
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কেনায় দুর্নীতির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড (বেক্সিমকো ফার্মা)। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত সংবাদ ও শিরোনামকে অতিরঞ্জিত ও মানহানিকর বলে দাবি করেছে কোম্পানিটি।
বুধবার (১৯ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে কোম্পানিটি বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেছে। কোম্পানির চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) রাব্বুর রেজা বিজ্ঞপ্তিতে সই করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ওষুধ উৎপাদন ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান। বিভিন্ন প্রতিবেদনের মাধ্যমে এর সুনাম ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি হাজারও সম্মানিত শেয়ারহোল্ডারকে ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করেছে। উল্লেখ্য, বেক্সিমকো ফার্মাতে ৩২ শতাংশেরও বেশি শেয়ার বিদেশি মালিকানাধীন।
বেক্সিমকো ফার্মা বিশ্বের বৃহত্তম ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট (এসএসআই) থেকে দেড় কোটি অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিন (কোভিশিল্ড) ডোজ কেনার সঙ্গে যুক্ত ছিল, যার মোট ব্যয় ছিল ৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৮০ কোটি টাকা)। এই সরবরাহের জন্য বেক্সিমকো ফার্মা প্রতি ডোজ ১ মার্কিন ডলার হিসেবে মোট ১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১২০ কোটি টাকা) সার্ভিস ফি হিসাবে পেয়েছিল। ফলে ১৫ মিলিয়ন কোভিশিল্ড ডোজের মোট ব্যয় দাঁড়ায় ৬০০ কোটি টাকা।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও নিউজ পোর্টাল বিভ্রান্তিকরভাবে শিরোনাম প্রকাশ করে বেক্সিমকো ফার্মাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করেছে দাবি করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খবরে বলা হয়েছে যে কোম্পানিটি কোভিড ভ্যাকসিন কেনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতায় ২২ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির তদন্তের আওতায় রয়েছে।
বিভিন্ন প্রতিবেদর তথ্য উদ্ধৃত করে বেক্সিমকো বলছে, কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় ২২ হাজার কোটি টাকা সরকারি তহবিল আত্মসাতের অভিযোগে সালমান এফ রহমান, বেক্সিমকো ফার্মা ও আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে দুদক তদন্ত শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে খবরে এসেছে। এ ছাড়াও প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, সরকার প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ও আলোচনার প্রক্রিয়া এড়িয়ে শুধুমাত্র একটি উৎসের মাধ্যমে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করেছে।
এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বেক্সিমকো বলেছে, কোভিড-১৯ মহামারির সময় ধনী দেশগুলো প্রায় সব ভ্যাকসিন ডোজ আগেই প্রি-বুক করে রেখেছিল। ফলে বাংলাদেশসহ নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলো মারাত্মক অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন উৎস থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করলেও বৈশ্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল ছিল। তাই কোনো প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানই ভ্যাকসিন সরবরাহের নিশ্চয়তা দিতে পারছিল না।
পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে বেক্সিমকো ফার্মা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনকে অগ্রাধিকার দেয় বলে উল্লেখ করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে। বলা হয়, এটি তুলনামূলকভাবে কম ব্যয়বহুল ছিল, পরীক্ষায় প্রাথমিকভাবে ভালো ফলাফল দেখিয়েছিল এবং ফাইজার বা মডার্নার মতো আল্ট্রা-কোল্ড স্টোরেজের প্রয়োজন ছিল না।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বেক্সিমকো ফার্মা বিশ্বের বৃহত্তম ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও কোভিশিল্ডের অনুমোদিত প্রস্তুতকারী ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের (এসএসআই) সঙ্গে আলোচনা শুরু করে। ২০২০ সালের আগস্টে বেক্সিমকো ফার্মা ও সিরাম ইনস্টিটিউট কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বিষয়ে সহযোগিতার সিদ্ধান্ত নেয়, যেখানে বাংলাদেশের চাহিদা পূরণের জন্য সিরাম ইনস্টিটিউট কর্তৃক বেক্সিমকো ফার্মা বাংলাদেশে একমাত্র পরিবেশক হিসেবে মনোনীত হয়।
