
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের গাজীপুরের বাড়িতে মারধরে আহত সাতজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে গাজীপুরের ধীরাশ্রমে সাবেক মন্ত্রীর বাসায় ওই হামলার ঘটনা ঘটে। সেখানে আহত প্রায় ১৫ জনকে গাজীপুরের শহিদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে গুরুতর আহতদের ঢামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান জানান, গাজীপুর থেকে মারধরে আহত ১১ জন শুক্রবার দিবাগত রাতে হাসপাতালে আসেন। এর মধ্যে চারজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি সাতজন এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আসাদুজ্জামান বলেন, আহত সাতজনের মধ্যে কাশেম (১৭) নামে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি রাখা হয়েছে। বাকি ছয়জন ইয়াকুব (২৪), শুভ শাহরিয়ার (১৬), গৌরভ ঘোষ (২২), আবদুর রহমান ইমন (২০), সাব্বির খান হিমেল (২২) ও কাজী ওমর হামজাকে (২১) দুয়েক দিনের মধ্যে ছেড়ে দেওয়া হবে।
এর আগে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে একদল বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা গাজীপুর মহানগরের ধীরাশ্রমের দক্ষিণখানে সাবেক মন্ত্রী মোজাম্মেল হকের বাড়িতে হামলা চালান। তারা বাড়ির ভেতরে ঢুকে ভাঙচুর করেন। এ সময় মসজিদের মাইকে মন্ত্রীর বাড়িতে ডাকাত পড়েছে বলে ঘোষণা দিয়ে লোকজনকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়। মাইকিং শুনে আশপাশের লোকজন বাড়িটি ঘিরে ফেলে ভাঙচুরকারী কয়েকজনকে মারধর করেন।
এদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা বলছেন, তাদের কাছে খবর যায় যে সাবেক মন্ত্রীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট করা হচ্ছে। খবর পেয়ে ১৫-১৬ জন দ্রুত সেখানে যান। সেখানে গিয়ে দেখতে পান লুটপাট হচ্ছে। বাধা দিলে পেছন থেকে অনেক মানুষ জড়ো হয়ে তাদের ঘিরে ধরেন। অন্য শিক্ষার্থীরা সেখানে যাওয়ার আগেই তারা প্রথমে যাওয়া শিক্ষার্থীদের মারধরে কুপিয়ে জখম করেন।
এ হামলার প্রতিবাদে শুক্রবার দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। আজ শনিবার তারা বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছেন গাজীপুরে। সেখানে এরই মধ্যে বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়েছে।

সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের গাজীপুরের বাড়িতে মারধরে আহত সাতজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে গাজীপুরের ধীরাশ্রমে সাবেক মন্ত্রীর বাসায় ওই হামলার ঘটনা ঘটে। সেখানে আহত প্রায় ১৫ জনকে গাজীপুরের শহিদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে গুরুতর আহতদের ঢামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান জানান, গাজীপুর থেকে মারধরে আহত ১১ জন শুক্রবার দিবাগত রাতে হাসপাতালে আসেন। এর মধ্যে চারজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি সাতজন এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আসাদুজ্জামান বলেন, আহত সাতজনের মধ্যে কাশেম (১৭) নামে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি রাখা হয়েছে। বাকি ছয়জন ইয়াকুব (২৪), শুভ শাহরিয়ার (১৬), গৌরভ ঘোষ (২২), আবদুর রহমান ইমন (২০), সাব্বির খান হিমেল (২২) ও কাজী ওমর হামজাকে (২১) দুয়েক দিনের মধ্যে ছেড়ে দেওয়া হবে।
এর আগে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে একদল বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা গাজীপুর মহানগরের ধীরাশ্রমের দক্ষিণখানে সাবেক মন্ত্রী মোজাম্মেল হকের বাড়িতে হামলা চালান। তারা বাড়ির ভেতরে ঢুকে ভাঙচুর করেন। এ সময় মসজিদের মাইকে মন্ত্রীর বাড়িতে ডাকাত পড়েছে বলে ঘোষণা দিয়ে লোকজনকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়। মাইকিং শুনে আশপাশের লোকজন বাড়িটি ঘিরে ফেলে ভাঙচুরকারী কয়েকজনকে মারধর করেন।
এদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা বলছেন, তাদের কাছে খবর যায় যে সাবেক মন্ত্রীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট করা হচ্ছে। খবর পেয়ে ১৫-১৬ জন দ্রুত সেখানে যান। সেখানে গিয়ে দেখতে পান লুটপাট হচ্ছে। বাধা দিলে পেছন থেকে অনেক মানুষ জড়ো হয়ে তাদের ঘিরে ধরেন। অন্য শিক্ষার্থীরা সেখানে যাওয়ার আগেই তারা প্রথমে যাওয়া শিক্ষার্থীদের মারধরে কুপিয়ে জখম করেন।
এ হামলার প্রতিবাদে শুক্রবার দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। আজ শনিবার তারা বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছেন গাজীপুরে। সেখানে এরই মধ্যে বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়েছে।

জহির উদ্দিন বলেন, আমি জানি ভয়ের মধ্যে যারা বাস করে তা কি পরিমাণ মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে থাকতে হয়। বিশেষ করে গণমাধ্যমের মতো সম্মানিত পেশায় যারা কাজ করেন তাদেরকে যদি সারাক্ষণ নজরদারির মধ্যে রাখতে হয়। এ সমস্যাটা আমরা জানি।
২ ঘণ্টা আগে
বাহারুল আলম ২০২০ সালে পুলিশের চাকরি থেকে অবসরে গিয়েছিলেন। তবে ২০২৪ সালে ২০ নভেম্বর তাকে দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। চুক্তি অনুযায়ী তার মেয়াদ আছে আরও প্রায় ৯ মাস।
২ ঘণ্টা আগে
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ নেন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা।
২ ঘণ্টা আগে