
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যেকোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের পূর্বে তাকে গ্রেপ্তারের কারণ জানানোসহ গ্রেপ্তারের সময় পুলিশ কর্মকর্তাকে তার পরিচয় জানাতে হবে বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি।
আসিফ নজরুল বলেন, ‘গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের ইউনিফর্মে নামফলক ও আইডি কার্ড থাকতে হবে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি চাইলে সঙ্গে সঙ্গে সেই আইডি কার্ড দেখাতে হবে। এ নিয়ম এখন বাধ্যতামূলক।’
তিনি আরও জানান, থানায় আনার পর ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির স্বজন, বন্ধু বা আইনজীবীকে অবহিত করতে হবে।
একই সঙ্গে গ্রেপ্তার সংক্রান্ত প্রতিটি ঘটনায় একটি মেমোরেন্ডাম অব অ্যারেস্ট সংরক্ষণ করতে হবে, যেখানে গ্রেপ্তারকারী সংস্থার নাম, কর্মকর্তার পরিচয়, অভিযোগের বিবরণ এবং কোন আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এসব স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে।
আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘পূর্বে বিভিন্ন সংস্থা গ্রেপ্তার করেও দায়িত্ব অস্বীকার করত। আমরা এখন বলেছি, যেই সংস্থা গ্রেপ্তার করুক না কেন, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির সম্পূর্ণ তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট থানায় তা পাঠাতে হবে। এখন আর দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।’
তিনি জানান, সংশোধনীতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন থাকলে বা তিনি অসুস্থবোধ করলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে নিকটস্থ চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।
নতুন আইনে প্রযুক্তিনির্ভর বেশ কিছু বিধানও যুক্ত হয়েছে। যেমন: অনলাইনে জামিন আবেদন (বেল বন্ড) দাখিল, ডিজিটাল মাধ্যমে সমন জারি এবং বিচারিক তদারকি আরও জোরদার করা হয়েছে।
আসিফ নজরুল বলেন, ‘এই আইনের বাস্তবায়ন হলে ইচ্ছেমতো গ্রেপ্তার, হয়রানি, অস্বীকার করা বা গুমের প্রবণতা বন্ধে যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে বলে আমরা মনে করি।’

যেকোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের পূর্বে তাকে গ্রেপ্তারের কারণ জানানোসহ গ্রেপ্তারের সময় পুলিশ কর্মকর্তাকে তার পরিচয় জানাতে হবে বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি।
আসিফ নজরুল বলেন, ‘গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের ইউনিফর্মে নামফলক ও আইডি কার্ড থাকতে হবে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি চাইলে সঙ্গে সঙ্গে সেই আইডি কার্ড দেখাতে হবে। এ নিয়ম এখন বাধ্যতামূলক।’
তিনি আরও জানান, থানায় আনার পর ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির স্বজন, বন্ধু বা আইনজীবীকে অবহিত করতে হবে।
একই সঙ্গে গ্রেপ্তার সংক্রান্ত প্রতিটি ঘটনায় একটি মেমোরেন্ডাম অব অ্যারেস্ট সংরক্ষণ করতে হবে, যেখানে গ্রেপ্তারকারী সংস্থার নাম, কর্মকর্তার পরিচয়, অভিযোগের বিবরণ এবং কোন আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এসব স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে।
আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘পূর্বে বিভিন্ন সংস্থা গ্রেপ্তার করেও দায়িত্ব অস্বীকার করত। আমরা এখন বলেছি, যেই সংস্থা গ্রেপ্তার করুক না কেন, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির সম্পূর্ণ তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট থানায় তা পাঠাতে হবে। এখন আর দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।’
তিনি জানান, সংশোধনীতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন থাকলে বা তিনি অসুস্থবোধ করলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে নিকটস্থ চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।
নতুন আইনে প্রযুক্তিনির্ভর বেশ কিছু বিধানও যুক্ত হয়েছে। যেমন: অনলাইনে জামিন আবেদন (বেল বন্ড) দাখিল, ডিজিটাল মাধ্যমে সমন জারি এবং বিচারিক তদারকি আরও জোরদার করা হয়েছে।
আসিফ নজরুল বলেন, ‘এই আইনের বাস্তবায়ন হলে ইচ্ছেমতো গ্রেপ্তার, হয়রানি, অস্বীকার করা বা গুমের প্রবণতা বন্ধে যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে বলে আমরা মনে করি।’

আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দেশের শতভাগ শিশুকে হামের টিকার আওতায় আনা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাজধানীর শ্যামলী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট যক্ষ্মা হাসপাতালে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের দেওয়া যক্ষ্মা টিকা হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।
৪ ঘণ্টা আগে
বিরোধী দলের প্রবল আপত্তির মুখেই জাতীয় সংসদে পাশ হলো গুরুত্বপূর্ণ দুটি সংশোধনী বিল। বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী কর্তৃক উত্থাপিত ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (সংশোধন) বিল ২০২৬’ এবং ‘বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) বিল ২০২৬’ কণ্ঠভোটে পাশ হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘পৃথিবীর প্রতিটি ধর্মই মানুষকে কল্যাণের দিকে আহ্বান করে। গৌতম বুদ্ধের পঞ্চশীল নীতি- প্রাণী হত্যা, চুরি, ব্যভিচার, মিথ্যা এবং মাদক থেকে বিরত থাকার শিক্ষা প্রতিটি মানুষের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। রা
৫ ঘণ্টা আগে
আইনমন্ত্রী বলেন, পরবর্তীতে যেসব আইনে সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে, সেগুলো সময়ে সময়ে সংশোধনের মাধ্যমে যুগোপযোগী করা হয়েছে। পাশাপাশি, নতুন বাস্তবতার প্রয়োজনে বিভিন্ন নতুন আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে