
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই জাতীয় সনদের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করা হয়েছে। এতে জুলাই জাতীয় সনদ সংবিধান ও আরপিও’র সঙ্গে সাংঘর্ষিক উল্লেখ করে তা বাতিল চাওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট আবেদনটি করেন। আগামী সপ্তাহে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট একটি বেঞ্চে আবেদনটির ওপর শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়ে প্রথমে ছয়টি ও পরে পাঁচটি খাতের জন্য সংস্কার কমিশন গঠন করে। পরে এসব সংস্কার কমিশনের সুপারিশ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য আনতে গঠন করা হয় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এর চেয়ারম্যান ছিলেন, ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ। এ কমিশন ৩০টিরও বেশি রাজনৈতিক দলকে নিয়ে প্রায় আট মাস বৈঠক করে রাষ্ট্র সংস্কারের ৮৪ দফা সম্বলিত জুলাই সনদ প্রণয়ন করে।
জুলাই সনদের বিভিন্ন সুপারিশে বিভিন্ন দলের আপত্তিগুলো 'নোট অব ডিসেন্ট' আকারে উল্লেখ রয়েছে। বলা হয়েছে, কোনো দল নির্বাচনে জিতলে এসব সুপারিশ তাদের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী বাস্তবায়ন করতে পারবে। তবে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তির দাবিতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এতে সই করেনি। নির্বাচনের পর শপথের আগের দিন দলটি এই সনদে সই করে।
পরে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জুলাই আদেশ জারি করেন রাষ্ট্রপতি। তাতে বলা হয়, জুলাই সনদের সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত বিধানগুলো সংশোধনের জন্য গণভোট, আয়োজন করা হবে। গণভোটে 'হ্যাঁ', তথা জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে রায় এলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নিয়ে সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদ গঠন করা হবে। তারা ১৮০ দিনের মধ্যে জুলাই সনদের সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন করবে।
এদিকে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা থাকলে এ ধরনের আদেশ জারির ক্ষমতা সংবিধানে নেই বলে ওই আদেশ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল বিএনপিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। আদেশে জুলাই সনদের ‘নোট অব ডিসেন্ট’ রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী বাস্তবায়নের বিষয়েও উল্লেখ করা হয়নি।
এর মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই অনুষ্ঠিত জুলাই সনদ বাস্তবায়নের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় পেয়েছে। তবে জাতীয় নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেয়নি। দলটি বলছে, এ ধরনের কোনো পরিষদের বিধান সংবিধানে নেই। এ পরিষদের সদস্যরা কার কাছে শপথ নেবেন, সেটিও স্পষ্ট নয়। ফলে সংসদ বসলে এই পরিষদ সংবিধানে যুক্ত করে তারপর তারা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন।
বিএনপির এমন অবস্থানের কারণে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপিসহ ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের নবনির্বাচিতরা সংসদ সদস্য হিসেবেই শপথ নিতে বেঁকে বসেন। পরে অবশ্য তারা সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
আইন ও সংবিধান বিশেষজ্ঞদের অনেকেও সংবিধান সংস্কার পরিষদ ইস্যুতে বিএনপির অবস্থানের সঙ্গে একমত। তারা বলছেন, যেহেতু এখন নতুন সংসদ যাত্রা শুরু করবে, ফলে এই সংসদ সংবিধান সংশোধন করে সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিধান যুক্ত করলে তারপর এই পরিষদের কার্যক্রম আইনানুগ হবে।
তবে বিরোধী দলসহ জুলাই অভ্যুত্থানের নেতাসহ সমর্থকরা বিএনপির কঠোর সমালোচনা করেছেন। তারা বলছেন, বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নিয়ে জুলাই অভ্যুত্থান ও সংস্কারের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে ‘গাদ্দারি’ করেছে।

জুলাই জাতীয় সনদের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করা হয়েছে। এতে জুলাই জাতীয় সনদ সংবিধান ও আরপিও’র সঙ্গে সাংঘর্ষিক উল্লেখ করে তা বাতিল চাওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট আবেদনটি করেন। আগামী সপ্তাহে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট একটি বেঞ্চে আবেদনটির ওপর শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়ে প্রথমে ছয়টি ও পরে পাঁচটি খাতের জন্য সংস্কার কমিশন গঠন করে। পরে এসব সংস্কার কমিশনের সুপারিশ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য আনতে গঠন করা হয় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এর চেয়ারম্যান ছিলেন, ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ। এ কমিশন ৩০টিরও বেশি রাজনৈতিক দলকে নিয়ে প্রায় আট মাস বৈঠক করে রাষ্ট্র সংস্কারের ৮৪ দফা সম্বলিত জুলাই সনদ প্রণয়ন করে।
জুলাই সনদের বিভিন্ন সুপারিশে বিভিন্ন দলের আপত্তিগুলো 'নোট অব ডিসেন্ট' আকারে উল্লেখ রয়েছে। বলা হয়েছে, কোনো দল নির্বাচনে জিতলে এসব সুপারিশ তাদের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী বাস্তবায়ন করতে পারবে। তবে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তির দাবিতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এতে সই করেনি। নির্বাচনের পর শপথের আগের দিন দলটি এই সনদে সই করে।
পরে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জুলাই আদেশ জারি করেন রাষ্ট্রপতি। তাতে বলা হয়, জুলাই সনদের সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত বিধানগুলো সংশোধনের জন্য গণভোট, আয়োজন করা হবে। গণভোটে 'হ্যাঁ', তথা জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে রায় এলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নিয়ে সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদ গঠন করা হবে। তারা ১৮০ দিনের মধ্যে জুলাই সনদের সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন করবে।
এদিকে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা থাকলে এ ধরনের আদেশ জারির ক্ষমতা সংবিধানে নেই বলে ওই আদেশ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল বিএনপিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। আদেশে জুলাই সনদের ‘নোট অব ডিসেন্ট’ রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী বাস্তবায়নের বিষয়েও উল্লেখ করা হয়নি।
এর মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই অনুষ্ঠিত জুলাই সনদ বাস্তবায়নের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় পেয়েছে। তবে জাতীয় নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেয়নি। দলটি বলছে, এ ধরনের কোনো পরিষদের বিধান সংবিধানে নেই। এ পরিষদের সদস্যরা কার কাছে শপথ নেবেন, সেটিও স্পষ্ট নয়। ফলে সংসদ বসলে এই পরিষদ সংবিধানে যুক্ত করে তারপর তারা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন।
বিএনপির এমন অবস্থানের কারণে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপিসহ ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের নবনির্বাচিতরা সংসদ সদস্য হিসেবেই শপথ নিতে বেঁকে বসেন। পরে অবশ্য তারা সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
আইন ও সংবিধান বিশেষজ্ঞদের অনেকেও সংবিধান সংস্কার পরিষদ ইস্যুতে বিএনপির অবস্থানের সঙ্গে একমত। তারা বলছেন, যেহেতু এখন নতুন সংসদ যাত্রা শুরু করবে, ফলে এই সংসদ সংবিধান সংশোধন করে সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিধান যুক্ত করলে তারপর এই পরিষদের কার্যক্রম আইনানুগ হবে।
তবে বিরোধী দলসহ জুলাই অভ্যুত্থানের নেতাসহ সমর্থকরা বিএনপির কঠোর সমালোচনা করেছেন। তারা বলছেন, বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নিয়ে জুলাই অভ্যুত্থান ও সংস্কারের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে ‘গাদ্দারি’ করেছে।

বাহারুল আলম ২০২০ সালে পুলিশের চাকরি থেকে অবসরে গিয়েছিলেন। তবে ২০২৪ সালে ২০ নভেম্বর তাকে দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। চুক্তি অনুযায়ী তার মেয়াদ আছে আরও প্রায় ৯ মাস।
২ ঘণ্টা আগে
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ নেন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা।
৩ ঘণ্টা আগে
দিনভর নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সাজ সাজ রবের মধ্য দিয়ে সচিবালয়ে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে বিশেষ মতবিনিময়ের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু করেন।
৩ ঘণ্টা আগে