
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকার দক্ষিণখানে স্ত্রী আফরোজাকে হত্যার পর মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে কানাডায় পালিয়ে যাওয়া আশরাফুল আলম সুমন প্রায় তিন বছর পর ঢাকায় গ্রেপ্তার হয়েছেন। গ্রেপ্তারের প্রায় এক মাস পর বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন কানাডা থেকে ঢাকায় ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার পর ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে। পরে দক্ষিণখান থানাকে জানানো হলে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়।
বর্তমানে ৫১ বছর বয়সী আশরাফুল কেরাণীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন। তিনি জামিন পাওয়ার চেষ্টা করছেন।
দক্ষিণখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম বৃহস্পতিবার বলেন, আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের পর আশরাফুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। সেই পরোয়ানা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে ছিল।
তিনি বলেন, “নির্বাচনের দিন কানাডা থেকে ঢাকায় পৌঁছালে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয় এবং আমাদের জানায়। পরে আমরা তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠাই।”
নিহত আফরোজার ছোট ভাই মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তারের খবর তারা সঙ্গে সঙ্গে জানতে পারেননি। বলেন, “প্রায় এক মাস পরে মামলার খোঁজ নিতে গিয়ে জানতে পারি আমার বোনের হত্যাকারী গ্রেপ্তার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আদালতে জামিন নাকচ হওয়ার পর এখন সে উচ্চ আদালতে জামিনের চেষ্টা করছে।”
আরিফুলের দাবি, গ্রেপ্তার এড়ানোর কৌশল হিসেবেই আশরাফুল নির্বাচনের দিন দেশে ফিরেছিলেন এবং গ্রেপ্তারের বিষয়টি গোপন রেখে জামিন পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
২০২৩ সালের ২৭ মে ঢাকার দক্ষিণখানের নদ্দাপাড়ায় শ্বশুরবাড়ি থেকে নিখোঁজ হন ৪০ বছর বয়সী আফরোজা। চার দিন পর, ৩১ মে রাতে বাড়ির সীমানার ভেতরে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
আফরোজার বাড়ি নীলফামারীর ডোমার উপজেলার ভোগড়াবুড়ি গ্রামে। বোন নিখোঁজ হওয়ার পর তার ভাই দক্ষিণখান থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন।
পুলিশ জানায়, জিডির তদন্ত করতে গিয়ে আফরোজার শ্বশুর, জা ও ভাসুরের বক্তব্যে সন্দেহ হয় তদন্ত কর্মকর্তার।
তৎকালীন তদন্ত কর্মকর্তা দক্ষিণখান থানার এসআই রেজিয়া খাতুন জানান, কৌশলে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করা হয়। এতে জানা যায়, আফরোজা নিখোঁজ নন; তাকে হত্যা করে বাড়ির সীমানার ভেতরেই মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।
পরে পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে কানাডায় থাকা আশরাফুলের সঙ্গে ভিডিও কলে যোগাযোগ করা হয়। তখন তিনি মরদেহ পুঁতে রাখার স্থান দেখিয়ে দিলে পুলিশ মাটি খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, আফরোজা ও আশরাফুল দীর্ঘদিন কানাডায় বসবাস করতেন। সেখানে পরিচয়ের সূত্রে তাদের বিয়ে হয়। ২০২২ সালে তাদের বিয়ে হলেও ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে তারা বাংলাদেশে এসে নতুন করে কাবিননামা সম্পন্ন করেন।
আফরোজার আগের সংসারের দুই মেয়ে ও এক ছেলে আশরাফুলের সঙ্গেই থাকত। এটি আশরাফুলের চতুর্থ বিয়ে। তার আগের সংসারেও সন্তান রয়েছে।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আশরাফুল ছাড়াও তার ভাই সজীব আলম, বাবা শামছুদ্দিন আহমেদ, খালা আইনজীবী পান্না চৌধুরী এবং সজীবের স্ত্রী তাহমিনা বাশারকে আসামি করা হয়।
ঘটনার পর পুলিশ আশরাফুলের বাবা, ভাই, ভাইয়ের স্ত্রী ও খালাকে গ্রেপ্তার করলেও পরে তারা জামিন পান। একই বছরের ডিসেম্বরে পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।
বর্তমানে মামলাটি জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে। আগামী ৩০ মে অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য আছে।
মামলার অন্যতম আসামি আইনজীবী পান্না চৌধুরী অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
তিনি বলেন, “এই ঘটনার সঙ্গে আমি কোনোভাবেই জড়িত নই। বরং আফরোজার মরদেহ উদ্ধারে আমি পুলিশকে সহায়তা করেছি।”
তিনি আরও বলেন, আশরাফুল কেন দেশে ফিরেছেন তা নিয়েও তার প্রশ্ন রয়েছে। অন্যদিকে আসামিদের একজন ইতোমধ্যে দেশের বাইরে চলে গেছেন বলেও জানা গেছে।
এ বিষয়ে সজীব আলমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

ঢাকার দক্ষিণখানে স্ত্রী আফরোজাকে হত্যার পর মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে কানাডায় পালিয়ে যাওয়া আশরাফুল আলম সুমন প্রায় তিন বছর পর ঢাকায় গ্রেপ্তার হয়েছেন। গ্রেপ্তারের প্রায় এক মাস পর বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন কানাডা থেকে ঢাকায় ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার পর ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে। পরে দক্ষিণখান থানাকে জানানো হলে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়।
বর্তমানে ৫১ বছর বয়সী আশরাফুল কেরাণীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন। তিনি জামিন পাওয়ার চেষ্টা করছেন।
