
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর আদাবরে বিএনপি নেতা আবুল বাসার বাদশাকে (৪৫) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সন্দেহভাজন দুই আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। এই দুই আসামি হলেন— সোয়েব হোসেন সোয়াইব ও মো. কবির। গতকাল বৃহস্পতিবার আদাবরের নবোদয় হাউজিং থেকে তাদের আটক করা হয়।
শুক্রবার (৩ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথি তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন৷ প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এ মামলার বিষয়ে পুলিশকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর আসামিদের জামিনের বিষয়ে শুনানি হবে।’
এ দিন আদালতে হাজির করে ফৌজদারি কার্যবিধি আইনে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার এসআই হাফিজুর রহমান।
আবেদনে বলা হয়, ‘আসামিরা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত আছে বলে প্রাথমিক তদন্তে সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। তাদের সম্পর্কে আরও গভীর ও নিবিড়ভাবে তদন্ত অব্যাহত আছে। তদন্তে যদি আসামিরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত আছে মর্মে সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে ওই হত্যা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হবে। তদন্ত সমাপ্ত, নাম ঠিকানা যাচাই ও বাদীর এজাহার না পাওয়া পর্যন্ত আসামিদের কারাগারে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন।’
আসামিদের পক্ষে তাদের আইনজীবী মাহবুব আলম জামিন চেয়ে প্রার্থনা করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে। শুনানি শেষে দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ আসে।
এর আগে বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নবোদয় বাজার এলাকায় সালিশ বৈঠক চলাকালে বিএনপির আদাবরের নবোদয় হাউজিং ইউনিটের সভাপতি মো. সাদ্দাম ও সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার বাদশাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে দুর্বৃত্তরা। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
পরে তাদের মধ্যে বাদশাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত সাদ্দাম শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পুলিশ বলছে, চলমান ফুটবল বিশ্বকাপে খেলা দেখা ও জাপানের সঙ্গে ম্যাচ শেষে ব্রাজিলের জয় উদযাপনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

রাজধানীর আদাবরে বিএনপি নেতা আবুল বাসার বাদশাকে (৪৫) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সন্দেহভাজন দুই আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। এই দুই আসামি হলেন— সোয়েব হোসেন সোয়াইব ও মো. কবির। গতকাল বৃহস্পতিবার আদাবরের নবোদয় হাউজিং থেকে তাদের আটক করা হয়।
শুক্রবার (৩ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথি তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন৷ প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এ মামলার বিষয়ে পুলিশকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর আসামিদের জামিনের বিষয়ে শুনানি হবে।’
এ দিন আদালতে হাজির করে ফৌজদারি কার্যবিধি আইনে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার এসআই হাফিজুর রহমান।
আবেদনে বলা হয়, ‘আসামিরা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত আছে বলে প্রাথমিক তদন্তে সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। তাদের সম্পর্কে আরও গভীর ও নিবিড়ভাবে তদন্ত অব্যাহত আছে। তদন্তে যদি আসামিরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত আছে মর্মে সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে ওই হত্যা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হবে। তদন্ত সমাপ্ত, নাম ঠিকানা যাচাই ও বাদীর এজাহার না পাওয়া পর্যন্ত আসামিদের কারাগারে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন।’
আসামিদের পক্ষে তাদের আইনজীবী মাহবুব আলম জামিন চেয়ে প্রার্থনা করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে। শুনানি শেষে দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ আসে।
এর আগে বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নবোদয় বাজার এলাকায় সালিশ বৈঠক চলাকালে বিএনপির আদাবরের নবোদয় হাউজিং ইউনিটের সভাপতি মো. সাদ্দাম ও সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার বাদশাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে দুর্বৃত্তরা। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
পরে তাদের মধ্যে বাদশাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত সাদ্দাম শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পুলিশ বলছে, চলমান ফুটবল বিশ্বকাপে খেলা দেখা ও জাপানের সঙ্গে ম্যাচ শেষে ব্রাজিলের জয় উদযাপনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

তিনি বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ, সরাসরি বিনিয়োগ, ক্যাপিটাল মার্কেটে বিনিয়োগ এবং ফান্ড ম্যানেজারদের বিনিয়োগ- সবই বাংলাদেশে আসছে। বাজেট প্রথমত বাংলাদেশের জন্য। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি অঞ্চলের যে সম্ভাবনা আছে, সেটিকে মাথায় রেখে বাজেট করা হয়েছে এবং সেই সম্ভাবনাগুলো কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সেটিকে গুরুত্ব দেওয়া হ
৬ ঘণ্টা আগে
তারেক রহমান বলেন, “যে কারণে এত মানুষ জীবন দিয়েছে, সেই জুলাইয়ের আত্মত্যাগকে সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করবে সরকার। আইন অনুযায়ী, অন্যায়কারী এবং হত্যাকারীদের বিচার করা হবে। বিচারের নামে যেন কারও প্রতি অবিচার না হয়, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে”
৭ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, ‘জগতের সব ধরনের বৈচিত্র্য, ভিন্নমত ও আদর্শের অবাধ আদান-প্রদান এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমেই কেবল শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান সম্ভব; আর সেজন্য প্রয়োজন মুক্ত ও দায়িত্বশীল বুদ্ধিচর্চা।’
৮ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার সকালে ‘রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম’-এর কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আ ন ম আয়াস, কেন্দ্রীয় সংগঠক তুহিন ফরাজী এবং কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক মুহাম্মদ শাহ্ আলম বাদশা এ অভিযোগ দায়ের করেন।
৯ ঘণ্টা আগে