
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে কেবল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নয়, বরং বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীরও সম্মতি ছিল বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
তিনি বলেন, ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ আমাদের প্রধান দুটি দলের প্রধানের সঙ্গে নির্বাচনের আগেই কথা বলেছেন। তারা (বিএনপি ও জামায়াতের প্রধান) এতে সম্মতি দিয়েছিলেন। সুতরাং এমন না যে এই চুক্তি আমরা কাউকে অন্ধকারে রেখে করেছি।
বুধবার (৪ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। এ চুক্তি বর্তমান সরকারের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মনে রাখবেন, এতে (মার্কিন চুক্তিতে) একটি এন্ট্রি ক্লজ ও এক্সিট ক্লজ আছে। এন্ট্রি ক্লজ হচ্ছে— নোটিফিকেশন না হলে এটা কার্যকর হবে না। এখনো নোটিফিকেশনে যায়নি। সরকার ইচ্ছা করলে এটি রিভিউ করতে পারে। আর এক্সিট ক্লজ হচ্ছে— আপনি ৬০ দিনের নোটিশ দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারেন। এমন না যে আমরা একটি বন্ধ ঘরে বাংলাদেশকে ঠেলে দিয়েছি।
মার্কিন চুক্তিটি পাঠে বাংলাদেশে ‘বিভ্রান্তি’ আছে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, কেবল বাংলাদেশের সঙ্গে এই চুক্তি দেখলে চলবে না; পাশাপাশি দেখবেন যে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়াসহ অন্যান্য দেশ কী কী দিয়েছে বা কী কী পেয়েছে। তুলনা করলে দেখবেন, সব জায়গায় ভাষা মোটামুটি একই।
গত বছরের এপ্রিলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন দেশের ওপর ‘রিসিপ্রোক্যাল ট্যারিফ’ আরোপ করেন। ওই সময় মার্কিন বাজারে বাংলাদেশি পণ্যে ৩৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়। তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে আলোচনার পর তা ২০ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়। আরও প্রায় আট মাস পর শেষ পর্যন্ত যুক্তরোষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের যে বাণিজ্যচুক্তি সই হয়েছে, তাতে সেই শুল্কের পরিমাণ ১ শতাংশ কমে ১৯ শতাংশে দাঁড়ায়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলি। এপ্রিলে রিসিপ্রোক্যাল টারিফ আরোপ করা হয়। তারপর থেকে আলোচনা শুরু। এপ্রিল থেকে জুলাই টানা আলোচনা চলে। শুধু আমাদের না, আরও অনেক দেশের সঙ্গে রিসিপ্রোক্যাল ট্যারিফ নিয়ে আলোচনা হয় এবং সেই আলোচনার পর আমরা ২০ শতাংশ পেয়েছিলাম।
ওই সময় দুটি বিষয় বাদ দিলে চুক্তি ‘মোটামুটিভাবে হয়ে গেছিল’ উল্লেখ করে খলিলুর রহমান বলেন, প্রথমত, আমরা তাদের বলেছিলাম যে আমেরিকান কটন বা ম্যানমেড ফাইবার দিয়ে তৈরি যে পোশাক আমরা তাদের কাছে পাঠাব, সেখানে আমরা জিরো রিসিপ্রোক্যাল ট্যারিফ চাই। সেটা করতে তাদের সময় লেগেছে, তবে এটা আমাদের স্বার্থে।
দ্বিতীয় বিষয়টি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, রুলস অব অরিজিন। তাতেও তারা সময় নিয়েছে। অ্যাগ্রিমেন্ট আমরা করে রেখেছিলাম ৩১ জুলাই। ১ আগস্ট আমরা ২০ শতাংশ শুল্ক পেয়েছি। সুতরাং, এই চুক্তি যে চট করে নির্বাচনের তিন দিন আগে করা হয়েছে, সেটি ঠিক নয়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে কেবল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নয়, বরং বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীরও সম্মতি ছিল বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
তিনি বলেন, ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ আমাদের প্রধান দুটি দলের প্রধানের সঙ্গে নির্বাচনের আগেই কথা বলেছেন। তারা (বিএনপি ও জামায়াতের প্রধান) এতে সম্মতি দিয়েছিলেন। সুতরাং এমন না যে এই চুক্তি আমরা কাউকে অন্ধকারে রেখে করেছি।