বেক্সিমকো ফার্মার নিরলস প্রচেষ্টার ফলে বাংলাদেশ ২০২১ সালের ২৫ জানুয়ারি কোভিশিল্ডের প্রথম চালান হিসেবে ৫০ লাখ ডোজ পায় উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এর ফলে অনেক উন্নত দেশের আগেই বাংলাদেশ ২০২১ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশব্যাপী গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু করে। বেক্সিমকো ফার্মার পেশাদারিত্ব, আন্তর্জাতিক খ্যাতি এবং নিরলস প্রচেষ্টার ফলে এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সরকার, বেক্সিমকো ফার্মা ও ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের (এসএসআই) মধ্যে ভ্যাকসিন ক্রয় চুক্তিতে সরকারি ক্রয় বিধি অনুসরণ করা হয়নি বলে প্রতিবেদনগুলোতে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা বস্তুনিষ্ট নয়।
বেক্সিমকোর দাবি, সিরাম ইনস্টিটিউট সরাসরি সরকারের সঙ্গে চুক্তি করতে অস্বীকৃতি জানায়। কারণ প্রতিষ্ঠানটি নিজেরা বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে সক্ষম ছিল না এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এড়িয়ে যেতে চেয়েছিল। এ ছাড়া সরকার সাধারণত বিদেশি প্রস্তুতকারকদের কাছ থেকে সরাসরি ভ্যাকসিন কেনে না। এ ধরনের চাহিদা পূরণ করতে সবসময় একটি নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার মাধ্যমে ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।
বেক্সিমকো ফার্মা একটি দায়িত্বশীল মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে ভ্যাকসিনের সঠিকভাবে প্রাপ্তি সরবরাহ ও বিতরণ নিশ্চিত করেছে বলেও দাবি করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কেনায় দুর্নীতির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড (বেক্সিমকো ফার্মা)। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত সংবাদ ও শিরোনামকে অতিরঞ্জিত ও মানহানিকর বলে দাবি করেছে কোম্পানিটি।
বুধবার (১৯ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে কোম্পানিটি বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেছে। কোম্পানির চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) রাব্বুর রেজা বিজ্ঞপ্তিতে সই করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ওষুধ উৎপাদন ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান। বিভিন্ন প্রতিবেদনের মাধ্যমে এর সুনাম ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি হাজারও সম্মানিত শেয়ারহোল্ডারকে ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করেছে। উল্লেখ্য, বেক্সিমকো ফার্মাতে ৩২ শতাংশেরও বেশি শেয়ার বিদেশি মালিকানাধীন।
বেক্সিমকো ফার্মা বিশ্বের বৃহত্তম ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট (এসএসআই) থেকে দেড় কোটি অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিন (কোভিশিল্ড) ডোজ কেনার সঙ্গে যুক্ত ছিল, যার মোট ব্যয় ছিল ৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৮০ কোটি টাকা)। এই সরবরাহের জন্য বেক্সিমকো ফার্মা প্রতি ডোজ ১ মার্কিন ডলার হিসেবে মোট ১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১২০ কোটি টাকা) সার্ভিস ফি হিসাবে পেয়েছিল। ফলে ১৫ মিলিয়ন কোভিশিল্ড ডোজের মোট ব্যয় দাঁড়ায় ৬০০ কোটি টাকা।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও নিউজ পোর্টাল বিভ্রান্তিকরভাবে শিরোনাম প্রকাশ করে বেক্সিমকো ফার্মাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করেছে দাবি করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খবরে বলা হয়েছে যে কোম্পানিটি কোভিড ভ্যাকসিন কেনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতায় ২২ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির তদন্তের আওতায় রয়েছে।
বিভিন্ন প্রতিবেদর তথ্য উদ্ধৃত করে বেক্সিমকো বলছে, কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় ২২ হাজার কোটি টাকা সরকারি তহবিল আত্মসাতের অভিযোগে সালমান এফ রহমান, বেক্সিমকো ফার্মা ও আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে দুদক তদন্ত শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে খবরে এসেছে। এ ছাড়াও প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, সরকার প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ও আলোচনার প্রক্রিয়া এড়িয়ে শুধুমাত্র একটি উৎসের মাধ্যমে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করেছে।
এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বেক্সিমকো বলেছে, কোভিড-১৯ মহামারির সময় ধনী দেশগুলো প্রায় সব ভ্যাকসিন ডোজ আগেই প্রি-বুক করে রেখেছিল। ফলে বাংলাদেশসহ নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলো মারাত্মক অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন উৎস থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করলেও বৈশ্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল ছিল। তাই কোনো প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানই ভ্যাকসিন সরবরাহের নিশ্চয়তা দিতে পারছিল না।
পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে বেক্সিমকো ফার্মা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনকে অগ্রাধিকার দেয় বলে উল্লেখ করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে। বলা হয়, এটি তুলনামূলকভাবে কম ব্যয়বহুল ছিল, পরীক্ষায় প্রাথমিকভাবে ভালো ফলাফল দেখিয়েছিল এবং ফাইজার বা মডার্নার মতো আল্ট্রা-কোল্ড স্টোরেজের প্রয়োজন ছিল না।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বেক্সিমকো ফার্মা বিশ্বের বৃহত্তম ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও কোভিশিল্ডের অনুমোদিত প্রস্তুতকারী ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের (এসএসআই) সঙ্গে আলোচনা শুরু করে। ২০২০ সালের আগস্টে বেক্সিমকো ফার্মা ও সিরাম ইনস্টিটিউট কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বিষয়ে সহযোগিতার সিদ্ধান্ত নেয়, যেখানে বাংলাদেশের চাহিদা পূরণের জন্য সিরাম ইনস্টিটিউট কর্তৃক বেক্সিমকো ফার্মা বাংলাদেশে একমাত্র পরিবেশক হিসেবে মনোনীত হয়।
বেক্সিমকো ফার্মার নিরলস প্রচেষ্টার ফলে বাংলাদেশ ২০২১ সালের ২৫ জানুয়ারি কোভিশিল্ডের প্রথম চালান হিসেবে ৫০ লাখ ডোজ পায় উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এর ফলে অনেক উন্নত দেশের আগেই বাংলাদেশ ২০২১ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশব্যাপী গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু করে। বেক্সিমকো ফার্মার পেশাদারিত্ব, আন্তর্জাতিক খ্যাতি এবং নিরলস প্রচেষ্টার ফলে এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সরকার, বেক্সিমকো ফার্মা ও ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের (এসএসআই) মধ্যে ভ্যাকসিন ক্রয় চুক্তিতে সরকারি ক্রয় বিধি অনুসরণ করা হয়নি বলে প্রতিবেদনগুলোতে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা বস্তুনিষ্ট নয়।
বেক্সিমকোর দাবি, সিরাম ইনস্টিটিউট সরাসরি সরকারের সঙ্গে চুক্তি করতে অস্বীকৃতি জানায়। কারণ প্রতিষ্ঠানটি নিজেরা বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে সক্ষম ছিল না এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এড়িয়ে যেতে চেয়েছিল। এ ছাড়া সরকার সাধারণত বিদেশি প্রস্তুতকারকদের কাছ থেকে সরাসরি ভ্যাকসিন কেনে না। এ ধরনের চাহিদা পূরণ করতে সবসময় একটি নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার মাধ্যমে ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।
বেক্সিমকো ফার্মা একটি দায়িত্বশীল মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে ভ্যাকসিনের সঠিকভাবে প্রাপ্তি সরবরাহ ও বিতরণ নিশ্চিত করেছে বলেও দাবি করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

বদলির আদেশ পাওয়া কর্মকর্তারা হলেন- পুলিশ সদর দফতরের অতিরিক্ত ডিআইজি এম এ জলিলকে ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়, পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) অতিরিক্ত ডিআইজি মো. সাইফুজ্জামান ফারুকীকে ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন কে গাজীপুর মহানগর পুলিশে
২ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি যে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, তা যেসব কারখানা কার্যকর করবে, তারা প্রয়োজনে পরবর্তীতে যেকোনো দিনে শ্রমিকদের দিয়ে একদিন কাজ করিয়ে সেই ছুটি পুষিয়ে নিতে পারবে।
৩ ঘণ্টা আগে
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, মাসব্যাপী এই বইমেলা আমাদের সংস্কৃতির ঐতিহ্যের অপরিহার্য অংশ। কিন্তু বাস্তবতার কারণে অন্যান্য বছরের মতো এ বছর বইমেলা পহেলা ফেব্রুয়ারি শুরু করা সম্ভব হয়নি। ২০ ফেব্রুয়ারি এবারের বইমেলা শুরু হবে। এছাড়া, প্রকাশকদের দাবির প্রেক্ষিতে গত বছরের তুলনায় স্টলভাড়া ২৫ শতাংশ কমানো হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, রমজানে সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অফিস চলবে। এর মধ্যে দুপুর সোয়া ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত ১৫ মিনিট জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে।
৪ ঘণ্টা আগে