
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট প্রার্থীর সাড়ে ২৫ শতাংশরই কোনো না কোনো ঋণ বা দায় আছে। এসব প্রার্থীর মোট ঋণের পরিমাণ ১৮ হাজার ৮৬৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা। সর্বশেষ পাঁচ নির্বাচনের মধ্যে এবার ঋণ বা দায়গ্রস্ত প্রার্থী সবচেয়ে কম হলেও তাদের মোট ঋণের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে ‘নির্বাচনে হলফনামায় প্রার্থী পরিচিতি: ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন-২০২৬’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
হলফনামায় প্রার্থী পরিচিতি তুলে ধরেন টিআইবির আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হয়, এবারের নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৫৩০ জন প্রার্থীর বিরুদ্ধে বর্তমানে মামলা আছে, যা মোট প্রার্থীর ২২ দশমিক ৬৬ শতাংশ। আর অতীতে মামলা ছিল ৭৪০ জন বা ৩১ দশমিক ৬৪ শতাংশ প্রার্থীর বিরুদ্ধে।
এ বছর অস্থাবর ও স্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্যের ভিত্তিতে কোটিপতি প্রার্থীর সংখ্যা ৮৯১ জন।
অস্থাবর ও স্থাবর সম্পদের মোট মূল্যের ভিত্তিতে ২৭ জন প্রার্থী শত-কোটিপতি।
নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দলের এক হাজার ৯৮১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোট প্রার্থীর ১৩ শতাংশ স্বতন্ত্র। প্রার্থীদের মধ্যে প্রথমবার নির্বাচন করছেন এক হাজার ৬৯৬ জন।
এবার শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকে প্রায় ৭৬ দশমিক ৪২ শতাংশ প্রার্থী স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী। এর মধ্যে স্নাতক ২৮ দশমিক ৩৭ শতাংশ, সবচেয়ে বেশি স্নাতকোত্তর ৪৭ দশমিক ৯৮ শতাংশ। উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেছেন ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ, মাধ্যমিক ৬ শতাংশের কিছু বেশি।
বিগত পাঁচটি নির্বাচনের তুলনায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী এবারই সবচেয়ে বেশি। নবম নির্বাচনে ছিল ৭১ দশমিক ২৩ শতাংশ, দশম নির্বাচনে ৭১ দশমিক ৯১ শতাংশ, একাদশে ৬৭ দশমিক ৩০ শতাংশ এবং দ্বাদশে ছিল ৫৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ।
এবার ৭৬ দশমিক ৪২ শতাংশ।
নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নারীর অংশগ্রহণ খুবই কম। এবার নির্বাচনে ৫ শতাংশ নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়নি। মোট প্রার্থীর মাত্র ৪ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ নারী। জামায়াত ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের ৬ জন এবং বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটে নারী প্রার্থী ২৪ জন।
প্রার্থীদের বয়সভিত্তিক চিত্রে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি প্রার্থী ৪৫–৫৪ বছরের; ৬৫১ জন। এরপর ৫৫–৬৫ বছরের ৫৩১, ৩৫–৪৪ বছরের ৪১৪, ৬৫ বছরের বেশি ৩৭৮, ২৫–৩৪ বছরের ২০৫ জন। বয়স উল্লেখ নেই বা অস্পষ্ট ১০৯ জন প্রার্থীর।
প্রার্থীদের মধ্যে ৪৮ শতাংশের বেশি প্রার্থী মূল পেশা বিবেচনায় ব্যবসায়ী। আইন ও শিক্ষক পেশা হিসেবে দেখিয়েছেন যথাক্রমে ১২ দশমিক ৬১ এবং ১১ দশমিক ৫৬ শতাংশ প্রার্থী। এর পরেই রয়েছেন চাকরিজীবী ও কৃষিজীবী পেশার প্রার্থীরা। এবার রাজনীতিকে পেশা হিসেবে দেখিয়েছেন ১ দশমিক ৫৬ শতাংশ প্রার্থী।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট প্রার্থীর সাড়ে ২৫ শতাংশরই কোনো না কোনো ঋণ বা দায় আছে। এসব প্রার্থীর মোট ঋণের পরিমাণ ১৮ হাজার ৮৬৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা। সর্বশেষ পাঁচ নির্বাচনের মধ্যে এবার ঋণ বা দায়গ্রস্ত প্রার্থী সবচেয়ে কম হলেও তাদের মোট ঋণের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে ‘নির্বাচনে হলফনামায় প্রার্থী পরিচিতি: ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন-২০২৬’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
