
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ আরও এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এবারে এ কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত করা হয়েছে।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) কমিশনের মেয়াদ বাড়িয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
এর আগে প্রথম দফায় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর করা হয়েছিল। এ সময়ের মধ্যে এই কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোকে সংস্কার প্রক্রিয়ায় সম্মত না করতে না পারলে কমিশনের মেয়াদ বাড়ানো হলো।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদের সই করা সোমবারের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকার এ বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে গঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বর্ধিত করল।
সংবিধান, নির্বাচনসহ বিভিন্ন খাতের সংস্কারে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য গড়তে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সরকার জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করে দেয়। এ কমিশনের প্রধান হিসেবে রয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। কমিশনের সহসভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ।
কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন— জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সদস্য ড. মো. আইয়ুব মিয়া, পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রধান সফর রাজ হোসেন, নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের প্রধান বিচারপতি এমদাদুল হক ও দুদক সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. ইফতেখারুজ্জামান।
পরে জাতীয় ঐক্যমত্য গঠন প্রক্রিয়া যুক্ত করা হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দারকে। কমিশনকে সব ধরনের সাচিবিক সহায়তা দিচ্ছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১২ ফেব্রুয়ারির প্রজ্ঞাপনে ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয় কমিশনের কার্যক্রম শুরুর দিন থেকে ছয় মাস মেয়াদে। ১৫ ফেব্রুয়ারি কমিশন কার্যক্রম শুরু করলে এর মেয়াদ ছিল ১৫ আগস্ট পর্যন্ত। তবে ১৫ আগস্টের মধ্যে কমিশন কাজ শেষ করতে না পারলে ১২ আগস্ট এক প্রজ্ঞাপনে কমিশনের মেয়াদ ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল।
ঐকমত্য কমিশন প্রথম ছয় মাসের মধ্যেই প্রায় ৩০টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে দুই দফায় ৩০ দিনের মতো বৈঠক করে। তাতে বিভিন্ন দলের ভিন্নমতসহ (নোট অব ডিসেন্ট) ৮৪টি বিষয়ে ঐকমত্য হয়। সেসব প্রস্তাব নিয়ে প্রণয়ন করা হয়েছে জুলাই সনদ।
ছয় মাসের মধ্যে মূল আলোচনা শেষ হলেও জুলাই সনদ চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি। প্রথমবার বর্ধিত এক মাসের মধ্যে জুলাই সনদের সমন্বিত পূর্ণাঙ্গ ভাষ্য চূড়ান্ত করা গেলেও তা বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে এখনো রাজনৈতিক দলগুলো একমত হতে পারেনি। সে প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতেই নতুন করে সময় বাড়ানো হলো ঐকমত্য কমিশনের।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ আরও এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এবারে এ কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত করা হয়েছে।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) কমিশনের মেয়াদ বাড়িয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
এর আগে প্রথম দফায় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর করা হয়েছিল। এ সময়ের মধ্যে এই কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোকে সংস্কার প্রক্রিয়ায় সম্মত না করতে না পারলে কমিশনের মেয়াদ বাড়ানো হলো।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদের সই করা সোমবারের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকার এ বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে গঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বর্ধিত করল।
সংবিধান, নির্বাচনসহ বিভিন্ন খাতের সংস্কারে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য গড়তে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সরকার জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করে দেয়। এ কমিশনের প্রধান হিসেবে রয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। কমিশনের সহসভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ।
কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন— জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সদস্য ড. মো. আইয়ুব মিয়া, পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রধান সফর রাজ হোসেন, নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের প্রধান বিচারপতি এমদাদুল হক ও দুদক সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. ইফতেখারুজ্জামান।
পরে জাতীয় ঐক্যমত্য গঠন প্রক্রিয়া যুক্ত করা হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দারকে। কমিশনকে সব ধরনের সাচিবিক সহায়তা দিচ্ছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১২ ফেব্রুয়ারির প্রজ্ঞাপনে ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয় কমিশনের কার্যক্রম শুরুর দিন থেকে ছয় মাস মেয়াদে। ১৫ ফেব্রুয়ারি কমিশন কার্যক্রম শুরু করলে এর মেয়াদ ছিল ১৫ আগস্ট পর্যন্ত। তবে ১৫ আগস্টের মধ্যে কমিশন কাজ শেষ করতে না পারলে ১২ আগস্ট এক প্রজ্ঞাপনে কমিশনের মেয়াদ ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল।
ঐকমত্য কমিশন প্রথম ছয় মাসের মধ্যেই প্রায় ৩০টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে দুই দফায় ৩০ দিনের মতো বৈঠক করে। তাতে বিভিন্ন দলের ভিন্নমতসহ (নোট অব ডিসেন্ট) ৮৪টি বিষয়ে ঐকমত্য হয়। সেসব প্রস্তাব নিয়ে প্রণয়ন করা হয়েছে জুলাই সনদ।
ছয় মাসের মধ্যে মূল আলোচনা শেষ হলেও জুলাই সনদ চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি। প্রথমবার বর্ধিত এক মাসের মধ্যে জুলাই সনদের সমন্বিত পূর্ণাঙ্গ ভাষ্য চূড়ান্ত করা গেলেও তা বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে এখনো রাজনৈতিক দলগুলো একমত হতে পারেনি। সে প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতেই নতুন করে সময় বাড়ানো হলো ঐকমত্য কমিশনের।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অটোরিকশা চলাচল সুশৃঙ্খল করতে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা তৈরির কাজ চলছে। নীতিমালা প্রণয়ন ও অনুমোদনের পর বৈধ ও অনুমোদিত অটোরিকশাকে নম্বর প্লেট ও কিউআর কোডের মাধ্যমে শনাক্ত করা হবে। একই সঙ্গে চালকদের নিবন্ধন ও পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিয়ে লাইসেন্সের আওতায় আনার পরিকল্পনাও
৮ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রদূতের পক্ষ থেকে এমন আগ্রহের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, এফএসআরইউ দ্রুত বাস্তবায়ন ও সরবরাহের সক্ষমতা দেখাতে পারলে মার্কিন কোম্পানিগুলোর প্রস্তাব সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে। কম সময়ে কার্যকর সরবরাহ পরিকল্পনা দিতে পারলে প্রতিযোগিতায় তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।
৯ ঘণ্টা আগে
কর্মসংস্থান ব্যাংককে এ ধরনের কর্মসূচি গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সৃজনশীলতা ও প্রতিভাকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। গানসহ বিভিন্ন সৃজনশীল কাজের সঙ্গে যুক্ত মানুষদেরও প্রমোট করা যেতে পারে। তাদের সৃজনশীলতাকে অর্থনৈতিকভাবে মূল্য সংযোজন করে বাজারজাত করার মাধ্যমে অ
১১ ঘণ্টা আগে
পিপি আজিবুর রহমান আজিজ বলেন, আদালত মেরাজ আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি তিন লাখ টাকা জরিমানা করেছেন। জরিমানার অর্থ আদায় করে শিশুটির পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে