
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই বিপ্লবের অন্যতম নায়ক শরিফ ওসমান হাদির স্মরণে এবং তার হত্যার বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে ‘শহিদি শপথ’ পাঠ করেছে ইনকিলাব মঞ্চ। মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত কর্মসূচিতে সংগঠনটির সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের শপথ পাঠ করান।
শপথ পাঠের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জাবের বলেন, মৃত্যুর আগমুহূর্ত পর্যন্ত ওসমান হাদি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের কথা বলে গেছেন। তিনি দাবি করেন, ইনকিলাব মঞ্চ শহিদ ওসমান হাদির রক্তের সঙ্গে কোনো ধরনের বেইমানি করবে না এবং তার হত্যার বিচার আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবে।
ওসমান হাদি সহিংসতা পছন্দ করতেন না উল্লেখ করে তিনি বলেন, তার জানাজায় বিপুল মানুষের অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে তিনি জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন। সে সময়ও সংগঠনটি সহিংস কর্মসূচির পথে যায়নি বলে দাবি করেন তিনি।
জাবের আরও বলেন, ওসমান হাদির হত্যাকে শুধু একজন ব্যক্তির ওপর আঘাত নয়, বরং বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের ওপর আঘাত হিসেবে দেখছে ইনকিলাব মঞ্চ। তিনি অভিযোগ করেন, সরকারের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ এবং বিচার প্রক্রিয়ায় গড়িমসি করা হচ্ছে।
তিনি দাবি জানান, আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
এ সময় তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ২৫ ডিসেম্বর রাজনৈতিক ব্যস্ততার সুযোগে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দেশ থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে। হত্যার পেছনে প্রভাবশালী ব্যক্তি রয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব জানান, আগামী ২৫ ডিসেম্বরের পর সারাদেশে ধারাবাহিক কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। তিনি বলেন, দেশ একটি সংকটকাল অতিক্রম করছে এবং এই পরিস্থিতিতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হলে জুলাইয়ের গণআন্দোলনের চেতনা ব্যর্থ হয়ে যাবে—এটি তারা হতে দেবেন না।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই বিপ্লবের অন্যতম নায়ক শরিফ ওসমান হাদির স্মরণে এবং তার হত্যার বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে ‘শহিদি শপথ’ পাঠ করেছে ইনকিলাব মঞ্চ। মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত কর্মসূচিতে সংগঠনটির সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের শপথ পাঠ করান।
শপথ পাঠের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জাবের বলেন, মৃত্যুর আগমুহূর্ত পর্যন্ত ওসমান হাদি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের কথা বলে গেছেন। তিনি দাবি করেন, ইনকিলাব মঞ্চ শহিদ ওসমান হাদির রক্তের সঙ্গে কোনো ধরনের বেইমানি করবে না এবং তার হত্যার বিচার আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবে।
ওসমান হাদি সহিংসতা পছন্দ করতেন না উল্লেখ করে তিনি বলেন, তার জানাজায় বিপুল মানুষের অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে তিনি জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন। সে সময়ও সংগঠনটি সহিংস কর্মসূচির পথে যায়নি বলে দাবি করেন তিনি।
জাবের আরও বলেন, ওসমান হাদির হত্যাকে শুধু একজন ব্যক্তির ওপর আঘাত নয়, বরং বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের ওপর আঘাত হিসেবে দেখছে ইনকিলাব মঞ্চ। তিনি অভিযোগ করেন, সরকারের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ এবং বিচার প্রক্রিয়ায় গড়িমসি করা হচ্ছে।
তিনি দাবি জানান, আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
এ সময় তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ২৫ ডিসেম্বর রাজনৈতিক ব্যস্ততার সুযোগে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দেশ থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে। হত্যার পেছনে প্রভাবশালী ব্যক্তি রয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব জানান, আগামী ২৫ ডিসেম্বরের পর সারাদেশে ধারাবাহিক কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। তিনি বলেন, দেশ একটি সংকটকাল অতিক্রম করছে এবং এই পরিস্থিতিতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হলে জুলাইয়ের গণআন্দোলনের চেতনা ব্যর্থ হয়ে যাবে—এটি তারা হতে দেবেন না।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘সামাজিক আন্দোলনকে অবশ্যই ভিন্নমতের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।’ নারীর অধিকার নিয়ে যাদের সঙ্গে মতের পার্থক্য রয়েছে, তাদের সঙ্গেই কথা বলতে হবে। নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সরকারের ওপর সব দায়িত্ব চাপিয়ে না দিয়ে বৃহত্তর সমাজের সঙ্গে সংলাপ বাড়াতে হবে।
৫ ঘণ্টা আগে
এক ট্রাফিক কর্মকর্তা বলেন, ‘বাংলাদেশে এই প্রথম কোনো মন্ত্রীর গাড়ি উলটোপথে চলার অভিযোগে মামলা হয়েছে। এটা নজিরবিহীন। অতীতেও মন্ত্রীর গাড়ি গন্তব্যে দ্রুত যাওয়ার জন্য অথবা যানজট এড়াতে উলটোপথে যাওয়ার ঘটনা গণমাধ্যমে এলেও মামলার ঘটনা এটিই প্রথম।’
৬ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান বলেছেন, সমাজে ন্যায়বিচার, সমতা, মানবাধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলেই কেবল টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব। একইসঙ্গে শান্তি বিনির্মাণে নারী নেতৃত্ব এগিয়ে নিতে বৈশ্বিক প্রচেষ্টা আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রায় ২০ শতাংশ বাড়লেও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে অনেক গ্রাহকের বিল দ্বিগুণের বেশি হয়েছে বলে জানান তিনি। বলেন, ‘অথচ লোডশেডিংয়ের কারণে তারা আগের তুলনায় কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করছেন। এটা তো লুটপাট। আগে এই অনিয়ম ও চুরি বন্ধ করা দরকার।’
৭ ঘণ্টা আগে