হলফনামায় প্রার্থী পরিচিতি তুলে ধরেন টিআইবির আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হয়, এবারের নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৫৩০ জন প্রার্থীর বিরুদ্ধে বর্তমানে মামলা আছে, যা মোট প্রার্থীর ২২ দশমিক ৬৬ শতাংশ। আর অতীতে মামলা ছিল ৭৪০ জন বা ৩১ দশমিক ৬৪ শতাংশ প্রার্থীর বিরুদ্ধে।
এ বছর অস্থাবর ও স্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্যের ভিত্তিতে কোটিপতি প্রার্থীর সংখ্যা ৮৯১ জন।
অস্থাবর ও স্থাবর সম্পদের মোট মূল্যের ভিত্তিতে ২৭ জন প্রার্থী শত-কোটিপতি।
নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দলের এক হাজার ৯৮১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোট প্রার্থীর ১৩ শতাংশ স্বতন্ত্র। প্রার্থীদের মধ্যে প্রথমবার নির্বাচন করছেন এক হাজার ৬৯৬ জন।
এবার শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকে প্রায় ৭৬ দশমিক ৪২ শতাংশ প্রার্থী স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী। এর মধ্যে স্নাতক ২৮ দশমিক ৩৭ শতাংশ, সবচেয়ে বেশি স্নাতকোত্তর ৪৭ দশমিক ৯৮ শতাংশ। উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেছেন ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ, মাধ্যমিক ৬ শতাংশের কিছু বেশি।
বিগত পাঁচটি নির্বাচনের তুলনায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী এবারই সবচেয়ে বেশি। নবম নির্বাচনে ছিল ৭১ দশমিক ২৩ শতাংশ, দশম নির্বাচনে ৭১ দশমিক ৯১ শতাংশ, একাদশে ৬৭ দশমিক ৩০ শতাংশ এবং দ্বাদশে ছিল ৫৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ।
এবার ৭৬ দশমিক ৪২ শতাংশ।
নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নারীর অংশগ্রহণ খুবই কম। এবার নির্বাচনে ৫ শতাংশ নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়নি। মোট প্রার্থীর মাত্র ৪ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ নারী। জামায়াত ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের ৬ জন এবং বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটে নারী প্রার্থী ২৪ জন।
প্রার্থীদের বয়সভিত্তিক চিত্রে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি প্রার্থী ৪৫–৫৪ বছরের; ৬৫১ জন। এরপর ৫৫–৬৫ বছরের ৫৩১, ৩৫–৪৪ বছরের ৪১৪, ৬৫ বছরের বেশি ৩৭৮, ২৫–৩৪ বছরের ২০৫ জন। বয়স উল্লেখ নেই বা অস্পষ্ট ১০৯ জন প্রার্থীর।
প্রার্থীদের মধ্যে ৪৮ শতাংশের বেশি প্রার্থী মূল পেশা বিবেচনায় ব্যবসায়ী। আইন ও শিক্ষক পেশা হিসেবে দেখিয়েছেন যথাক্রমে ১২ দশমিক ৬১ এবং ১১ দশমিক ৫৬ শতাংশ প্রার্থী। এর পরেই রয়েছেন চাকরিজীবী ও কৃষিজীবী পেশার প্রার্থীরা। এবার রাজনীতিকে পেশা হিসেবে দেখিয়েছেন ১ দশমিক ৫৬ শতাংশ প্রার্থী।

ইসি মাছউদ বলেন, আমরা বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছি। জাতিকে ভাল নির্বাচন দেয়ার জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত ১৮ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী, পুলিশ বাহিনী, বিজিবি, সেনাবাহিনী, আনসার সবই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। সে ধরনের মানসিকতা তাদের মাঝে রয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ২ হাজার ২৬ জন প্রার্থীর মধ্যে আয়কর রিটার্নের কপি জমা না দেওয়ায় ‘প্রায় অর্ধেকের মনোনয়ন অসম্পূর্ণ’ বলে দাবি করেছে সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন।
৪ ঘণ্টা আগে
শনিবার এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে সিপিডি জানায়, আওয়ামী লীগের বিপুলসংখ্যক সমর্থক ও ভোটার চূড়ান্ত নির্বাচনি ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। তাদের মতামত ও অংশগ্রহণ উপেক্ষা করা হলে নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।
৫ ঘণ্টা আগে
এবার ভোটারদের সুবিধার্থে ভোটকেন্দ্র ও ভোটার নম্বর জানার চারটি সহজ পদ্ধতি চালু করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এসব পদ্ধতির মাধ্যমে ভোটাররা দ্রুত ও নির্ভুলভাবে ভোটার নম্বর এবং ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানতে পারবেন।
৫ ঘণ্টা আগে