
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে করা ৪১ জন প্রার্থীর আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্টের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর সিসিটিভি ক্যামেরার রেকর্ডসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ সংরক্ষণে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব আবেদনের বিষয়ে ঈদ ও অবকাশকালীন ছুটির পর সিদ্ধান্ত হবে।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনি অনিয়ম-সংক্রান্ত আবেদন শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতি নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল গঠন করেন। এ দায়িত্বে বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের বেঞ্চ গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত ৩৯টি আবেদন গ্রহণ করে আদেশ দেন। পরে গত ১৬ মার্চ বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর একক বেঞ্চে আরও দুটি আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়।
নির্বাচন শেষে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর পরাজিত প্রার্থীরা ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে আদালতের শরণাপন্ন হন। এর মধ্যে বিএনপির ২৫ জন ও জামায়াতের ১৩ জন প্রার্থীর আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, এলডিপি ও একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর আবেদনও গ্রহণ করা হয়েছে। আরও কিছু আবেদন শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানা গেছে।
মামলার বিষয়ে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, আইন অনুযায়ী মামলা করার জন্য ৩০ দিনের সময় ছিল। তার ধারণা, যারা মামলা করার, তারা ইতোমধ্যে করেছেন। তবে বিলম্ব মার্জনার আবেদন করে পরবর্তীতেও মামলা করার সুযোগ রয়েছে।
হাইকোর্টের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে বিএনপির যেসব প্রার্থীর আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে, তাদের মধ্যে ঢাকার প্রার্থীরা হলেন— ঢাকা-৪ আসনে তানভীর আহমেদ রবিন, ঢাকা-১৬ আসনে আমিনুল হক, ঢাকা-৫ আসনে মো. নবী উল্লা ও ঢাকা-১১ আসনে এম এ কাইয়ুম।
ঢাকার বাইরে থেকে বিএনপির যেসব প্রার্থী মামলা করেছেন, তারা হলেন— রাজশাহী-৪ আসনে ডি এম ডি জিয়াউর, পাবনা-৪ আসনে মো. হাবিবুর রহমান হাবিব, কুড়িগ্রাম-২ আসনের সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, রংপুর-৬ আসনে মো. সাইফুল ইসলাম, রংপুর-৪ আসনে মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা, রাজশাহী-১ আসনে মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দিন, ময়মনসিংহ-১ আসনের সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, পাবনা-৩ আসনে মো. হাসান জাফির তুহিন, কুষ্টিয়া-৪ আসনে সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, গাইবান্ধা-৫ আসনে মো. ফারুক আলম সরকার, নীলফামারী-২ আসনে শাহরিন ইসলাম, মাদারীপুর-১ আসনে নাদিরা আক্তার, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে মো. শরীফুজ্জামান, শেরপুর-১ আসনে সানজিলা জেরিন, বাগেরহাট-১ আসনে কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল, নেত্রকোনা-৫ আসনের মো. আবু তাহের, কুমিল্লা-১১ আসনে মো. কামরুল হুদা, ময়মনসিংহ-২ আসনে মোতাহার হোসেন তালুকদার, চাঁদপুর-৪ আসনে মো. হারুনুর রশীদ, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে এম আকবর আলী এবং ময়মনসিংহ-৬ আসনে মো. আখতারুল আলম।
এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর গত ১৪ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে নানা অনিয়মের অভিযোগ তোলে জামায়াতে ইসলামী। দলটির মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জোবায়ের বিভিন্ন আসনে ভোট গণনায় বিলম্ব, পোলিং এজেন্টের স্বাক্ষর ছাড়া ফল প্রকাশ, ভুয়া স্বাক্ষর এবং পেনসিলে ফল লেখাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। অন্তত ৩০টি আসনে কারচুপির অভিযোগে মামলা করার কথা জানানো হলেও এখন পর্যন্ত ১৩ জন জামায়াত প্রার্থীর মামলা করার বিষয়টি সামনে এসেছে। অন্যদের মামলা না করার বিষয়ে জানতে চাইলে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুয়াযযম হোসাইন হেলাল বলেন, অন্যরাও মামলা করবে। প্রয়োজনে বিলম্ব মার্জনার আবেদন করে সেই মামলা করা হবে।
এখন পর্যন্ত জামায়াতের যেসব প্রার্থীর আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে, তারা হলেন— খুলনা-৫ আসনে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, ঢাকা-৬ আসনে আব্দুল মান্নান, ঢাকা-৭ আসনের এনায়েত উল্লাহ, গাইবান্ধা-৪ আসনে আব্দুর রহিম সরকার, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে মো. ইলিয়াছ মোল্লা, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া, লালমনিরহাট-২ আসনে মো. ফিরোজ হায়দার, লালমনিরহাট-১ আসনে আনোয়ারুল ইসলাম রাজু, কক্সবাজার-৪ আসনে নুর আহমেদ আনোয়ারী, পিরোজপুর-২ আসনে শামীম সাঈদী, বরগুনা-২ আসনে ডা. সুলতান আহমদ, ঢাকা-১০ আসনে জসিম উদ্দিন সরকার এবং ময়মনসিংহ-৪ আসনে মোহাম্মদ কামরুল আহসান।
বিএনপি-জামায়াতের বাইরে হাইকোর্টের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছেন— চট্টগ্রাম-১৪ আসনে এলডিপি প্রার্থী ওমর ফারুক, ঢাকা-১৩ আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক এবং কুমিল্লা-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আব্দুল মতিন। তাঁদের আবেদনও শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে করা ৪১ জন প্রার্থীর আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্টের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর সিসিটিভি ক্যামেরার রেকর্ডসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ সংরক্ষণে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব আবেদনের বিষয়ে ঈদ ও অবকাশকালীন ছুটির পর সিদ্ধান্ত হবে।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনি অনিয়ম-সংক্রান্ত আবেদন শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতি নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল গঠন করেন। এ দায়িত্বে বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের বেঞ্চ গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত ৩৯টি আবেদন গ্রহণ করে আদেশ দেন। পরে গত ১৬ মার্চ বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর একক বেঞ্চে আরও দুটি আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়।
নির্বাচন শেষে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর পরাজিত প্রার্থীরা ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে আদালতের শরণাপন্ন হন। এর মধ্যে বিএনপির ২৫ জন ও জামায়াতের ১৩ জন প্রার্থীর আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, এলডিপি ও একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর আবেদনও গ্রহণ করা হয়েছে। আরও কিছু আবেদন শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানা গেছে।
মামলার বিষয়ে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, আইন অনুযায়ী মামলা করার জন্য ৩০ দিনের সময় ছিল। তার ধারণা, যারা মামলা করার, তারা ইতোমধ্যে করেছেন। তবে বিলম্ব মার্জনার আবেদন করে পরবর্তীতেও মামলা করার সুযোগ রয়েছে।
হাইকোর্টের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে বিএনপির যেসব প্রার্থীর আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে, তাদের মধ্যে ঢাকার প্রার্থীরা হলেন— ঢাকা-৪ আসনে তানভীর আহমেদ রবিন, ঢাকা-১৬ আসনে আমিনুল হক, ঢাকা-৫ আসনে মো. নবী উল্লা ও ঢাকা-১১ আসনে এম এ কাইয়ুম।
