
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ পাস না করে বাতিল করাকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছেন সুপ্রিম কোর্টের সাত আইনজীবী। রিটে অধ্যাদেশের পর তৈরি করা সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কার্যক্রম বহাল রাখার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
রিটটি সোমবার (২০ এপ্রিল) শুনানির জন্য বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের বেঞ্চ ৯৬ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে। রিটের পক্ষে শুনানি করবেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
এর আগে এই সাত আইনজীবীর রিটের পরিপ্রেক্ষিতে তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক সচিবালয় করতে নির্দেশনা দিয়ে রায় দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। গত বছর ওই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে অন্তবর্তী সরকার সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করে অধ্যাদেশ জারি করে। ওই সময় পৃথক সচিবালয় গঠিত হওয়ার পর জনবল নিয়োগসহ প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হয়
বিধি অনুযায়ী, নতুন সরকার গঠনের পর সংসদের প্রথম অধিবেশন বসার ৩০ দিনের মধ্যে কোনো অধ্যাদেশ পাস না হলে তা কার্যকারিতা হারায়। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এমন ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। বিএনপি সরকার গঠনের পর প্রথম অধিবেশনে ১১৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করে পাস করেছে। পৃথক পৃথক বিলের মাধ্যমে বাকি ২০টি অধ্যাদেশ পাস করা হয়নি, তথা বাতিল হয়েছে, যার মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশও রয়েছে।
১৯৭২ সালের সংবিধানে অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত ছিল। ১৯৭৪ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে তা রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত করা হয়। ১৯৭৯ সালে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করার বিষয়টি যুক্ত করা হয়।
সরকারের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগকে স্বাধীন করতে ১৯৯৪ সালে রিট করেন জেলা জজ ও তৎকালীন জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মাসদার হোসেন। ‘মাসদার হোসেন মামলা’ নামে সুপরিচিত এ রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট ১৯৯৭ সালে ওই আবেদনের পক্ষে রায় দেন। এতে বিচার বিভাগ স্বাধীন হওয়ার পথ প্রশস্ত হয়। তবে তা দীর্ঘ দিনেও বাস্তবায়ন হয়নি।
হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে সরকার সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে। প্রায় দুই বছর পর ১৯৯৯ সালে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখেন। ওই সময় আপিল বিভাগ বিচার বিভাগ পৃথক করাসহ ১২ দফা নির্দেশনা দেন।
আপিল বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী ২০০১ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার জন্য খসড়া আইন করা হয়। ওই খসড়া কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের সচিবদের কাছে পাঠানো হয়। তবে পরবর্তী সরকারের বাস্তবায়নের জন্য এটি অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হয়নি। কিন্তু পরবর্তী সরকার হিসেবে বিএনপি ক্ষমতায় এসে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগকে পৃথক করেনি।
বিএনপি সরকারের পতনের পর ২০০৭ সালে সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিচার বিভাগ আলাদা করার উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে। তবে তাদের পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে বিচার বিভাগের সচিবালয় পৃথক করেনি।
আওয়ামী লীগের দেড় দশকের ক্ষমতার অবসানে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এলে সুপ্রিম কোর্টের সাত আইনজীবী ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট অধস্তন আদালতের বিচারকদের পদোন্নতি ও বদলির ক্ষমতা এককভাবে সুপ্রিম কোর্টের হাতে চেয়ে রিট করেন। আবেদনে বলা হয়, সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির ওপর এ দায়িত্ব থাকায় রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের সরাসরি হস্তক্ষেপ দেখা যায়। এটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে খর্ব করে।
রিটের পর রুল জারি করেন হাইকোর্ট। ওই রুল নিষ্পত্তি করে গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল করা হয়, যেখানে রাষ্ট্রপতির পরিবর্তে অধস্তন আদালতের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা সুপ্রিম কোর্টের কাছে ন্যস্ত করা হয়। একই সঙ্গে তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়।
রায়ে বলা হয়, জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয় আছে, যাদের স্বাধীন পরিচয় রয়েছে। অথচ বিচার বিভাগের জন্য কোনো সচিবালয় গঠিত হয়নি। বিচার বিভাগ রাষ্ট্রের স্বাধীন অঙ্গ। পৃথক বিচার বিভাগ সাংবিধানিক অধিকার।
হাইকোর্টের রায়ের পর বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত বছরের ৩০ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়। এরপর ওই বছরের ১১ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কার্যালয় উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।
ওই অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতা ও বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের অনেকেই অংশ নেন। তারা স্বাধীন বিচার বিভাগের পক্ষে ও পৃথক সচিবালয়ের পক্ষে জোরালো বক্তব্য দেন। তবে বিএনপি সরকার গঠনের পর সেই অধ্যাদেশটি বাতিল করা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ পাস না করে বাতিল করাকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছেন সুপ্রিম কোর্টের সাত আইনজীবী। রিটে অধ্যাদেশের পর তৈরি করা সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কার্যক্রম বহাল রাখার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
রিটটি সোমবার (২০ এপ্রিল) শুনানির জন্য বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের বেঞ্চ ৯৬ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে। রিটের পক্ষে শুনানি করবেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
এর আগে এই সাত আইনজীবীর রিটের পরিপ্রেক্ষিতে তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক সচিবালয় করতে নির্দেশনা দিয়ে রায় দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। গত বছর ওই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে অন্তবর্তী সরকার সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করে অধ্যাদেশ জারি করে। ওই সময় পৃথক সচিবালয় গঠিত হওয়ার পর জনবল নিয়োগসহ প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হয়
বিধি অনুযায়ী, নতুন সরকার গঠনের পর সংসদের প্রথম অধিবেশন বসার ৩০ দিনের মধ্যে কোনো অধ্যাদেশ পাস না হলে তা কার্যকারিতা হারায়। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এমন ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। বিএনপি সরকার গঠনের পর প্রথম অধিবেশনে ১১৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করে পাস করেছে। পৃথক পৃথক বিলের মাধ্যমে বাকি ২০টি অধ্যাদেশ পাস করা হয়নি, তথা বাতিল হয়েছে, যার মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশও রয়েছে।
১৯৭২ সালের সংবিধানে অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত ছিল। ১৯৭৪ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে তা রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত করা হয়। ১৯৭৯ সালে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করার বিষয়টি যুক্ত করা হয়।
সরকারের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগকে স্বাধীন করতে ১৯৯৪ সালে রিট করেন জেলা জজ ও তৎকালীন জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মাসদার হোসেন। ‘মাসদার হোসেন মামলা’ নামে সুপরিচিত এ রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট ১৯৯৭ সালে ওই আবেদনের পক্ষে রায় দেন। এতে বিচার বিভাগ স্বাধীন হওয়ার পথ প্রশস্ত হয়। তবে তা দীর্ঘ দিনেও বাস্তবায়ন হয়নি।
হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে সরকার সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে। প্রায় দুই বছর পর ১৯৯৯ সালে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখেন। ওই সময় আপিল বিভাগ বিচার বিভাগ পৃথক করাসহ ১২ দফা নির্দেশনা দেন।
আপিল বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী ২০০১ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার জন্য খসড়া আইন করা হয়। ওই খসড়া কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের সচিবদের কাছে পাঠানো হয়। তবে পরবর্তী সরকারের বাস্তবায়নের জন্য এটি অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হয়নি। কিন্তু পরবর্তী সরকার হিসেবে বিএনপি ক্ষমতায় এসে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগকে পৃথক করেনি।
বিএনপি সরকারের পতনের পর ২০০৭ সালে সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিচার বিভাগ আলাদা করার উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে। তবে তাদের পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে বিচার বিভাগের সচিবালয় পৃথক করেনি।
আওয়ামী লীগের দেড় দশকের ক্ষমতার অবসানে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এলে সুপ্রিম কোর্টের সাত আইনজীবী ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট অধস্তন আদালতের বিচারকদের পদোন্নতি ও বদলির ক্ষমতা এককভাবে সুপ্রিম কোর্টের হাতে চেয়ে রিট করেন। আবেদনে বলা হয়, সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির ওপর এ দায়িত্ব থাকায় রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের সরাসরি হস্তক্ষেপ দেখা যায়। এটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে খর্ব করে।
রিটের পর রুল জারি করেন হাইকোর্ট। ওই রুল নিষ্পত্তি করে গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল করা হয়, যেখানে রাষ্ট্রপতির পরিবর্তে অধস্তন আদালতের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা সুপ্রিম কোর্টের কাছে ন্যস্ত করা হয়। একই সঙ্গে তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়।
রায়ে বলা হয়, জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয় আছে, যাদের স্বাধীন পরিচয় রয়েছে। অথচ বিচার বিভাগের জন্য কোনো সচিবালয় গঠিত হয়নি। বিচার বিভাগ রাষ্ট্রের স্বাধীন অঙ্গ। পৃথক বিচার বিভাগ সাংবিধানিক অধিকার।
হাইকোর্টের রায়ের পর বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত বছরের ৩০ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়। এরপর ওই বছরের ১১ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কার্যালয় উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।
ওই অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতা ও বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের অনেকেই অংশ নেন। তারা স্বাধীন বিচার বিভাগের পক্ষে ও পৃথক সচিবালয়ের পক্ষে জোরালো বক্তব্য দেন। তবে বিএনপি সরকার গঠনের পর সেই অধ্যাদেশটি বাতিল করা হয়েছে।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রেক্ষিতে অযৌক্তিকহারে বাসভাড়া না বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। বাস মালিক সমিতির সরকার সমর্থিত প্রভাবশালী নেতারা অতীতের ফ্যাসিস্ট সরকারের পদাঙ্ক অনুসরণ করে সরকারের সঙ্গে মিলে একচেটিয়া ভাড়া বৃদ্ধির পাঁয়তারা করছে বলেও অভিযোগ করেছে সংগঠনটি।
১৫ ঘণ্টা আগে
অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ নৌপথে যাত্রীবাহী লঞ্চের ভাড়া ৩৬ থেকে ৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল যাত্রী পরিবহন (যাপ) সংস্থা।
১৫ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, সামনে বর্ষা আসছে। বন্যা ও প্লাবন হতে পারে। এক্ষেত্রে আমাদের আগাম কি কি কাজ করা দরকার সেসব বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়েছে। আমাদের পরিকল্পনাগুলো তাকে অবহিত করেছি।
১৬ ঘণ্টা আগে
জানা যায়, দুদিনের সফরে সোমবার (২০ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বেইজিং যাচ্ছেন। তিনি সেখানে অনুষ্ঠেয় ‘থার্ড হাই-লেভেল কনফারেন্স অব দ্য ফোরাম অন গ্লোবাল অ্যাকশন ফর শেয়ারড ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন। ফোরামে তিনি বক্তব্
১৭ ঘণ্টা আগে