
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি নাইমা হায়দারের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) আইন মন্ত্রণালয়ের পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি নাইমা হায়দার গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের দফা (৮) অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির উদ্দেশে সইযুক্ত চিঠিতে পদত্যাগ করেছেন। রাষ্ট্রপতি তাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন।
পদত্যাগ করা দুই বিচারপতির মধ্যে মামনুন রহমান ২০০৪ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকার সময় বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। তিনি বিএনপি সমর্থিত আইনজীবী প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও করেছিলেন।
চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে অবস্থানরত মামনুন রহমান ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন। রাষ্ট্রপতি বরাবর পদত্যাগপত্রটি তিনি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ও আইন মন্ত্রণালয়ের ইমেইলে পাঠান।
এদিকে গত ৯ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দার পদত্যাগ করেন। তার পদত্যাগপত্রটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়।
সেদিন সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বিচারপতি নাইমা হায়দার নিজ হাতে নিজের সই করা চিঠির মাধ্যমে পদত্যাগ করার ইচ্ছা পোষণ করে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। এরই মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট থেকে পদত্যাগপত্রটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো।

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি নাইমা হায়দারের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) আইন মন্ত্রণালয়ের পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি নাইমা হায়দার গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের দফা (৮) অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির উদ্দেশে সইযুক্ত চিঠিতে পদত্যাগ করেছেন। রাষ্ট্রপতি তাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন।
পদত্যাগ করা দুই বিচারপতির মধ্যে মামনুন রহমান ২০০৪ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকার সময় বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। তিনি বিএনপি সমর্থিত আইনজীবী প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও করেছিলেন।
চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে অবস্থানরত মামনুন রহমান ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন। রাষ্ট্রপতি বরাবর পদত্যাগপত্রটি তিনি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ও আইন মন্ত্রণালয়ের ইমেইলে পাঠান।
এদিকে গত ৯ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দার পদত্যাগ করেন। তার পদত্যাগপত্রটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়।
সেদিন সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বিচারপতি নাইমা হায়দার নিজ হাতে নিজের সই করা চিঠির মাধ্যমে পদত্যাগ করার ইচ্ছা পোষণ করে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। এরই মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট থেকে পদত্যাগপত্রটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, আজ মাহিমকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কেরানীগঞ্জ মডেল থানার উপপরিদর্শক শহিদুল ইসলাম তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
১১ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
১২ ঘণ্টা আগে
৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (২০২৬-২৭) সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতার সমর্থন আদায়ে ঢাকা এই প্ল্যাটফর্ম কাজে লাগাতে চায়।
১২ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসনসহ গণঅভ্যুত্থানের মর্ম ও আদর্শকে রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় জীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে এ বিল উত্থাপন করেন। এ সংক্রান্ত ইতিহাস সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে আনা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন- ২০
১২ ঘণ্টা আগে