আগে