বুধবার (৪ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। এ চুক্তি বর্তমান সরকারের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মনে রাখবেন, এতে (মার্কিন চুক্তিতে) একটি এন্ট্রি ক্লজ ও এক্সিট ক্লজ আছে। এন্ট্রি ক্লজ হচ্ছে— নোটিফিকেশন না হলে এটা কার্যকর হবে না। এখনো নোটিফিকেশনে যায়নি। সরকার ইচ্ছা করলে এটি রিভিউ করতে পারে। আর এক্সিট ক্লজ হচ্ছে— আপনি ৬০ দিনের নোটিশ দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারেন। এমন না যে আমরা একটি বন্ধ ঘরে বাংলাদেশকে ঠেলে দিয়েছি।
মার্কিন চুক্তিটি পাঠে বাংলাদেশে ‘বিভ্রান্তি’ আছে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, কেবল বাংলাদেশের সঙ্গে এই চুক্তি দেখলে চলবে না; পাশাপাশি দেখবেন যে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়াসহ অন্যান্য দেশ কী কী দিয়েছে বা কী কী পেয়েছে। তুলনা করলে দেখবেন, সব জায়গায় ভাষা মোটামুটি একই।
গত বছরের এপ্রিলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন দেশের ওপর ‘রিসিপ্রোক্যাল ট্যারিফ’ আরোপ করেন। ওই সময় মার্কিন বাজারে বাংলাদেশি পণ্যে ৩৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়। তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে আলোচনার পর তা ২০ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়। আরও প্রায় আট মাস পর শেষ পর্যন্ত যুক্তরোষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের যে বাণিজ্যচুক্তি সই হয়েছে, তাতে সেই শুল্কের পরিমাণ ১ শতাংশ কমে ১৯ শতাংশে দাঁড়ায়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলি। এপ্রিলে রিসিপ্রোক্যাল টারিফ আরোপ করা হয়। তারপর থেকে আলোচনা শুরু। এপ্রিল থেকে জুলাই টানা আলোচনা চলে। শুধু আমাদের না, আরও অনেক দেশের সঙ্গে রিসিপ্রোক্যাল ট্যারিফ নিয়ে আলোচনা হয় এবং সেই আলোচনার পর আমরা ২০ শতাংশ পেয়েছিলাম।
ওই সময় দুটি বিষয় বাদ দিলে চুক্তি ‘মোটামুটিভাবে হয়ে গেছিল’ উল্লেখ করে খলিলুর রহমান বলেন, প্রথমত, আমরা তাদের বলেছিলাম যে আমেরিকান কটন বা ম্যানমেড ফাইবার দিয়ে তৈরি যে পোশাক আমরা তাদের কাছে পাঠাব, সেখানে আমরা জিরো রিসিপ্রোক্যাল ট্যারিফ চাই। সেটা করতে তাদের সময় লেগেছে, তবে এটা আমাদের স্বার্থে।
দ্বিতীয় বিষয়টি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, রুলস অব অরিজিন। তাতেও তারা সময় নিয়েছে। অ্যাগ্রিমেন্ট আমরা করে রেখেছিলাম ৩১ জুলাই। ১ আগস্ট আমরা ২০ শতাংশ শুল্ক পেয়েছি। সুতরাং, এই চুক্তি যে চট করে নির্বাচনের তিন দিন আগে করা হয়েছে, সেটি ঠিক নয়।

নাগরিক সেবা আরও সহজ ও কার্যকর করতে জনতা ব্যাংক পিএলসি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মধ্যে নাগরিক সেবা বিষয়ক একটি সমঝোতা চুক্তি (এমওইউ) সই হয়েছে। আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এ সমঝোতা স্মারক সই হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার ভিসা আবেদনকারীদের জন্য ঢাকায় নতুন ভিসা আবেদন কেন্দ্র চালু করেছে ভিএফএস গ্লোবাল। আজ বুধবার রাজধানীর বনানীতে কেন্দ্রটির উদ্বোধন করা হয়। এখন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের আবেদনকারীরা অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে এই কেন্দ্রে ভিসার আবেদন জমা দিতে পারবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের কওমি মাদরাসাগুলোর সমন্বয়, উন্নয়ন ও পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণের জন্য ছয়টি কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে এসব বোর্ডের সনদকে সরকারি ও বেসরকারি মাদরাসার দুটি নির্দিষ্ট পদে নিয়োগের যোগ্যতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টিও সংসদকে জান
৮ ঘণ্টা আগে
এলপিজির দামে কিছুটা স্বস্তি মিললেও সয়াবিন তেলের দামে বাড়ল চাপ। ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। অন্যদিকে বোতলে ভরা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা বাড়িয়ে ২০৪ টাকা করা হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে