
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের গণভোট সামনে রেখে প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ শুরু হচ্ছে আগামী বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি)। এ কার্যক্রমের আওতায় আট লাখেরও বেশি জনবলকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (ইটিআই) মহাপরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান জানান, নির্বাচনি কর্মকর্তাদের নির্বাচনি আইন-বিধিসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটার প্রায় পৌনে ১৩ কোটি। ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে ভোটকক্ষ থাকবে প্রায় আড়াই লাখ।
ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, প্রতি কেন্দ্রে একজন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, প্রতি ভোটকক্ষে একজন সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও প্রতিটি ভোটকক্ষে দুজন করে পোলিং অফিসার থাকবেন। সব মিলিয়ে একেকটি কেন্দ্রে আট থেকে ১০ জন পোলিং অফিসার প্রয়োজন হবে।
এর বাইরে অতিরিক্ত লোকবলও প্রস্তুত রাখা হবে, যার সংখ্যা ১০ শতাংশের বেশি। সব মিলিয়ে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তার সংখ্যা আট লাখের বেশি। তাদের সবাইকে এ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
এর আগে বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, ডিআইজি, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, রিটার্নিং কর্মকর্তা, হাকিমসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা কর্মকর্তা, নির্বাহী ও বিচারিক হাকিমসহ সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তাদের ঢাকায় নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নিয়ে ধাপে ধাপে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা নিয়ে ব্রিফ করা হয়েছে। এবার ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ হবে স্থানীয় পর্যায়ে।
ভোটের আগে, ভোট চলাকালে এবং ভোট শেষে গণনাসহ ফল তৈরি, নির্বাচনি সরঞ্জাম সংগ্রহ ও ব্যবহারসহ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা, পোলিং এজেন্ট— কার কী দায়িত্ব, কর্তব্য, আইনবিধি সব বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়ে থাকে।
মনোনয়নপত্র জমা, বাছাই ও আপিল শুনানি শেষে সোয়া দুই হাজার বৈধ প্রার্থী রয়েছে। ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর চূড়ান্ত হবে— কতজন প্রার্থী ভোটে থাকবে। পরদিন ২১ জানুয়ারি প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ হবে। ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে ভোটের প্রচার। ভোট নেওয়া হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের গণভোট সামনে রেখে প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ শুরু হচ্ছে আগামী বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি)। এ কার্যক্রমের আওতায় আট লাখেরও বেশি জনবলকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (ইটিআই) মহাপরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান জানান, নির্বাচনি কর্মকর্তাদের নির্বাচনি আইন-বিধিসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটার প্রায় পৌনে ১৩ কোটি। ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে ভোটকক্ষ থাকবে প্রায় আড়াই লাখ।
ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, প্রতি কেন্দ্রে একজন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, প্রতি ভোটকক্ষে একজন সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও প্রতিটি ভোটকক্ষে দুজন করে পোলিং অফিসার থাকবেন। সব মিলিয়ে একেকটি কেন্দ্রে আট থেকে ১০ জন পোলিং অফিসার প্রয়োজন হবে।
এর বাইরে অতিরিক্ত লোকবলও প্রস্তুত রাখা হবে, যার সংখ্যা ১০ শতাংশের বেশি। সব মিলিয়ে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তার সংখ্যা আট লাখের বেশি। তাদের সবাইকে এ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
এর আগে বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, ডিআইজি, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, রিটার্নিং কর্মকর্তা, হাকিমসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা কর্মকর্তা, নির্বাহী ও বিচারিক হাকিমসহ সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তাদের ঢাকায় নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নিয়ে ধাপে ধাপে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা নিয়ে ব্রিফ করা হয়েছে। এবার ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ হবে স্থানীয় পর্যায়ে।
ভোটের আগে, ভোট চলাকালে এবং ভোট শেষে গণনাসহ ফল তৈরি, নির্বাচনি সরঞ্জাম সংগ্রহ ও ব্যবহারসহ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা, পোলিং এজেন্ট— কার কী দায়িত্ব, কর্তব্য, আইনবিধি সব বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়ে থাকে।
মনোনয়নপত্র জমা, বাছাই ও আপিল শুনানি শেষে সোয়া দুই হাজার বৈধ প্রার্থী রয়েছে। ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর চূড়ান্ত হবে— কতজন প্রার্থী ভোটে থাকবে। পরদিন ২১ জানুয়ারি প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ হবে। ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে ভোটের প্রচার। ভোট নেওয়া হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।

আজ শনিবার সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘তুরাগ নদীতে ভাসছে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ’ শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।’
৪ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরে দেশটির কাছ থেকে প্রকল্প সহায়তার বিষয়ে করা প্রশ্নে ‘বিব্রত’ হওয়ার কথা বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এক প্রশ্নের রেশ ধরে তিনি বলেন, ‘উনি নগদ প্রাপ্তির কথা বললেন। ভাই, এ সমস্ত প্রশ্ন করবেন না, আমরা খুব বিব্রত হই। এখানে উনি (প্রধানমন্ত্রী) ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে
৫ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদে ২২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।
৬ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২৭ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, চীনের করিডোর প্রস্তাবটি সরকার খতিয়ে দেখছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো অবস্থান নেওয়া হয়নি। পরিবহন ব্যয় কমানোর সম্ভাবনাই এ প্রস্তাবে সরকারের আগ্রহের অন্যতম কারণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে