
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপিসহ বিভিন্ন মহলের আপত্তির মধ্যেই পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশের খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। সরকার বলছে, জনবান্ধব ও জনমুখী হতে পুলিশ যেন প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করতে পারে, সে বিষয়ে করণীয় নিয়ে পুলিশ কমিশন সরকারকে সুপারিশ করবে। পুলিশকে মানবাধিকার সংবেদনশীল ও আধুনিক করতে করণীয়গুলোও এ কমিশন চিহ্নিত করবে।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ অধ্যাদেশ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এখন রাষ্ট্রপতি এ অধ্যাদেশে সই করলেই পুলিশ কমিশন গঠনের আইনি বৈধতা আনুষ্ঠানিকতা পাবে।
অধ্যাদেশটি জারি হলে পাঁচ সদস্যের একটি কমিশন গঠন করা হবে। এর প্রধান হবেন সুপ্রিম কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। কমিশন নাগরিকের অভিযোগ অনুসন্ধান-নিষ্পত্তি, পুলিশ সদস্যদের সংক্ষোভ নিরসন ইত্যাদি বিষয়ে সরকারের কাছে সুপারিশ করবে।
বৈঠকের পর রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এ সময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ও উপপ্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশের কথা তুলে ধরে পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, সুপ্রিম কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কমিশনের প্রধান হবেন। একজন অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ, অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক পদমর্যাদার নিচে নন এমন কোনো অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, যিনি কর্মরতও হতে পারেন বা অবসরপ্রাপ্তও হতে পারেন এবং মানবাধিকার ও সুশাসন বিষয়ে অন্তত ১৫ বছর অভিজ্ঞতা রয়েছে, এমন একজন ব্যক্তি এই কমিশনের সদস্য হবেন।
কমিশনের নিয়োগপ্রক্রিয়া প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, প্রধান বিচারপতি মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপারসন, সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব ও জাতীয় সংসদের দুজন প্রতিনিধি নিয়ে একটি বাছাই কমিটি থাকবে। ওই কমিটির মাধ্যমে কমিশনের নামগুলো আসবে। তার ভিত্তিতে সরকার নিয়োগ দেবে।
পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশটি গত সপ্তাহ তথা ২৯ নভেম্বরের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকেও উত্থাপিত হয়েছিল। সে দিন আরও বিস্তারিতভাবে ও সংশোধিত আকারে পরের সভায় উত্থাপনের নির্দেশ দেয় উপদেষ্টা পরিষদ। সে অনুযায়ী আজ বৃহস্পতিবার এটি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উত্থাপন করা হয় এবং উপদেষ্টা পরিষদ তাতে অনুমোদন দেয়।
উপদেষ্টা পরিষদের ওই বৈঠকের আগেই বিএনপি এ অধ্যাদেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। ২৮ নভেম্বর এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বিশ্বস্ত সূত্রে আমরা জানতে পেরেছি, তাড়াহুড়া করে দুটি আইন বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পাস করাতে চাইছে। একটি সংশোধিত পুলিশ কমিশন আইন, অন্যটি এনজিও সংক্রান্ত আইন। আমরা মনে করি, নির্বাচনের আগে এ ধরনের আইন পাস করার পেছনে সরকারের ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্য কাজ করছে, যা গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথকে বাধাগ্রস্ত করবে।
এর আগে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এ অধ্যাদেশ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতি দেয়। টিআইবি বলছে, তারা এ অধ্যাদেশের খসড়া বিশ্লেষণ করে কমিশনের বাস্তব স্বাধীনতা ও কার্যকারিতার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বেশকিছু বিষয় চিহ্নিত করেছে। সেসব স্থানে প্রযোজ্য সুপারিশসহ খসড়াটি ঢেলে সাজানোর জন্য সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানায় সংস্থাটি।
টিআইবি বলছে, ঢেলে না সাজালে অধ্যাদেশটি পুলিশ কমিশনের ওপর সরকারের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা এবং কমিশনকে সাবেক আমলা ও পুলিশ কর্মকর্তাদের কর্মক্ষেত্রে পরিণত করার ঝুঁকি রয়েছে।

বিএনপিসহ বিভিন্ন মহলের আপত্তির মধ্যেই পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশের খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। সরকার বলছে, জনবান্ধব ও জনমুখী হতে পুলিশ যেন প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করতে পারে, সে বিষয়ে করণীয় নিয়ে পুলিশ কমিশন সরকারকে সুপারিশ করবে। পুলিশকে মানবাধিকার সংবেদনশীল ও আধুনিক করতে করণীয়গুলোও এ কমিশন চিহ্নিত করবে।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ অধ্যাদেশ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এখন রাষ্ট্রপতি এ অধ্যাদেশে সই করলেই পুলিশ কমিশন গঠনের আইনি বৈধতা আনুষ্ঠানিকতা পাবে।
অধ্যাদেশটি জারি হলে পাঁচ সদস্যের একটি কমিশন গঠন করা হবে। এর প্রধান হবেন সুপ্রিম কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। কমিশন নাগরিকের অভিযোগ অনুসন্ধান-নিষ্পত্তি, পুলিশ সদস্যদের সংক্ষোভ নিরসন ইত্যাদি বিষয়ে সরকারের কাছে সুপারিশ করবে।
বৈঠকের পর রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এ সময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ও উপপ্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশের কথা তুলে ধরে পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, সুপ্রিম কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কমিশনের প্রধান হবেন। একজন অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ, অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক পদমর্যাদার নিচে নন এমন কোনো অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, যিনি কর্মরতও হতে পারেন বা অবসরপ্রাপ্তও হতে পারেন এবং মানবাধিকার ও সুশাসন বিষয়ে অন্তত ১৫ বছর অভিজ্ঞতা রয়েছে, এমন একজন ব্যক্তি এই কমিশনের সদস্য হবেন।
কমিশনের নিয়োগপ্রক্রিয়া প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, প্রধান বিচারপতি মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপারসন, সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব ও জাতীয় সংসদের দুজন প্রতিনিধি নিয়ে একটি বাছাই কমিটি থাকবে। ওই কমিটির মাধ্যমে কমিশনের নামগুলো আসবে। তার ভিত্তিতে সরকার নিয়োগ দেবে।
পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশটি গত সপ্তাহ তথা ২৯ নভেম্বরের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকেও উত্থাপিত হয়েছিল। সে দিন আরও বিস্তারিতভাবে ও সংশোধিত আকারে পরের সভায় উত্থাপনের নির্দেশ দেয় উপদেষ্টা পরিষদ। সে অনুযায়ী আজ বৃহস্পতিবার এটি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উত্থাপন করা হয় এবং উপদেষ্টা পরিষদ তাতে অনুমোদন দেয়।
উপদেষ্টা পরিষদের ওই বৈঠকের আগেই বিএনপি এ অধ্যাদেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। ২৮ নভেম্বর এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বিশ্বস্ত সূত্রে আমরা জানতে পেরেছি, তাড়াহুড়া করে দুটি আইন বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পাস করাতে চাইছে। একটি সংশোধিত পুলিশ কমিশন আইন, অন্যটি এনজিও সংক্রান্ত আইন। আমরা মনে করি, নির্বাচনের আগে এ ধরনের আইন পাস করার পেছনে সরকারের ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্য কাজ করছে, যা গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথকে বাধাগ্রস্ত করবে।
এর আগে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এ অধ্যাদেশ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতি দেয়। টিআইবি বলছে, তারা এ অধ্যাদেশের খসড়া বিশ্লেষণ করে কমিশনের বাস্তব স্বাধীনতা ও কার্যকারিতার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বেশকিছু বিষয় চিহ্নিত করেছে। সেসব স্থানে প্রযোজ্য সুপারিশসহ খসড়াটি ঢেলে সাজানোর জন্য সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানায় সংস্থাটি।
টিআইবি বলছে, ঢেলে না সাজালে অধ্যাদেশটি পুলিশ কমিশনের ওপর সরকারের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা এবং কমিশনকে সাবেক আমলা ও পুলিশ কর্মকর্তাদের কর্মক্ষেত্রে পরিণত করার ঝুঁকি রয়েছে।

২০২৫ সালের হিসাব অনুযায়ী, উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ৯১ কোটি ৬৫ লাখ ১০ হাজার ৮৯৫ টাকা পরিমাণ সম্পদের মালিক। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এই উপদেষ্টার সম্পদ উপদেষ্টা পরিষদের বাকি সবার সম্মিলিত সম্পদের চেয়েও বেশি।
১৩ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, আমি সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর প্রতি আন্তরিক আহ্বান জানাই— নির্বাচনের ফলাফল যা-ই হোক না কেন, ব্যক্তিগত বা দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতির বৃহত্তর স্বার্থকে প্রাধান্য দিন।
১৪ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাদের ২০২৪ ও ২০২৫ সালের সম্পদের বিবরণী থেকে দেখা যায়, এক বছরের ব্যবধানে এই উপদেষ্টার সম্পদ কমলেও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে তার স্ত্রীর সম্পদ। বর্তমানে ফারুকীর মোট সম্পদের চেয়ে তিশার সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৮৪ লাখ টাকা বেশি।
১৪ ঘণ্টা আগে
৫০তম বিসিএসে ক্যাডার ও নন-ক্যাডার মিলিয়ে মোট ২ হাজার ১৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ১ হাজার ৭৫৫টি ক্যাডার পদের বিপরীতে এই নিয়োগ কার্যক্রম চলছে। ক্যাডার পদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নিয়োগ হবে স্বাস্থ্য ক্যাডারে, যেখানে শূন্য পদের সংখ্যা ৬৫০টি। এছাড়া প্রশাসন ক্যাডারে ২০০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ১১৭ জন
১৪ ঘণ্টা আগে