ঢাকার বাইরে থেকে বিএনপির যেসব প্রার্থী মামলা করেছেন, তারা হলেন— রাজশাহী-৪ আসনে ডি এম ডি জিয়াউর, পাবনা-৪ আসনে মো. হাবিবুর রহমান হাবিব, কুড়িগ্রাম-২ আসনের সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, রংপুর-৬ আসনে মো. সাইফুল ইসলাম, রংপুর-৪ আসনে মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা, রাজশাহী-১ আসনে মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দিন, ময়মনসিংহ-১ আসনের সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, পাবনা-৩ আসনে মো. হাসান জাফির তুহিন, কুষ্টিয়া-৪ আসনে সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, গাইবান্ধা-৫ আসনে মো. ফারুক আলম সরকার, নীলফামারী-২ আসনে শাহরিন ইসলাম, মাদারীপুর-১ আসনে নাদিরা আক্তার, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে মো. শরীফুজ্জামান, শেরপুর-১ আসনে সানজিলা জেরিন, বাগেরহাট-১ আসনে কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল, নেত্রকোনা-৫ আসনের মো. আবু তাহের, কুমিল্লা-১১ আসনে মো. কামরুল হুদা, ময়মনসিংহ-২ আসনে মোতাহার হোসেন তালুকদার, চাঁদপুর-৪ আসনে মো. হারুনুর রশীদ, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে এম আকবর আলী এবং ময়মনসিংহ-৬ আসনে মো. আখতারুল আলম।
এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর গত ১৪ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে নানা অনিয়মের অভিযোগ তোলে জামায়াতে ইসলামী। দলটির মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জোবায়ের বিভিন্ন আসনে ভোট গণনায় বিলম্ব, পোলিং এজেন্টের স্বাক্ষর ছাড়া ফল প্রকাশ, ভুয়া স্বাক্ষর এবং পেনসিলে ফল লেখাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। অন্তত ৩০টি আসনে কারচুপির অভিযোগে মামলা করার কথা জানানো হলেও এখন পর্যন্ত ১৩ জন জামায়াত প্রার্থীর মামলা করার বিষয়টি সামনে এসেছে। অন্যদের মামলা না করার বিষয়ে জানতে চাইলে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুয়াযযম হোসাইন হেলাল বলেন, অন্যরাও মামলা করবে। প্রয়োজনে বিলম্ব মার্জনার আবেদন করে সেই মামলা করা হবে।
এখন পর্যন্ত জামায়াতের যেসব প্রার্থীর আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে, তারা হলেন— খুলনা-৫ আসনে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, ঢাকা-৬ আসনে আব্দুল মান্নান, ঢাকা-৭ আসনের এনায়েত উল্লাহ, গাইবান্ধা-৪ আসনে আব্দুর রহিম সরকার, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে মো. ইলিয়াছ মোল্লা, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া, লালমনিরহাট-২ আসনে মো. ফিরোজ হায়দার, লালমনিরহাট-১ আসনে আনোয়ারুল ইসলাম রাজু, কক্সবাজার-৪ আসনে নুর আহমেদ আনোয়ারী, পিরোজপুর-২ আসনে শামীম সাঈদী, বরগুনা-২ আসনে ডা. সুলতান আহমদ, ঢাকা-১০ আসনে জসিম উদ্দিন সরকার এবং ময়মনসিংহ-৪ আসনে মোহাম্মদ কামরুল আহসান।
বিএনপি-জামায়াতের বাইরে হাইকোর্টের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছেন— চট্টগ্রাম-১৪ আসনে এলডিপি প্রার্থী ওমর ফারুক, ঢাকা-১৩ আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক এবং কুমিল্লা-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আব্দুল মতিন। তাঁদের আবেদনও শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট।

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, দীর্ঘদিন পর অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পর এটিই প্রথম ঈদুল ফিতর। এই ঈদ জামাত আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায়ের সদয় সম্মতি জানিয়েছেন। ফলে সাধারণ মুসল্লিরা রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ
৫ ঘণ্টা আগে
লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ডেপুটি হাইকমিশনার ড. নজরুল ইসলাম।
৫ ঘণ্টা আগে
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ঈদের তারিখ ভিন্ন হতে পারে। ফলে কিছু দেশে একই দিনে ঈদ উদযাপিত হলেও, অন্য দেশে একদিন পর পালিত হবে।
৫ ঘণ্টা আগে
কোনো সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা শঙ্কা না থাকলেও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কয়েক স্তরের সুবিন্যস্ত নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। আর্চওয়ে, মেটাল ডিটেক্টর, সিসিটিভি ক্যামেরা এবং ডগ স্কোয়াডের পাশাপাশি সোয়াট ও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্যরাও মাঠে সক্রিয় থাকবেন। এছাড়া ঈদগাহে আগত মুসল্লিদের নিরাপত্তার স্বার্থে জায়
৬ ঘণ্টা আগে