দক্ষিণখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম বৃহস্পতিবার বলেন, আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের পর আশরাফুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। সেই পরোয়ানা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে ছিল।
তিনি বলেন, “নির্বাচনের দিন কানাডা থেকে ঢাকায় পৌঁছালে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয় এবং আমাদের জানায়। পরে আমরা তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠাই।”
নিহত আফরোজার ছোট ভাই মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তারের খবর তারা সঙ্গে সঙ্গে জানতে পারেননি। বলেন, “প্রায় এক মাস পরে মামলার খোঁজ নিতে গিয়ে জানতে পারি আমার বোনের হত্যাকারী গ্রেপ্তার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আদালতে জামিন নাকচ হওয়ার পর এখন সে উচ্চ আদালতে জামিনের চেষ্টা করছে।”
আরিফুলের দাবি, গ্রেপ্তার এড়ানোর কৌশল হিসেবেই আশরাফুল নির্বাচনের দিন দেশে ফিরেছিলেন এবং গ্রেপ্তারের বিষয়টি গোপন রেখে জামিন পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
২০২৩ সালের ২৭ মে ঢাকার দক্ষিণখানের নদ্দাপাড়ায় শ্বশুরবাড়ি থেকে নিখোঁজ হন ৪০ বছর বয়সী আফরোজা। চার দিন পর, ৩১ মে রাতে বাড়ির সীমানার ভেতরে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
আফরোজার বাড়ি নীলফামারীর ডোমার উপজেলার ভোগড়াবুড়ি গ্রামে। বোন নিখোঁজ হওয়ার পর তার ভাই দক্ষিণখান থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন।
পুলিশ জানায়, জিডির তদন্ত করতে গিয়ে আফরোজার শ্বশুর, জা ও ভাসুরের বক্তব্যে সন্দেহ হয় তদন্ত কর্মকর্তার।
তৎকালীন তদন্ত কর্মকর্তা দক্ষিণখান থানার এসআই রেজিয়া খাতুন জানান, কৌশলে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করা হয়। এতে জানা যায়, আফরোজা নিখোঁজ নন; তাকে হত্যা করে বাড়ির সীমানার ভেতরেই মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।
পরে পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে কানাডায় থাকা আশরাফুলের সঙ্গে ভিডিও কলে যোগাযোগ করা হয়। তখন তিনি মরদেহ পুঁতে রাখার স্থান দেখিয়ে দিলে পুলিশ মাটি খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, আফরোজা ও আশরাফুল দীর্ঘদিন কানাডায় বসবাস করতেন। সেখানে পরিচয়ের সূত্রে তাদের বিয়ে হয়। ২০২২ সালে তাদের বিয়ে হলেও ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে তারা বাংলাদেশে এসে নতুন করে কাবিননামা সম্পন্ন করেন।
আফরোজার আগের সংসারের দুই মেয়ে ও এক ছেলে আশরাফুলের সঙ্গেই থাকত। এটি আশরাফুলের চতুর্থ বিয়ে। তার আগের সংসারেও সন্তান রয়েছে।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আশরাফুল ছাড়াও তার ভাই সজীব আলম, বাবা শামছুদ্দিন আহমেদ, খালা আইনজীবী পান্না চৌধুরী এবং সজীবের স্ত্রী তাহমিনা বাশারকে আসামি করা হয়।
ঘটনার পর পুলিশ আশরাফুলের বাবা, ভাই, ভাইয়ের স্ত্রী ও খালাকে গ্রেপ্তার করলেও পরে তারা জামিন পান। একই বছরের ডিসেম্বরে পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।
বর্তমানে মামলাটি জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে। আগামী ৩০ মে অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য আছে।
মামলার অন্যতম আসামি আইনজীবী পান্না চৌধুরী অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
তিনি বলেন, “এই ঘটনার সঙ্গে আমি কোনোভাবেই জড়িত নই। বরং আফরোজার মরদেহ উদ্ধারে আমি পুলিশকে সহায়তা করেছি।”
তিনি আরও বলেন, আশরাফুল কেন দেশে ফিরেছেন তা নিয়েও তার প্রশ্ন রয়েছে। অন্যদিকে আসামিদের একজন ইতোমধ্যে দেশের বাইরে চলে গেছেন বলেও জানা গেছে।
এ বিষয়ে সজীব আলমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

রাজধানীর নদ্দা এলাকায় ফুটওভার ব্রিজের পাশে একটি দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাত ৯টার দিকে এই আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট কাজ করছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
রাগীব সামাদ জানান, ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় তারা দেশে ফিরতে পারছিলেন না। তাই বাংলাদেশ সরকার কাতার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে এই বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করে।
১৭ ঘণ্টা আগে
বইটির প্রধান চরিত্র ‘মাধবী’ আসলে কে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মাধবী কে—এটা অনেক বড় প্রশ্ন। এই প্রশ্নের জবাব যদি আগেই দিয়ে দিই, তাহলে পাঠক বইটি পড়ার আগ্রহ হারাতে পারেন। তাই বিষয়টি আপাতত অপ্রকাশিতই থাকুক।
১৭ ঘণ্টা আগে
এ কর্মসূচি কৃষি ও সেচ কার্যক্রমে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে; কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে এবং গ্রামীণ জনগণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। একইসঙ্গে ভূ-উপরিস্থ পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে ভূ-গর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা হ্রাস পাবে; যার ফলে খরা, বন্যা ও জলাবদ্ধতা হ্রাসে সহায়ক হবে।
১৮ ঘণ্টা আগে